খুঁজুন
, ,

আইপিএলে পঞ্চম শিরোপা জিতল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 11 November, 2020, 12:28 am
আইপিএলে পঞ্চম শিরোপা জিতল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

আইপিএলে পঞ্চম শিরোপা জিতে সবচেয়ে বেশি শিরোপা জেতার রেকর্ডটা পোক্ত করেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। প্রথমবারের মতো টানা দুই আসরে চ্যাম্পিয়ন হল দলটি।

দুবাইয়ে ফাইনালে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দিল্লী ক্যাপিটালসের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। বোলিংয়ে এসে ইনিংসের প্রথম বলেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে সাফল্য এনে দেন ট্রেন্ট বোল্ট। বোল্টের লাফিয়ে ওঠা এক বল খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে চলে আসেন ওপেনার মার্কাস স্টয়নিস।

নিজের পরের ওভারে ফের আঘাত হানেন বোল্ট। তার লেগ স্টাম্পের এক ডেলিভারি খোঁচা দিয়ে উইকেটরক্ষকের কাছে পাঠান আজিঙ্কা রাহানে। ৪ বলে ২ রান করেন তিনি।

পরের ওভারেই শিখর ধাওয়ানকে হারায় দিল্লী ক্যাপিটালস। স্পিনার জয়ন্ত যাদবের বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন ১৫ রান করা ধাওয়ান। ২২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া দিল্লী ক্যাপিটালসের ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন শ্রেয়াস আইয়ার এবং রিশাভ পান্ট। অধিনায়ককে সঙ্গে নিয়ে ৯৬ রানের জুটি গড়েন পান্ট। দুজনই তুলে নেন অর্ধশতক। ৩৮ বলে ৫৬ রান করে নাথান কোল্টার-নাইলের বলে আউট হন পান্ট।

ইনিংসের সমাপ্তিটা তেমন ভালো হয়নি দিল্লী ক্যাপিটালসের। শেষ ৫ ওভারে স্কোরবোর্ডে ৩৮ রান তুলতে সক্ষম হয় দলটি। ট্রেন্ট বোল্টের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান শিমরন হেটমেয়ার। হেটমেয়ার মাত্র ৫ রান করে ফিরে গেলে দিল্লী ক্যাপিটালসের বড় স্কোর গড়া শঙ্কার মধ্যে পড়ে যায়। শেষদিকে অক্ষর প্যাটেল ৯ বলে ৯ রান করে আউট হন।

শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা শ্রেয়াস আইয়ার ৫০ বল মোকাবেলা করে ১৩০ স্ট্রাইক রেটে রান করেন ৬৫। এ ইনিংস খেলার পথে এ মৌসুমে ৫০০ রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন আইয়ার। ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৭ উইকেটে ১৫৬ রান করতে সক্ষম হয় দিল্লী ক্যাপিটালস। বোল্ট তিনটি ও কোল্টার-নাইল দুইটি উইকেট নেন।

জবাব দিতে নেমে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের দুই ওপেনার কুইন্টন ডি কক আর রোহিত শর্মা। ডি কক ঝড় তুললেও সেই ঝড় স্থায়ীত্ব পায়নি। ১২ বলে ২০ রানের ইনিংস খেলে মার্কাস স্টয়নিসের বলে উইকেটরক্ষক রিশাভ পান্টের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তবে অপর প্রান্তে অব্যহত ছিল রোহিত শর্মার ঝড়। প্রথম পাওয়ারপ্লেতেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ৬১ রান তুলে ফেলতে সক্ষম হয়।

প্রথম উইকেটের মতো দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতেও রান হয় ৪৫। রোহিত শর্মা আর সূর্যকুমার যাদবের ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন যাদব। মূলত, দারুণ ব্যাটিং করতে রোহিতের উইকেট বাঁচাতে গিয়ে নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন যাদব। ১ চার ও ১ ছক্কায় ২০ বলে ১৯ রান করেন তিনি। এরপর রোহিতের সঙ্গে হাল ধরেন ইশান কিষাণ।

কিষাণের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শিরোপার সুবাস পেতে থাকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ১৫ ও ১৬তম ওভার মিলিয়ে ২১ রান আসলে জয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জন্য শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

দলীয় ১৩৭ রানের মাথায় রোহিত শর্মার উইকেট তুলে নেন আনরিক নরকিয়া। ৫১ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন রোহিত। ইনিংস লম্বা করতে পারেননি কিরন পোলার্ড। ৯ রান করে বোল্ড হন কাগিসো রাবাদার বলে। শিরোপা থেকে এক রান দূরে থাকা অবস্থায় বিদায় নেন হার্দিক পান্ডিয়া। এরপর ক্রুনাল পান্ডিয়া মাঠে নেমে জয়সূচক রান করেন। ১৯ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন কিষাণ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দিল্লি ক্যাপিটালস: ২০ ওভারে ১৫৬/৭ (স্রেয়াশ ৬৫*, ঋষভ পন্ত ৫৬, ধাওয়ান ১৫; ট্রেন্ট বোল্ট ৩/৩০, নাথান কোল্টার নিল ২/২৯)।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স: ১৮.৪ ওভারে ১৫৭/৫ (রোহিত ৬৮, ইশান ৩৩*, ডি কক ২০, যাদব ১৯)।

ফল: মুম্বাই ৫ উইকেটে জয়ী।

ফাইনালে সেরা খেলোয়াড়: ট্রেন্ট বোল্ট। 

সেরা ব্যাটসম্যান: লুকেশ রাহুল(৬৭০ রান)।

সেরা বোলার: রাবাদা(৩০ উইকেট)।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

 

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।