খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিপাহী-জনতার বিপ্লব এর মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র পুনঃ প্রতিষ্ঠিত হয়: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
সিপাহী-জনতার বিপ্লব এর মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র পুনঃ প্রতিষ্ঠিত হয়: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন,সিপাহী-জনতার বিপ্লব এর মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র পুনঃ প্রতিষ্ঠিত হয়। ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের বলি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে যখন বন্দি করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে তখনই সিপাহী-জনতার বিপ্লব এর মাধ্যমে জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে জনতার কাতারে নিয়ে আসে।

শহীদ জিয়া নাজুক পরিস্থিতিতে দেশের হাল ধরেন। সেদিন জিয়াউর রহমান দেশের হাল না ধরলে দেশের স্বাধীনতা, স্বার্ভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তো। দেশে আইনের শাসন, গণতন্ত্র বলে কিছু থাকতো না। জিয়াউর রহমানের কারণে আজ দেশ উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। শহীদ জিয়ার নেওয়া বহুমুখী পরিকল্পনার অংশ হিসাবে দেশ আজও এগিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েই ক্লান্ত হননি দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে তিনি গণভোটের ব্যবস্থা করেন। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি সারাদেশে ইর্ষনীয় জনপ্রিয় অর্জন করেন।

গণভোটে অংশ নিয়ে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দেশের শাসনভার গ্রহন করেন এবং দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। সকলের সমান সুযোগ সৃষ্টি করেন। ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে সারাদেশ ঘুরে বেড়িয়ে দেশের মানুষকে উন্নত করেন। দেশকে সমৃদ্ধশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন জিয়াউর রহমান।

তি‌নি আজ রবিবার ( ৮ ন‌ভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর ২৭ নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়া‌র্ডে ক‌রোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন ও মতবি‌নিময় সভায় প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে উপ‌রোক্ত বক্তব্য রা‌খেন।

প্রধান বক্তার বক্ত‌ব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির সাধারন সম্পাদক আবুল হা‌শেম বক্কর ব‌লেন, ৭ নভেম্বর সিপা‌হি জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব সংগঠিত না হ‌লে এ‌দে‌শে গণতন্ত্র মু‌ক্তি পেতনা। আওয়া‌মি লীগ এক দলীয় শাস‌নে বিশ্বাস ক‌রে ব‌লেই তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ভয় পায়, বিএনপিকে ভয় পায়। তাই যখনই বিএনপি সংগঠিত হয়, জনগণের অ‌ধিকার আদা‌য়ের সংগ্রা‌মে লিপ্ত হয়। তাই তারা বিএন‌পি‌কে সংগঠিত হ‌তে দেয় না। তাই তারা বিএন‌পির নেতাকর্মী‌দের উপর বিভিন্নভাবে নিপীড়ন-নির্যাতন করে ভয় সৃষ্টি করে। নির্যাতন নিপীড়ন চা‌লি‌য়ে গণতা‌ন্ত্রিক আ‌ন্দোলন‌কে স্তব্ধ করা যা‌বেনা। আওয়ামি লী‌গের একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চিরস্থায়ী করতে চায়। দেশের জনগণ কখনোই পরাধীনতাকে মেনে নেয়নি, কখনো মেনে নেবে না।

২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী ফয়েজ আহমেদের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মঞ্জু মিয়ার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি নাজিবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এসএম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হালিম শাহ আলম, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম মঞ্জু, কামরুল ইসলাম, ডবলমুরিং থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ সেকেন্দার, নগর মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ হোসেন, নগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম স্বপন, ডবলমুরিং থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী বাদশা মিয়া, নগর বিএনপির সদস্য জমির আহমেদ, থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হেলাল,ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কামালউদ্দিন, সহ-সভাপতি শহীদ হোসেন, মোঃ ইসকান্দার মির্জা, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী, আব্দুর রব, আব্দুর রহিম, যুগ্ন সম্পাদক হাসান রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মোস্তফা, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল সুমন, নগর যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম মানিক, মোহাম্মদ ওসমান গনি, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ আলমগীর, মোহাম্মদ জাবেদ সহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।