খুঁজুন
, ,

দুঃশাসনের মাধ্যমে সরকার দেশকে একটি ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে : ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2020, 9:20 pm
দুঃশাসনের মাধ্যমে সরকার দেশকে একটি ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে : ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা: শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আগামীকাল ১৫ আগষ্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ৭৬ তম জম্মদিন হলেও আমরা তা উদযাপন করছিনা। সারাদেশে করোনা মহামারী ও বন্যায় মানুষের বসত বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়াতে দেশের মানুষ আজ চরম কষ্টে দিন অতিবাহিত করছে। বিএনপি দেশের মানুষের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বুঝতে পারে বলেই জন্মদিনে উৎসব বাদ দিয়েছে। আজ আমারা গণতন্ত্রের মা, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মহফিলের আয়োজন করেছি। পাশাপশি সারাদেশে করোনা সহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা ও অসুস্থদের আশু রোগমুক্তি কামনা এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বানবাসী মানুষ দৃর্দশার হাত থেকে রেহাই পেতে দোয়া ও মিলাদ মহফিলের আয়োজন করেছি।

শুক্রবার (১৪ আগষ্ট) বাদ জুমা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জামে মসজিদে দোয়াও মিলাদ মাহলিলে শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

ডা: শাহাদাত বলেন, সরকারের দুর্নীতি-দুঃশাসনে দেশের জনগণ দিশেহারা। দেশ এক ভয়াবহ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। একদিকে করোনা মহামারী এবং বন্যা, অন্যদিকে দুর্নীতি-দুঃশাসনে দিশেহারা দেশের জনগণ। সরকারের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত, দুর্নীতির আশ্রয় প্রশ্রয় এবং সীমাহীন দুঃশাসনের মাধ্যমে সরকার দেশকে একটি ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। করোনা মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণরুপে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। একদিকে সরকার দলীয় নেতাকর্মী এবং মদদপুষ্টদের লাগামহীন লুটপাট ও দুর্নীতি, অন্যদিকে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একের পর এক ঘৃণ্য নৃশংসতা এবং লুটতরাজের চিত্র আজ সকলের সামনে উন্মোচিত।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, দেশের মানুষ আজ নিরাপত্তাহীন ও দিশেহারা। একদিকে করোনা অন্যদিকে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়েছে মানুষের বসতবাড়ি। সরকার জনগনের জান মালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। দেশের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, তারাই আজ জনগণের সামনে ত্রাস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। জনগণের কাছে পুলিশ আজ এক আতংকের নাম। বিএনপিকে দমন করার জন্য সরকারের প্রশ্রয়ে যে ক্রসফায়ারের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড শুরু হয়েছে তা আজ বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে। মেজর (অব:) সিনহার হত্যাকান্ডে পর একের পর এক পুলিশের নৃশংসতা এবং দূর্নীতির খবর প্রতিদিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। ক্রসফায়ারের মত সকল বিচারবহিভুত সকল হত্যাকান্ডে সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক দোষিদের শাস্তির দাবি জানাই।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ক্রসফায়ারে সাজানো গল্প মিথ্যা, বানোয়াট, এটা সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকার নীল নকশার অংশ। মেজর সিনহা হত্যাকান্ডের মাধ্যমে আমাদের এতদিনের দাবী- অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হল। ক্ষমতায় টিকে থাকতে আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। গণতন্ত্রের বিপক্ষে গিয়ে স্বৈরাচারী পথে হেঁটে মানবতা বিরোধী অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদ জিয়ার ৭৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার বাদ জুমা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আশু রোগমুক্তি সুস্বাস্থ্য কামনা হয়। করোনা সহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা ও অসুস্থদের আশু রোগমুক্তি কামনা এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বানবাসী মানুষ দৃর্দশার হাত থেকে রেহাই পেতে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।

জামে মসজিদের খতীব মাওলানা এহসানুল হক দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, ইকবাল চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মো: শাহ আলম,আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মনজু,কামরুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. সিরাজুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক হামিদ হোসেন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সম্পাদক নুরুল আকবর কাজাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাসেদ খাঁন, নগর বিএনপির হকার্স বিষয়ক সম্পাদক আবদুল বাতেন, সহ সংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হালিম স্বপন, মো: রফিকুল ইসলাম, সহ তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক আবদুর নূর, সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক আজাদ বাঙ্গালী, সহ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবু মুছা, সহ প্রকাশনা সম্পাদক আবদুল হাই, সদস্য ইউসুফ সিকদার, মো: ইলিয়াছ, ওযার্ড বিএনপির সভাপতি এস এম মফিজ উল্লাহ,আলাউদ্দিন আলী নূর, সাধারণ সম্পাদক হাজী এমরন, মনজুরুল কাদের, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মনিরুজ্জামান টিটু, মনিরুজ্জামান মুরাদ, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আলী মর্তুজা খানা, মো: সেলিম, জিয়াউর রহমান জিয়া, তানভীর মল্লিক, মো: নওশাদ, সালাউদ্দিন, মো: বেলাল, মো: গুলজার হোসেন, শ্রমিক নেতা আবু বক্কর প্রমূখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।