খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেউ এগিয়ে আসেনি:পুলিশ সদস্যই ভ্যান চালিয়ে নিয়ে গেলেন বৃদ্ধের লাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২০, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
কেউ এগিয়ে আসেনি:পুলিশ সদস্যই ভ্যান চালিয়ে নিয়ে গেলেন বৃদ্ধের লাশ

বিশ্বব্যাপী চলছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আতঙ্ক। আর এই আতঙ্কের কারণে যখন মানুষ নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে মানবতার সেবা থেকে, তখন পুলিশ সেখানে স্থাপন করছে অনন্য নজির। আবারও এমন দৃশ্য দেখা গেল গাজীপুরের সাইনবোর্ড এলাকায়।

মহাসড়কের পাশে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের লাশ পড়ে ছিল।

করোনাভাইরাসে বৃদ্ধের মৃত্য হয়েছে ভেবে ভয়ে কেউ কাছে এগিয়ে আসছিল না। এমনকি খবর পেয়ে পুলিশ একটি ভ্যানগাড়ি ডেকে আনলে এর চালকও লাশবহনে অপারগতা জানান। অবশেষে মরদেহটি ভ্যানে তুলে এক পুলিশ সদস্য নিজেই চালিয়ে থানায় নিয়ে যান।

ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর মহানগরীর সাইনবোর্ড এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে। আনুমানিক ৫০-৬০ বছর বয়সী মৃত ওই বৃদ্ধের পরনে সাদা রংয়ের হাফ শার্ট, লুঙ্গি ও মাথায় সাদা রঙের টুপি ছিল।

মৃতের পরিচয় পাওয়া যায়নি জানিয়ে গাছা থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শনিবার সকালে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গাছা থানার পুলিশ কনস্টেবল রুবেল মিয়া জানান, শুক্রবার রাত ২টার দিকে সাইনবোর্ড এলাকার ডিউটি করছিলেন। এ সময় তিনি মহাসড়কের উপর অজ্ঞাত এক বৃদ্ধ পড়ে রয়েছেন বলে খবর পান।

তিনি বলেন, অনেকক্ষণ ধরে তার নিথর দেহ রাস্তার পাশে পড়ে ছিল। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সন্দেহে কেউ তার পাশে যায়নি।

কনস্টেবল রুবেল মিয়া গিয়ে দেখতে পান বৃদ্ধের দেহ রক্তাক্ত। তার ধারণা অজ্ঞাত কোনও গাড়ি ওই ব্যক্তিকে চাপা দিয়েছে।

রাত গভীর হওয়ায় বৃদ্ধের দেহটি বহন করার জন্য কোনও গাড়ি পাচ্ছিলেন না তিনি। এ সময় এক রিকশা-ভ্যান চালককে লাশটি থানায় নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “ওই চালকও তার ভ্যানে লাশটি না তুলতে আমাদের হাতে-পায়ে ধরেন। পরে নিজেই ওই ভ্যানে লাশটি তুলে চালিয়ে থানায় নিয়ে যাই।”

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…