খুঁজুন
, ,

চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসতে বন্দর, কাস্টমসসহ কর্পোরেট শিল্পগ্রুপের প্রতি সুজনের উদাত্ত আহবান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 7 June, 2020, 9:33 pm
চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসতে বন্দর, কাস্টমসসহ কর্পোরেট শিল্পগ্রুপের প্রতি সুজনের উদাত্ত আহবান

করোনা মহামারীতে মানবিক চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে চট্টগ্রামবাসীর পাশে দাড়াতে বন্দর, কাস্টমসসহ কর্পোরেট শিল্পগ্রুপের নিকট উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ রবিবার (৭ জুন) সকাল ১১ ঘটিকায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন চট্টগ্রামের ভৌগলিক অবস্থানগত সুযোগ সুবিধার উপর গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃদপিন্ড চট্টগ্রাম বন্দর। বাংলাদেশ সম্পদের সমৃদ্ধির উচ্চশিখরে আরোহণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের হাত ধরেই। এই বন্দরের আয় দিয়েই দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। বন্দরের উন্নতি মানেই পুরো দেশের উন্নতি। তাই চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়নে গর্ববোধ করে চট্টগ্রামের আপামর মানুষ।

তিনি বলেন,এছাড়া চট্টগ্রাম কাস্টমসও দেশের উন্নতির পিছনে অর্থনৈতিক যোগান দেওয়া একটি প্রতিষ্ঠান। দেশের সিংহভাগ আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম কাস্টমসেই। তাই চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপশি কাস্টম হাউসও দেশের অর্থনীতিতে প্রতিনিয়ত অর্থের যোগান দিয়ে দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া ভৌগলিক অবস্থানের কারণে আমাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি অধিগ্রহণ করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ছোট বড় শিল্প মিল কারখানা। যারা চট্টগ্রামে তাদের শিল্প প্রতিষ্টানসমূহ পরিচালনা করে কোটি কোটি টাকা আয় করছে। চট্টগ্রামের আয় দিয়ে তারা দেশের অন্যান্য জেলায়ও তাদের ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণ করেছে। এমনকি দেশের বাহিরেও অনেক শিল্প প্রতিষ্টানের ব্যবসা বাণিজ্য বিস্তৃত। তাদের এ উন্নতি মানেই চট্টগ্রামবাসীর উন্নতি এ কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতাম আমরা।

সুজন বলেন,বর্তমান করোনা ভাইরাস সৃষ্ট পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সেবায় তাদের নির্লিপ্ততা আমাদেরকে দারুনভাবে হতাশ করেছে। একসময় যে চট্টগ্রামবাসী গর্ব করতো চট্টগ্রামের বড়ো বড়ো কর্পোরেট হাউসগুলো চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পসহ সামগ্রিক উন্নয়নে এগিয়ে আসবে সেই চট্টগ্রামবাসীই এখন ঐসব শিল্পগ্রুপের অমানবিক নিস্পৃহতায় ক্ষোভে পুড়ছে। কিন্তু চাইলেই এসব শিল্প প্রতিষ্টানের জন্য চট্টগ্রামবাসীর স্বাস্থ্য সেবায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা কোন কঠিন বিষয় না। যারা একসময় সামান্য পারিবারিক অনুষ্টানে নিমিষেই খরচ করতো কোটি কোটি টাকা। তাদের বাহারি বিলাসিতায় হতবিহ্বল হয়ে পড়তো চট্টগ্রামের মানুষ। আজ চট্টগ্রামের চিকিৎসা ব্যবস্থার মুমূর্ষু এ অবস্থায় তারা নিশ্চুপ। তাদের নির্লিপ্ততা চট্টগ্রামবাসীর হৃদয়ে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করছে। এছাড়া আমরা প্রায়শই দেখি যে পবিত্র রমজান, পূজা কিংবা অন্য কোন উপলক্ষ্য আসলেই যারা সিন্ডিকেটভ‚ক্ত হয়ে পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে জনগনের পকেট কাটতো আজ তারা নেই। তারা কি এখন সিন্ডিকেটভূক্ত হয়ে চট্টগ্রামবাসীর স্বাস্থ্য সেবায় কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন না? তাদের কি কোন নৈতিকতা নেই? তাছাড়া চট্টগ্রাম চেম্বারের নিশ্চুপতাও আমাদেরকে গভীরভাবে ব্যথিত করে। যারা পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি হয়ে যখন দুইশত টাকা হয় তখন তারা নিশ্চুপ থাকে আবার পেঁয়াজের দাম যখন কমে পঞ্চাশ টাকা হয় তখন তারা ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করতে উঠেপড়ে লাগে। এভাবে তারা প্রতিনিয়তই নগরবাসীর সাথে ছলনার আশ্রয় নেয়। তারা চাইলেই চট্টগ্রামের শিল্পগ্রুপগুলোকে একীভূত করে মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসতে পারে কিন্তু তাদের রহস্যজনক নির্লিপ্ততা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত ভাবিয়ে তুলছে। এখন স্বাভাবিকভাবেই চট্টগ্রামবাসীর মনে প্রশ্ন চট্টগ্রামের ভৌগলিক অবস্থা ব্যবসা বাণিজ্যের উজ্জ্বল পরিবেশকে ব্যবহার করে তারা বছরের পর বছর নিজেদের সম্পদ বৃদ্ধি করলেও চট্টগ্রামবাসীর জন্য তাদের কোন মায়া মমতা নেই। চট্টগ্রামবাসীর জন্য কোন সময়ই তাদের প্রাণ কাঁদে না। তারা চট্টগ্রাম থেকে টাকা আয় করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তির সেকেন্ড হোম বানিয়েছে কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে করোনা তাদেরকে সে সব সেকেন্ড হোমে যাওয়ার পথও রুদ্ধ করে দিয়েছে। করোনা আমাদেরকে উপলব্দি করার সুযোগ দিয়েছে আগে মাতৃভূমিকে ভালোবাসুন, মানবিক হোন।

