খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামের দু’টি হাসপাতালকে করোনা বিশেষায়িত করায় প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠিতে সুজনের অভিনন্দন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 30 May, 2020, 7:51 pm
চট্টগ্রামের দু’টি হাসপাতালকে করোনা বিশেষায়িত করায় প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠিতে সুজনের অভিনন্দন

চট্টগ্রামের করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য দুইটি প্রাইভেট হাসপাতালকে করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল ঘোষণা করেছে সরকার।

এছাড়া চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তারই আলোকে আজ শনিবার (৩০ মে) প্রধানমন্ত্রী বরাবরে ফ্যাক্স ও ইমেইল বার্তা প্রেরণ করেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

নিম্নে সুজনের বার্তাটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

তাং- ৩০/০৫/২০২০ইং

বরাবর
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

বিষয়ঃ- চট্টগ্রাম’র দু’টি প্রাইভেট হাসপাতালকে করোনা বিশেষায়িত করায় অভিনন্দন।

আসসালামু আলাইকুম,

ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল এবং বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালকে করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল ঘোষণা করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুকন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই চট্টগ্রাম শহরের সাথে আপনার এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিবিড় আবেগ এবং অনুভূতি জড়িত। আপনি ক্ষমতায় এসেই এই শহরের উন্নয়নের দায়িত্বভার কাঁধে নিয়েছিলেন। আজ করোনাকালে যখন সারাদেশের মানুষ জীবন ও মৃত্যুর মাঝখানে লড়ে যাচ্ছে এই দুঃসময়ে আপনি চট্টগ্রামের মানুষের কথা ভোলেননি তাই আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

দেখা যাচ্ছে, বরাবরই আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যেসকল নির্দেশনা দেওয়া হয় চট্টগ্রামে কেন যেন কে বা কারা পেছন থেকে কলকাটি নেড়ে নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন হতে দেয় না। ইতিপূর্বে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, ডিজি (হেলথ) এর সাথে ১২টি বেসরকারি হাসপাতালের চুক্তি হয়েছিল যে তারা প্রত্যেকটি হাসপাতালে ১০টি করে করোনা বেড এবং ৩টি আইসিইউ করোনা রোগীদের জন্য বরাদ্দ দিবেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি যার কারণে অনেক রোগী শুধুমাত্র আইসিইউ সুবিধার অভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। দেশে রাষ্ট্রের চেয়েও শক্তিশালী এরা কারা? করোনা সংক্রমন শুরু হওয়ার পর বৃতত্তর চট্টগ্রামের জন্য ফৌজদারহাট বি আই টি ডিতে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল আর জেনারেল হাসপাতালে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল করা হয়। পরবর্তীতে জেনারেল হাসপাতালে ১০টি ভেন্টিলেশন সহ আইসিইউ বেডের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্টি চালু হওয়ার পর হঠাৎ করে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এই ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা রোগীর সংখ্যার তুলনায় অপ্রতুল হয়ে পড়ে। এবং দিন যাওয়ার সাথে সাথে ক্রিটিকাল রোগীর সংখ্যা এত বেড়ে গেলো যে কোন রোগী মারা গেলে তাকে কবর দেওয়ার পর বেড খালি হলে তবেই বেডে অন্য রোগী ঢুকানো হচ্ছে। এর আগে প্রয়োজন হলেও ঢুকানো সম্ভব হয়নি ভেন্টিলেশনের অপ্রতুলতার কারনে। চট্টগ্রামের অনেক মানুষ শুধুমাত্র ভেন্টিলেশনের অভাবে মৃত্যু মুখে পতিত হয়েছে। চট্টগ্রামের মানুষের এই সংকটকে উপলব্ধি করে আরো দুইটি বিশেষায়িত হাসপাতালের অনুমোদন দিয়েছেন সেজন্য আপনার প্রতি চট্টগ্রামবাসী আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

বর্তমানে চট্টগ্রামে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষা। এই সংকট দ্রুত সমাধান করতে না পারলে চট্টগ্রামকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হবে। অতি জরুরি ভিত্তিতে এই সংকট সমাধান করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এই সংকট সমাধানে আপনার সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। এছাড়াও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের একটি সেকশন ১০০টি বেড ও পর্যাপ্ত আইসিইউ বেডসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত করে রাখলেও ডাক্তারদের একাংশের অসহযোগিতার দরুণ তারা এটা কোনভাবেই চালু করতে পারছেন না। চট্টগ্রামে পুলিশ ও র‌্যাবের অনেক ভাইয়েরা করোনা সংক্রমিত হয়েছে এবং অনেকে মৃত্যুবরণও করেছেন। ঢাকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য যেমন আলাদা পাসপাতালের ব্যবস্থা করা হয়েছে ঠিক তেমনি মা ও শিশু হাসপাতালকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাইদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে, কেননা এটা করোনার চিকিৎসা দেওয়ার জন্য একটা রেডি হাসপাতাল শুধু দরকার আমাদের চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের সহযোগীতা।
এছাড়াও আমাদের রেলওয়ে হাসপাতাল অনেক বড় একটা হাসপাতাল। এই হাসপাতালটিও করোনা চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। বন্দরেও বিশাল হাসপাতাল স্থাপনা পড়ে রয়েছে, সেখানে কোন লোককে তারা চিকিৎসা দেয় না। অথচ চট্টগ্রামের মানুষের পৈতৃক ভিটা-মাটির উপর এই চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত। যদি এই দুর্দিনে মানুষের সেবায় তারা এগিয়ে না আসে তাহলে মানুষের মনে কষ্ট থেকে যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি যদি আপনার পরামর্শক্রমে এবং নির্দেশক্রমে এই হাসপাতালগুলোকে করোনা চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা করে দেন তাহলে আমরা আপনার কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো।
এছাড়াও ভাটিয়ারীতে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের বিশাল হাসপাতাল স্থাপনা আছে। তাদের প্রচুর ফান্ড ও আছে। জেনারেল হাসপাতাল ও ফৌজদারহাট বি আই টি আই ডি এর যেসব রোগী অপেক্ষাকৃত ভাল অবস্থায় আছেন তাদেরকে সেখানে স্থানান্তর করা যেতে পারে। সুতরাং এই হাসপাতালটিকেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি সেদিন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেছিলেন, ‘আমাদের জীবনও চালাতে হবে, সাথে সাথে আমাদের সংক্রমিত রোগীদের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থাও করতে হবে’। এই দুর্যোগকালীন সময়ে আপনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং নির্দেশনা আমরা প্রত্যাশা করি। মহান আল্লাহ তা’লা আপনাকে দীর্ঘ হায়াত দিক, সুস্থতা দিক, এই জাতির আরো বেশি খেদমত করার সুযোগ আল্লাহ আপনাকে করে দিক। বীর চট্টলার লাখো-কোটি মানুষের দু’আ আপনার এবং আপনার সরকারের সাথে আছে।
আমি আবারো বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা বাস্তবায়নে যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তাদের চিহিৃত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে চট্টলাবাসীর পক্ষ থেকে জানাই হৃদয় নিংড়ানো শুভেচ্ছা।

ধন্যবাদ
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

বিনীত
আপনারই একান্ত অনুগত

(খোরশেদ আলম সুজন)
সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর।
১০নং ওয়ার্ড, উত্তর কাট্টলী, থানা-পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।
মোবাইল নং- ০১৭১৩ – ১১০ ৮৪৬

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।