খুঁজুন
সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজেরা বৃষ্টিতে ভিজলেও মানুষকে ভিজতে দেয় না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
নিজেরা বৃষ্টিতে ভিজলেও মানুষকে ভিজতে দেয় না

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃবছরের অনেকটা সময় ঘরের কোনেই থাকে। হয়ত কোথাও ঝুলিয়ে। ধুলোও জমেছে। সামান্য টোকা দিলেই ধুলা উড়িয়ে সোজা নাসিকায়। শুরু হয় হাঁচির উৎপাত। যাদের ধূলি-এ্যালার্জি তাদের ননস্টপ। এ আরেক যন্ত্রনা। তবু ওই ধূলির পরতে ভরা কালো কাপড়ের বস্তুটি শুধু হাতে না নিলেই নয়, বাইরে গিয়ে হাঁচিকে মাথা মারি গালি দিয়ে মেলেও ধরতে হবে। কারণ বাইরে অঝর ধারায় বৃষ্টি। বারিধারার দিন এসেই গিয়েছে। নীপবনে কৃষ্ণের বাঁশির ব্যঞ্জনাময় তান উঠেছে। মৃদু লয়ে নূপুরের রুমঝুম মধুছন্দে ধ্রুপদীর কোন তালে রাধাও উঠেছে নেচে।

আকাশে সুরও ভেসে আসছে ‘এসো নীপবনে ছায়াবীথি তলে এসো কর দান নবধারা জলে…’।

এর মধ্যেই গ্রামের মেঠো পথে সুরে সুরে হাঁক দেয় কোন টাইকর, আ——ছে ছেঁড়া— ফাটা কলপি বাঁকা— স্প্রিং নষ্ট লাঠি—- ভাঙ্গা ছা—-তা—-। টনক নড়ে গৃহস্থ কিষান চাষী মজুরদের। কখন বৃষ্টি নামবে কেউ জানে না। আকাশে কালো মেঘ দেখলেই বলাবলি হয় এই নামলো বলে। এই সময়ে ছাতা ঠিক না থাকেল কি চলে। দুরন্তপনার শিশু-কিশোর ছাড়া কে চায় ভিজতে!

শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই রিকশাচালকরা চড়া ভাড়া দাবি করে। তখন মনে হয় বড় জলজটের বৃষ্টির মধ্যে ডুবসাঁতার দিয়েই বাড়ি পৌঁছা ভাল। এই অবস্থায় একমাত্র সাহায্যকারী বস্তুটির নাম ছাতা। এই ছাতা শীতে তো নয়ই ফাগুনের বসন্ত বেলাতেও নয়, গ্রীষ্মেরও অনেকটা সময় ঘরে বন্দী থাকে। ধুলো মুছে যত আপত্তি তো দূরে থাক খোঁজও কেউ নেয় না। ছাতাটা অসুস্থ হলো না মরল (অর্থাৎ কোথাও নষ্ট হলো না ইঁদুর কাটল) কে রাখে খোঁজ। বাইরে তখন ফুরফুরে আবহাওয়া। কিছুদিনের জন্য ছাতার কদর প্রায় ফুরিয়েই যায়। প্রকৃতিতে যেই বৃষ্টি ঝরার পালা শুরু অমনি খোঁজখবর কোথায় আছে বৃষ্টির বন্ধু ছাতা।

বর্ষাকালের রোমান্টিকতার মূল আকর্ষণই বৃষ্টি। আমাদের কাব্যে সঙ্গীতে গল্পে উপন্যাসে সর্বোপরি মানব জীবনের চিরকালীন সত্তার রোমান্টিকতার অন্যতম উপাদান বৃষ্টি। আর বৃষ্টির সঙ্গে ছাতাকে উপমা দেয়া যায় গানের সুরে ‘দুই ভূবনের দুই বাসিন্দা বন্ধু চিরকাল রেললাইন বহে সমান্তরাল.।’ বৃষ্টি ও ছাতা প্রকৃতি ও বস্তুর দুই বাসিন্দা। এদের বয়ে যাওয়া সমান্তরাল।

একটা সময় গল্পে উপন্যাসে চলচ্চিত্রে গ্রামের মানুষের চরিত্র চিত্রনে ছাতাকে টেনে আনা হতো। চামচারা ছাতা মেলে ধরত প্রভাবশালীর মাথার ওপরে, গ্রীষ্মে ছায়া দিতে ও বর্ষায় বৃষ্টি না পড়তে। গৃহস্থ ও কিষানরা গ্রীষ্ম বর্ষায় ছাতা ছাড়া ঘর থেকে বের হয় না। অনেক সময় ছাতা মর্যাদার প্রতীক। গ্রামের পাঠশালা ও স্কুলের মাস্টার মশাইয়ের হাতে অথবা বগলের নিচে ছাতা রেখে পথ চলা প্রতীকী পরিচয়ের। এই প্রতীকী পথচলার সঙ্গে মাটির স্পর্শের মাটির গন্ধে প্রাণের আকুলতায় বেড়ে ওঠা মানুষের পরিচয় বহন করে।