সুজন চট্টগ্রামের সকল শিল্পগ্রুপকে প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজ উদ্যোগে চট্টগ্রামবাসীকে এ মহামারী থেকে বাঁচানোর প্রয়াস গ্রহণ করার উদাত্ত আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই আপনাদেরকে ব্যবসা বাণিজ্যের সুন্দর পরিবেশ উপহার দিয়েছেন, সহযোগীতা দিয়েছেন তাই আপনাদেরও উচিত এ মূহুর্তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাড়ানো।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত সকল ক্যাটাগরীর শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য বন্দরের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করোনা পরীক্ষা করানোর জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট উদাত্ত আহবান জানান তিনি।

তাছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের আশেপাশের অধিবাসীর জন্য বন্দর হাসপাতালে বিশেষ স্বাস্থ্য সেবা চালু করা, বন্দর হাসপাতালে অতিসত্বর করোনা ইউনিট চালু এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে করোনা চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ব্যয়ভার গ্রহণ করার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসন এর সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিজাম উদ্দিন, শফিউল আজম বাহার, নূরল কবির, মোরশেদ আলম, মোঃ শাহজাহান, মোঃ বাবলু, সিরাজদ্দৌল্লা নিপু, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ নাছির উদ্দিন, রকিবুল আলম সাজ্জী, রাজীব হাসান রাজন, ইরফানুল আলম জিকু, শফিকুল আলম পারভেজ, কপিল কর, মোঃ আলী মিঠু, সাইফুল্লাহ সাইফ, সাজ্জাদ হোসেন, ফরহানুল হক রাকিব, উৎপল দত্ত, সালাউদ্দিন জিকু, জয়জিৎ চৌধুরী জয়, গিয়াস উদ্দিন, হাসান মুরাদ, রফিকুল ইসলাম, শহীদ হোসেন, ইমাম হোসেন সাগর, সাইফুল ইসলাম, মোঃ হৃদয়, মোঃ মাসুদ, অংকন শীল, মোঃ আরিফ, মোঃ নাঈম, মোঃ জুয়েল প্রমূখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 6:02 pm
উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গত ১৪ আগস্ট ২০২৬খ্রি. শুক্রবার বাদে আসর উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে ইমামে রাব্বানী শেখ আবুল বারাকাত আল বদরউদ্দিন আল ফারুকী মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রা.) এর ফাতেহা শরীফ ও মাহবুবে ইয়াজদানী আওলাদে রাসুল ও আওলাদে গাউছে পাক হুজুর সৈয়্যাদ আশরাফ জাহাংগীর সিমনানী (রা.) এর ফাতেহা শরীফ এবং মুজাদ্দিদে দ্বীনে মিল্লাত ইমামে আহলে সুন্নাত সৈয়দুনা সরকার আলা হযরত শাহ আহমদ রেজা ফাজেলে বেরলভী (রা.) পবিত্র ফাতেহা শরীফ ও আসন্ন ১১ রবিউল আওয়াল উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে পবিত্র জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। আঞ্জুমানে আল আমিন সুবলুস সালাম বাংলাদেশ হাটহাজারী চট্টগ্রাম এর প্রতিষ্টাতা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আবু বক্কর কাদেরীর উপস্থাপনায় ছদারত করেন বড় হুজুর কেবলা অলিয়ে কামেল উস্তাযুল উলামা শায়খুল মশায়েখ বাহারুল উলুম হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাম্মদ নুরুল মোনাওয়ার (রহঃ) এর এজাজতপ্রাপ্ত গদিনশীন আওলাদে পাক জা-নোশিনে মোনাওয়ার হুজুর শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ছালেকুল মাওলা (মা,জি,আ), সাজ্জাদানশীন- উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফ।

