খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“শেষ বিদায়ের বন্ধু” মিরসরাই মানুষের শেষ ভরসা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২০, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
“শেষ বিদায়ের বন্ধু” মিরসরাই মানুষের শেষ ভরসা

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:::মিরসরাই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার ৫ লক্ষাধীক মানুষের মানবিক সেবা প্রদানের লক্ষে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে” শেষ বিদায়ের বন্ধু” সংগঠন।

গত শনিবার সকাল ১১টায় ওয়ার্লেস দারুল উলুম মাদ্রাসায় সংগঠনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ১৮ ইউনিটের টিম লিডারগন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় টিম লিডারদের প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট ব্যবহার বিধি, কর্মপরিকল্পনা ও সংগঠনের লক্ষ উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এসময় লাশ গোসল ও দাপনের জন্য পিপিই, তিন স্তরের হ্যান্ড গ্লাভস, গগেজ, মাস্ক, গাম বুট, কবর খোডার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কোদাল, খুন্তি, বাডাইল,করাত, কুডাইল, মাটি তোলার ওয়া, জীবানু নাশক স্প্রে মেশিন, ব্লিচিং পাউডার, হ্যান্ড সেনিটাইজারসহ আনুষঙ্গিক প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

দারুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা শোয়াইব এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ডাঃ এস এ ফারুক, চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, সাংবাদিক নুরুল আলম, কমফোট হাসপাতালের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন।

বারইয়ারহাট শেফা ইনসান হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডাঃ এস এ ফারুক বলেন, বেঁচে থাকতে জীবনে বন্ধুর অভাব হয়না। মৃত্যুর পর শেষ বিদায়ের বন্ধু সবাই হতে পারেনা। আমি “শেষ বিদায়ের বন্ধু” পরিবারের একজন হতে পেরে গর্বিত। এই মহৎ মানবিক উদ্যেগের জন্য উদ্যেক্তাদের ধন্যবাদ জানাই। এই করোনা পরিস্থিতিতে ছেলে মাকে জঙ্গলে রেখে আসছে, বাবাকে হাসপালে রেখে স্বজনরা খোঁজ নিচ্ছেনা৷ এ সমাজের কিছু মানুষ মৃত মানুষের সাথে নিষ্ঠুর নির্মম আচরণ করছে। মানুষ যখন মৃত মানুষের জানাযা নিয়ে শংকিত ঠিক তখনি জীবনের ঝুঁকি সত্বেও “শেষ বিদায়ের বন্ধু” সংগঠন
আমাদের মনে আশার আলো জ্বালিয়েছে। হায়াত এবং মৃত্যু আল্লাহ জানেন কার কখন কোথায় রেখেছেন। অন্তত মিরসরাইবাসীর কাছে এ সংকটে আস্থার শেষ ভরসা হবে এ সংগঠন। আশাকরি সকল মিরসরাইবাসি এ মানবিক সংগঠনের পাশে সহযোগিতার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসবেন। এ সংগঠন যেন লাশ গোসল, দাফন-কাপন আর কবর খোড়ার কাজে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের প্রয়োজনে নানামুখী জনকল্যানে অবদান রাখে। মিরসরাই থেকে যাত্রা করে এ সংগঠন একদিন সারাদেশে মানব সেবায় অবদানের জন্য প্রশংসিত হবে।

চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠন এই মুহুর্তে সময়ের দাবী। আমি একজন সমাজকর্মী হিসেবে অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি ভালো কাজ করলে মানুষ ভালোবাসবে। কিছু বিরোধিতা আসলেও হতাশ হয়ে হাল ছাড়া যাবেনা। এ সংগঠন মিরসরাইয়ে শিক্ষা, চিকিৎসা ও ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারে অনন্য অবদান রাখবে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা উদ্যেক্তারা জানান, মিরসরাই অঞ্চলের গরিব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এবং পরিপূর্ন ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে যে কোন মৃত ব্যাক্তির লাশ গোসল, দাফন-কাপন ও জানাযার লক্ষে মিরসরাই উপজেলার ১৮টি ইউনিটে সমাজ দরদী মানবতাবাদীদের সহায়তায় গঠিত হয়েছে “শেষ বিদায়ের বন্ধু” সংগঠন।

প্রতিটি ইউনিটে ৭জন পুরুষ এবং ৫জন মহিলা হিসেবে মোট ২১৬জন সেবক হিসেবে কাজ করবেন। উপজেলা সমন্বয় কমিটির নির্ধারিত হটলাইনে ফোন দিয়ে মানুষ এ সংগঠনের ফ্রী সেবা গ্রহন করবে। এ সংগঠন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে পরিচালিত হবে। পর্যায়ক্রমে আরো কিছু সেবামূলক কার্যক্রম সংযোজন হবে।

লক্ষঃ-
কালক্রমে এই সংস্থা নানারূপ মানবতাবাদী বাস্তবমুখী জনহিতকর কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়ে আত্ম মানবতার সেবায় কাজ করবে।

এর উদ্দেশ্যঃ- বে-ওয়ারিশ লাশ দাফন ও অসমর্থ লোকদের লাশ দাফনের ব্যবস্থা। ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস প্রদান। এতিমখনা ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা। ঈদে দুঃস্থ পুরুষ ও মহিলাদের মাঝে নূতন কাপড় বিতরণ, দুঃস্থ ও অক্ষম পরিবারদের সাহায্য প্রদান। বিভিন্ন দুর্যোগের সময় দুর্গত এলাকায় ত্রাণকার্য্য পরিচালনা করা । রমযানে দুস্থ এতিমদের ইফতার সামগ্রী পোঁছে দেওয়া।  লাশ গোসলের স্থায়ী ব্যবস্থা করা।উপজেলা কেন্দ্রীয় গোরস্থান নির্মাণ। গ্রামে যারা মৃত ব্যক্তিকে গোসল ও কবর খোড়ার কাজ করেন তাদের প্রশিক্ষন।
মসজিদ ভিত্তিক কোরআন শিক্ষা।  কেরাত প্রতিযোগিতা। ইসলামি সাধারণ জ্ঞান রচনা প্রতিযোগিতা। রমযান মাসে সেরা হাফেজ নির্বাচন সম্মাননা প্রদান।

“শেষ বিদায়ের বন্ধু” সংগঠনের সেবা পেতে নিচের হটলাইন নাম্বারে ফোন দিন
+8801815604723
+8801819107171
+8801726301123

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’