খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাউফলে ট্রলারে ১৪শ’ বস্তা ত্রাণের চাল, দুই পাচারকারী আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
বাউফলে ট্রলারে ১৪শ’ বস্তা ত্রাণের চাল, দুই পাচারকারী আটক

পটুয়াখালীর বাউফলে দুইটি কার্গো ট্রলারভর্তি ১৪শ’ বস্তা সরকারি চালসহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- চাল ব্যবসায়ী শাহজাহান ও ট্রলার মালিক জয়নাল চৌকিদার। বরিশালের হিজলা থেকে চাল আনা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফল উপজেলার বগাবন্দর থানার পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করেন। আটককৃত চাল ব্যবসায়ী শাহজাহানের বাড়ি বাউফল উপজেলার বানাজোরা গ্রামে ও ট্রলার মালিক জয়নালের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের বদরপুর গ্রামে।

পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসানের বরাত দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফল থানা পুলিশ আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকে বগা সংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্টে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ভোররাতের দিকে চাল বোঝাই ট্রলার বগাবন্দরের পাশে খালের মধ্য নোঙ্গর করে স্থানীয় একটি চালের গুদামে উত্তোলন করা হচ্ছিল। উদ্ধার হওয়া ওই চালের বস্তায় ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ লেখা রয়েছে। পরে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা পুলিশকে তাৎক্ষণিকভাবে জানায় যে, মেহেন্দিগঞ্জের একাধিক জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে চালগুলো ক্রয় করে বাউফলের উদ্দেশে নিয়ে আসছিল। স্থানীয়রা জানায়, এর আগে চালসহ ট্রলার আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে বাউফলের একজন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি ওই সরকারি চাল পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিতে ব্যাপক লবিং ও তদবির চালিয়ে ব্যর্থ হয়।
এঘটনায় পুলিশ সুপার মইনুল হাসান জানান, দুইটি কার্গো ট্রলার থেকে ১৪শ ’ বস্তা ত্রাণের চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার পেছনে যারা যারা জড়িত তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।

এদিকে, বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোসা. লিপি বেগমের বাসায় অভিযান চালিয়ে চার বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আনিসুর রহমান বালী তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। অপরদিকে মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ১০ টাকা কেজি চাল ওজনে কম দেয়ায় ৫নং কাকড়াবুনিয়া ইউপি সদস্য মো. আব্দুল বারী মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাসান মোহাম্মদ শোয়েব।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…