খুঁজুন
, ,

চুয়েটের ভিসি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পেলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 25 August, 2020, 10:57 pm
চুয়েটের ভিসি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পেলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে পুনরায় ৪ বছরের জন্য নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে (স্মারক নং-৩৭.০০.০০০০.০৮০.১১.০২.১৬ – ১৩৯) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব সৈয়দ আলী রেজা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগাদেশ জারি করা হয়।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম আবদুল হোসেন, মাতা মরহুমা খায়রুন্নেসা।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম চট্টগ্রামের তৎকালীন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের (বর্তমানে চুয়েট) ছাত্র হিসেবে ১৯৭৯ সালে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে বি.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি কৃতিত্বের সাথে এম.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক কনফারেন্সে ৫টি মূল্যবান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ১১টি জার্নালে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ প্রকাশ হয়। তাঁর প্রধান গবেষণা ক্ষেত্র হলো- Plasma Physics, Feedback System & Control Engineering, Modern Electronics প্রভৃতি।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম ১৯৮২ সালের ১৯ আগস্ট প্রভাষক হিসেবে চট্টগ্রামের তৎকালীন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ১৯৮৬ সালের ২ মার্চ সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। ২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতির পর ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে একই বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ২০১৩ সালের ৬ মার্চ তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পান। গত ১৫ এপ্রিল, ২০১৬ খ্রি: ভাইস চ্যান্সেলর পদে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় উক্ত পদ থেকে পূর্বের ভাইস চ্যান্সেলর বিদায় নিলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম উক্ত দিন থেকে ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর পঞ্চম ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁকে ভাইস চ্যান্সেলর পদে ৪ (চার) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগ প্রদান করেছিলেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বিভিন্ন সময় তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান, কোর্স-অর্ডিনেটর, মাস্টার্স সুপারভাইজার, বিআইটি-এর বোর্ড অব গভর্ণরস মেম্বার, এডভাইজরি কমিটি মেম্বার, একাডেমিক কাউন্সিল মেম্বার, চুয়েটের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজির ডিরেক্টর, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইআইসিটি)-এর ডিরেক্টর, চুয়েটের সিন্ডিকেট মেম্বার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বর্তমানে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স-এর চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-এর ফেলো এবং লোকাল কাউন্সিল মেম্বার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া কলেজের গর্ভনিং বডির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সৌদিআরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেন।

তিনি বিগত প্রায় ৪১ বছর শিক্ষকতার পাশাপাশি দেশে-বিদেশে অনেক মর্যাদার সভা, সেমিনার, কনফারেন্সসহ নানা ইভেন্টে অংশগ্রহন করেন।

এছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নাল ও প্রকাশনায় তাঁর লেখা প্রকাশ হয়।

বর্তমান ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের গতিশীল নেতৃত্বে একটি সুন্দর সুখী পরিবার হিসেবে চুয়েট এগিয়ে যাচ্ছে। চুয়েট এলামনাইসহ অন্যান্য শুভাকাঙ্খী ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বন্ধন আরো দৃঢ় হয়েছে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহনের পরপরই নিরন্তর প্রচেষ্টা ফলে ৩২০ কোটি টাকার একটি ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্ল্যান (ডিপিপি) বাস্তবায়িত হচ্ছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণার উন্নয়নকল্পে সেরা সাফল্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টগণ।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের ঐকান্তিক প্রয়াসে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আইটি সেক্টরে উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রায় ৯০ কোটি ব্যয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম ইনকিউবেটর ‘ শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন’ প্রকল্প স্থাপনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।