রোদেলা তাপ বৃষ্টির ধারা থেকে মুক্তির ছোট্ট একটি বস্তুর প্রয়োজনটা যে কত তা মৌসুমই বলে দেয়। বর্তমানে কত রকমের যে ছাতা এসেছে…। ছাতার হাতলের সঙ্গে সুইচ টিপলেই মেলে ওঠে। ছাতা যত বড়ই হোক বহনের কত সুবিধা এখন। স্প্রিং ও স্টিল কর্ডে ছাতার টানির প্লাস্টিকের অংশকে নানা কায়দায় ছোট করে ছেলেরা প্যান্টের লুপের সঙ্গে এঁটে মেয়েরা ভ্যানিটি ব্যাগে ভরে বহন করতে পারে। ছাতার হাতলেও এসেছে কত পরিবর্তন। একটা সময় ছাতার হাতল বাংলা ট বর্ণের মতো বাঁকানো থাকত। বর্তমানে এই বাঁকানোকে কতই না দৃষ্টিনন্দন করে তোলা হয়েছে। ছাতার কাপড়েও এসেছে পরিবর্তন। এখন কালো কাপড়ের ছাতার সঙ্গে নানা বর্ণের কাপড় ব্যবহার হয়। কোন কাপড়ে আবার নকশি করে বিক্রি হয়। ছাতা যত দৃষ্টিনন্দনই হোক মেলতে না চাইলে কখনও উল্টোমুখী হলে কখনও ভিতরের কোন পার্টসের জন্য বা সেলাই খুলে গেলে মেলতে অসুবিধা হলে ছাতা কারিগরদের ছাড়া গতি নেই।

ছাতা মেরামতের এসব কারিগরের নাম একেক অঞ্চলে ভিন্নতা আছে। নামে যাই থাক তাদের ব্যাগে ছাতা মেরামতের যন্ত্র একই। সুই সুতো ছোট্ট হাতুড়ি সাঁড়শির সঙ্গে টুকরো কাপড়, ছাতার ভিতরের রিং স্পোক কাঁটা গুনা সহ কত জিনিসই থাকে।

একজন টাইকর বললেন, ছাতা মেরামত করার সময় কোন জিনিস ফেলে দেয়া হয় না। নতুন করে পাল্টে নেয়ার পর ওই ভাঙ্গা টুকরো রেখে দেয়া হয়। যাদের ছাতায় সামান্য খুঁত আছে সেখানে বসিয়ে দেয়া হয়। এই ছাতা কারিগররা যে এতটাই এক্সপার্ট যে ছাতার যে কোন জায়গায় দ্রুত মেরামত করে দিতে পারে। গ্রামের পথে পথে (এমনকি শহরেও) এই সময়টায় ছাতা কারিগরদের কদর বেড়েছে। বর্ষায় ছাতা ঠিক না থাকলে পথ চলাই দায়। একটা সময় গ্রীষ্ম বর্ষায় ছাতা ছিল পার্ট অব ইউনিফর্ম। আজও আছে। তবে বাধ্যতামূলক নয়। মধ্যবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষ ছাতা হাতেই ঘর থেকে বের হয়। যাদের গাড়ি আছে ছাতা ব্যবহার না করলেও চলে। মোটরসাইকেল চালকদের রেইন কোট দরকার। অনেকেই রেইনকোট নিয়ে পথ চলেন। বর্তমানে রেইনকোটের চলও বেড়েছে। যতই বাড়ুক ছাতার কদরই আলাদা। আবার এই ছাতা হারায়ও বেশি। বৃষ্টির সময় ছাতা হাতে বের হওয়ার পর রোদ উঠলে ছাতা নেয়ার কথা মনে থাকে না। ছাতা হারিয়ে যাক আর নাই যাক বৃষ্টিতে ছাতার আকর্ষণ মানব জীবনের রোমন্টিকতার চাইতে কম নয়। ভাঙ্গা রোমান্স জোড়া দেয়ার কারিগর হয়ত নেই, ভাঙ্গা ছাতা জোড়া দিয়ে সরিয়ে তোলার ছাতা কারিগরদের আছে। তারা নিজেরা বৃষ্টিতে ভিজলেও মানুষকে ভিজতে দেয় না।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (২২ জুন) এক আবেগঘন বক্তব্যে তিনি জানান, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দেওয়া বক্তব্যে স্টারমার বলেন, ‘আমি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা আমার প্রিয় দেশের স্বার্থকে সামনে রেখেই নিয়েছি। আর সেই কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ খবর বিবিসির।

