খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরের ভূয়া নিয়োগপত্র দিয়ে প্রতারণা, গ্রেফতার ৫

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২০, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বন্দরের ভূয়া নিয়োগপত্র দিয়ে প্রতারণা, গ্রেফতার ৫

চট্টগ্রাম বন্দরের ভূয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে চাকরি প্রত্যাশীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল একাধিক প্রতারক চক্র৷

এই চক্রের জাল সারাদেশ জুড়েই বিস্তৃত৷ বেকার যুবকদের সরকারী চাকুরীর সোনার হরিন প্রাপ্তির স্বপ্নটি রিতিমতন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয় যখন জানতে পারে লাখ টাকা ব্যয়ে যে নিয়োগ পত্রটি মিলেছে সেটি ভূয়া৷

এমনই একটি ভূয়া নিয়োগ পত্রের মাধ্যমে সুদূর পঞ্চগড় থেকে সোহেল মিয়া নামের এক যুবককে চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি দেওয়ার নাম করে চট্টগ্রামে নিয়ে আসে প্রতারক চক্র। সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় বন্দরের অফিস সহায়ক পদে চাকরি। চক্রটি ইতিপূর্বে অগ্রিম পঞ্চাশ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। চট্টগ্রামে এনে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে অবশিষ্ট টাকা দাবী করলে ভূক্তভোগী সোহেল মিয়ার পরিচিত এক লোক বিষয়টি চট্টগ্রামের এনডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানাকে অবহিত করেন। ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা নিয়োগপত্রে স্বাক্ষরকারী চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ মমিনুর রশিদ কে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফোন করলে জানতে পারেন নিয়োগপত্রটি ভূয়া৷

এরপর চাকরী প্রত্যাশী সোহেল মিয়ার মুঠোফোন নাম্বারের সূত্রধরে ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা প্রতারক চক্রসহ ভিকটিম সোহেল মিয়ার চট্টগ্রামের অবস্থান বের করেন।

জানা গেছে, নগরীর আগ্রাবাদের আবাসিক হোটেল দুবাই এর ২১১ নাম্বার কক্ষে তারা অবস্থান করছে। অবস্থান নিশ্চিতের বিষয়টি সিএমপির এডিসি ইন্টেলিজেন্সকে জানালে ডবলমুরিং থানার এসআই অর্নব সহ সাদা পোশাকে পুলিশের একটি টিম ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা সহ গতকাল (২৪জুন) বিকেলে সেখানে পৌঁছে প্রতারক চক্রের রতন ও রেজাউল ইসলাম রেজা সহ পাঁচ সদস্যকে আটক করেন।

এই ঘটনায় প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার জন্য আটক পাঁচজনকে গতকালই ডবলমুরিং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে৷

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…