এতে প্রধান বক্তা ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন আল কাদেরী, প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ সূফিবাদী ঐক্য ফোরামের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নুর মুহাম্মদ রানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ ইলিয়াস, মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ।

আলোচনায় অংশগ্রহন করেন মাওলানা রিদওয়ান, নাত পরিবেশন করেন শায়েরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ আরফাত রেজা কাদেরী। উক্ত অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ারায় গাউসিয়া কমিটির স্বাগত জুলুছ পূর্ববর্তী মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 5:44 pm
আনোয়ারায় গাউসিয়া কমিটির স্বাগত জুলুছ পূর্ববর্তী মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রামের আনোয়ারা মোহছেন আউলিয়া (রহ.) দরবার শরীফ থেকে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, বটতলী ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে ঐতিহাসিক স্বাগত জুলুছ পূর্ববর্তী মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৪ আগস্ট (শুক্রবার) আনোয়ারা মোহছেন আউলিয়া (রহ.) দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মাহফিলে মেহমান-এ-আলা হিসেবে তাকরীর করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক সফল অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান আল-কাদেরী। মাহফিলের উদ্বোধন করেন উপজেলা গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আহমদ কবির।

বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বটতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আবু, ইসলামী চিন্তাবিদ এস এম হামেদ হোসাইন এবং হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের কো-চেয়ারম্যান মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মাওলানা এনাম রেজা।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা আবদুল মোমেন আনোয়ারী, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জানে আলম নেজামী, অধ্যক্ষ ডি.আই.এম. জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা আহমদ নুর আল-কাদেরী, মাওলানা আহমদ উল্লাহ, শায়ের মাওলানা এনামুল হক এনাম, মাওলানা আবুল কাশেম বিন সৈয়দ ফারুকী, মাওলানা সাইফুল আলম, কবি ও সাহিত্যিক মুহাম্মদ আলী আজগর, সাবেক মেম্বার আমীর আহমদ, সমাজসেবক মুহাম্মদ ফেরদৌসুর রহমান, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মুহাম্মদ কামাল উদ্দীন, যুবনেতা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জাকারিয়া, জিয়াউল হক রুভেল, মাহবুব আলম, মোহাম্মদ ওসমান তাহেরী, হুমায়ুন কবির ছোটন, মুহাম্মদ শাকিল, আবদুল মাবুদ সাগরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

মাহফিলে বক্তারা ধর্মীয় মূল্যবোধ, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও ইসলামী চেতনা ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আগামী ২৬ আগস্ট, বুধবার, বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আওলাদে রাসুল শাহিন শাহে ছিরিকোটির বংশধর পীরে বাঙ্গাল সৈয়দ মুহাম্মদ ছাবের শাহ (মজিআ)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ার বৃহত্তম জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-তে সর্বস্তরের মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় বক্তারা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর ছুটি বাতিলের যেকোনো উদ্যোগ বা ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে মোকাবিলা করার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।

বেগম জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 5:27 pm
বেগম জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ জোহর নগরের নসিমন ভবনস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয় জামে মসজিদে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানসহ মহানগর ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন এবং দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর দীর্ঘ সংগ্রামের কথা স্মরণ করা হয়। এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দোয়া মাহফিলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে নিহত দলীয় নেতাকর্মীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শামসুল আলম।

এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য এডভোকেট মফিজুর হক ভুঁইয়া, ইকবাল চৌধুরী, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, আবুল হাশেম, ইস্কান্দার মির্জা, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, খোরশেদ আলম, গাজী সিরাজ উল্লাহ, কামরুল ইসলাম, শিহাব উদ্দিন আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মশিউর আলম স্বপন, মোশারফ হোসেন ডিপটি, জাফর আহমেদ, মাহাবুব রানা, নুর উদ্দিন হোসেন নুরু, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ আজম, আশরাফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইউসুফ।

পরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং দেশ, জাতি ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।