তিনি জানান, নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া জুলাইয়ে শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে। ততদিন তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করবেন।

২০২৪ সালের নির্বাচনে লেবার পার্টিকে বড় জয় এনে দিয়ে ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন স্টারমার। তবে ক্ষমতায় আসার পর একাধিক নীতিগত অবস্থান পরিবর্তন, দুর্বল জনসমর্থন এবং দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ তার নেতৃত্বকে চাপে ফেলে। সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলের পর তার ওপর পদত্যাগের চাপ আরও বেড়ে যায়।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবরে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহামের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। তবে নতুন নেতা নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

স্টারমারের পদত্যাগ ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দিলেও তিনি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল ক্ষমতা হস্তান্তরের অঙ্গীকার করেছেন।

চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে বিকেলে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে দালিয়ানের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া থেকে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। দালিয়ানে তিনি দুই দিন কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিং যাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের মূল কর্মসূচি শুরু হবে।

দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বুঙ্গা রায় কমপ্লেক্সের এক্সক্লুসিভ ভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলফিকলি হাসান ও তার সহধর্মিণী।

এ সময় মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম ও ডেপুটি হাইকমিশনার শাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গতকাল দুই দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া যান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। স্বল্পসময়ের এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে।

এক গোল খেয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৩ গোল দিলো মিশর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
এক গোল খেয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৩ গোল দিলো মিশর

প্রথমার্ধে এক গোল হজম করলেও তা শোধ করতে পারেনি মিশর। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে নিউজিল্যান্ডকে হতাশ করে একে একে ৩ গোল দিয়ে ম্যাচ জিতে নিয়েছে মোহাম্মদ সালাহরা। আসরের প্রথম ম্যাচ বেলজিয়ামের বিপক্ষে ড্র করা মিশর এবার পেলো জয়ের দেখা। চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে নেমে নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম জয়ের দেখা পেলো মিশর।

এর আগে, ১৯৩৪, ১৯৯০, ২০১৮ বিশ্বকাপে মোট ৮ ম্যাচে খেলেও কোনো জয়ের দেখা পায়নি। ২০২৬ সালে এসে পেলো প্রথম জয়ের দেখা।

সোমবার (২২ জুন) কানাডার বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচের ১৫ মিনিটে পিছিয়ে যায় মিশর। পরে তিনটি গোলই মিশর করে দ্বিতিয়ার্ধে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে গোল করেন ফিন সারম্যান। পরে দ্বিতীয়ার্ধে মিশরের মোহাম্মদ জিকো, মোহাম্মদ সালাহ এবং ডেভিড ত্রেজেগে করেন গোল।

প্রথমার্ধে আক্রমণে এগিয়ে ছিলো নিউজিল্যান্ড। সেই আক্রমণের অংশ হিসেবেই ১৫ মিনিটে গোল করে কিউইদের এগিয়ে নেন ফিন সারম্যান। মাইকেল পেইন দারুণ একটি কর্নার কিক নেন। বক্সের ভেতরে লাফিয়ে উঠে হেডে গোল করেন সারম্যান। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় নিউজিল্যান্ড।

৫৮ মিনিটে ডান দিক থেকে বক্সে বল পেয়ে মোহামেদ হানি চমৎকার একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন। বক্সের মাঝখানে সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় থাকা জিকো হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না। নিখুঁত ক্রস আর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে সমতা ফেরায় মিশর।

এরপর বক্সের ডান প্রান্তে বল পেয়ে জিকোর সঙ্গে দারুণ এক-দুই পাস খেলেন সালাহ। এতে বক্সের ভেতরে শট নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়, আর তিনি কোনো ভুল না করে নিচের বাঁ কোণে বল জড়িয়ে দেন ৬৭ মিনিটে।

৮২ মিনিটে আরও একটি গোল করে মিশর হেড থেকেই।এই গোলে সহায়তা করেন সালাহ। দারুণ ক্রাস করেন ডান দিক থেকে বদলি নামা ত্রেজেগে মাত্র নিজের তৃতীয় টাচেই হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন।

চেষ্টা করলেও কোনো গোল আর করতে পারেনি কিউইরা। প্রথম ম্যাচে ইরানের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করার মিশরের কাছে এগিয়ে গিয়েও হারলো ৩-১ গোলে। আর বেলজিয়ামের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করা মিশর ম্যাচটি জিতলো ৩-১ ব্যবধানে।

‘জি’ গ্রুপে মিশরের পরবর্তী প্রতিপক্ষ ইরান। ম্যাচটি আগামী ২৭ জুন। একই দিন বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামবে নিউজিল্যান্ড।