খুঁজুন
, ,

৩৩তম স্প্যানে পদ্মা সেতু ৫ কি.মি. দৃশ্যমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 19 October, 2020, 1:55 pm
৩৩তম স্প্যানে পদ্মা সেতু ৫ কি.মি. দৃশ্যমান

৩২তম স্প্যান বসানোর আটদিন পর পদ্মা সেতুতে বসানো হলো ৩৩তম স্প্যান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের ৩ ও ৪ নম্বর পিলারের ওপর ‘ওয়ান সি’ নামে স্প্যানটি বসানো হয়। এর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর প্রায় ৫ কিলোমিটার (৪ হাজার ৯৫০ মিটার) দৃশ্যমান হলো।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে তিন হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ভাসমান ক্রেনের সাহায্যে ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটিকে নির্ধারিত পিলারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেতু সংশ্লিষ্টরা জানান , ৩২তম স্প্যান বসানোর আটদিন পর বসানো হলো ৩৩তম স্প্যান। করোনাভাইরাস ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন স্প্যান বসানোর কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দেয়। পদ্মা নদীতে পানির গভীরতা অনুকূলে আসায় প্রকৌশলীরা স্প্যান বসানোর কাজে গতি আনার পরিকল্পনা করছেন।

তারা আরও জানান, পদ্মা সেতুতে ৩৩তম স্প্যান বসানোর পর আরও বাকি থাকবে আটটি স্প্যান। স্প্যানগুলো মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে আছে।

এদিকে ৪১টি স্প্যানের ওপর দুই হাজার ৯১৭টি রোড স্লাব বসানো হবে। এ পর্যন্ত এক হাজার রোড স্লাব বসানো হয়েছে। এছাড়াও রেললাইনের জন্য লাগবে দুই হাজার ৯৫৯টি রেল স্ল্যাব। এ পর্যন্ত বসানো হয়েছে এক হাজার ৬০০ রেলওয়ে স্ল্যাব।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণে কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো কর্পোরেশন।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর আগামী ২০২১ সালেই খুলে দেয়া হবে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 July, 2026, 9:54 pm
টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বলেছেন, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

রোববার (১২ জুলাই) চট্টগ্রামে টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শন শেষে নগরের দক্ষিণ কাট্টলীর ফইল্লাতলী বাজার সংলগ্ন লাকী স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী নগরীর ফইল্লাতলী বাজার সংলগ্ন মহেষ খাল, বারনীঘাট খাল, হালিশহর থানা রোড ও জেলেপাড়া রোড পরিদর্শন করেন।

তিনি বলেন, ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকার তাৎক্ষণিক ও সমন্বিতভাবে কাজ করছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনরুদ্ধার, নিয়মিত খনন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা এ সমস্যার সমাধান করবো।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে খাল দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত করা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের ডিরেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল সংস্কার, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সরকার পারছে না, এখন দোষ দিয়ে লাভ নেই : বন্যা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 July, 2026, 6:49 pm
সরকার পারছে না, এখন দোষ দিয়ে লাভ নেই : বন্যা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বন্যা ও জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের দোভাষী বাজার এলাকায় তিনি এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

ত্রাণ বিতরণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাঙ্গে আলাপকালে দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। দেশের মানুষের এই দুর্যোগকালীন সময়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যে কারণেই হোক, সরকার পারছে না। এখন দোষ দিয়ে লাভ নেই, মূল জিনিস হচ্ছে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দল-মত নির্বিশেষে সামর্থ্যবান ও ছাত্র সমাজসহ জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও বাজেট নিয়ে বারবার কথা বলছি। কক্সবাজার, পার্বত্য অঞ্চল ও চট্টগ্রামে যখনই বৃষ্টি শুরু হয়, আমরা বিষয়টি নিয়ে সংসদে সোচ্চার হয়েছি। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রী তখন সংসদে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ব্যবস্থার কথা বললেও, বর্তমানে খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতা-কর্মীদের নিষ্ক্রিয়তায় নাখোশ বলে নিউজে দেখা যাচ্ছে। আমরা আশা করব, সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকরী উদ্যোগ নেবে।’

আনোয়ারার উপকূলীয় এলাকার বেড়িবাঁধের বেহাল দশা এবং স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতার তীব্র সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় হুইপ বলেন, ‘আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা আগে থেকেই এখানে কাজ করছেন। আমরা এসে দেখলাম, দীর্ঘ ৫–৭ দিন ধরে এখানে কয়েকশো পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অথচ স্থানীয় এমপি কিংবা প্রশাসনের কাউকে এখানে দেখা যায়নি। মানুষ কোনো ত্রাণও পায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানলাম, বেড়িবাঁধের সমস্যার কারণেই বছরের পর বছর ধরে এই কৃত্রিম বন্যা ও জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেড়িবাঁধের নামে বরাদ্দকৃত কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। তবে এবার বাজেটে বেড়িবাঁধের জন্য যে টাকা রাখা হয়েছে, তার একটা টাকাও আমরা দুর্নীতি বা লুটপাট হতে দেব না। সংসদে আমরা এই বেড়িবাঁধের কথা শক্তভাবে তুলব, যাতে বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করে দ্রুত বাঁধের কাজ শেষ করা হয়।’

চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি জানান, আনোয়ারা শেষে তারা বাঁশখালীসহ বন্যাদুর্গত অন্যান্য জেলাগুলোতেও নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

ত্রাণ বিতরণকালে স্থানীয় জনগণের উদ্দেশ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি যেকোনো প্রয়োজনে এনসিপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য জুবাইরুল আলম মানিক সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন– ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি প্রমুখ।

‘ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 July, 2026, 6:11 pm
‘ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দুর্গত এলাকায় আমাদের উদ্যোগে মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনার পাশাপাশি খাদ্য ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ের নেতৃত্ব সার্বক্ষণিক বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর রাখছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, সরকারের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরাও সমন্বিতভাবে মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যেন দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে মানবিকতা, সহযোগিতা ও ঐক্যের মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

এসময় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, আহমেদ মুন্না, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর যুবদল নেতা মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম শহিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।