খুঁজুন
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কবিতা তোমায় আর কষ্ট দিবনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
কবিতা তোমায় আর কষ্ট দিবনা

গৌতম চন্দ্র বর্মন : প্রত্যেক মানুষ বেচে থাকার জন্য স্বপ্ন থাকে আমারো জীবনে ছিল,যা অন্যদের সাথে মিলত না,আমি ভাবছিলাম হয়তো কোন এক সময় আমার স্বপ্ন গুলো মেনে নেবে কিন্তু মেনে নিল কই? তাই নিজেকে তেমন একটা ভাল জায়গায় দাড় করাতে পারিনি, তাই নেশার জগতে এসে সমাজের কিছু অসংগতির কথা তুলে ধরে পত্রিকায়।

আর আমার এসব লেখা দেখে প্রেমে পরে যায় “কবিতা”। প্রেমে পড়ার বেশী দিন সময়ো নেয়নি অবশেষে আমাকে সাতপাকে বাঁধা পড়তে হয় আমাকে। বিয়ে করার পর কবিতার আমার লেখার প্রতি বিন্দু মাত্র তার আগ্রহ নেই, একজন ক্ষুদ্র সংবাকর্মীর জীবনকে দূর থেকে দেখে যতোটা আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল কবিতার, বাস্তবে এখন তার  বিপরীত। সারাদিন দৌড়ের মাঝে থেকে যখন বাসায় এসে কম্পিউটার টেবিলে বসে আবার লেখালেখি করে থাকি। এই বিষয়টা উপলব্ধি করে কবিতা ভেঙে পড়লো।আমি লেখালেখি করি বলে এখন  সে বিরক্ত হয়ে থাকে।

কিন্তু আজ বুজলাম লেখার সাথে আমার বাস্তব জীবনে বিস্তর ফারাক। সাধাসিধা মানুষ আমি বাসায় সবসময়, চুপচাপ থাকি। প্রয়োজন ছাড়া কথা বলি না। একদিন বাসায় ডুকতে গেটে দাড়িয়ে শুনতে পেলাম কবিতা তার মাকে ফোন করে বলছে, শেষকালে কপালে জুটলো একটা পাগলা জামাই। সারাদিন খাওয়া নাই দাওয়া নাই দৌড়াতে থাকে রাতে আবার কম্পিউটার টেবিলে বসে কি যেন লেখে! আমার কিন্তু ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে  যাচ্ছে মা।

প্রতিদিন রাতে ডকুমেন্টস গুলো যখন রাখতে কম্পিউটারে বসি।যতটুকু সময় কম্পিউটার টেবিলে বসে কাজ করি  ততক্ষণই এয়ার ফোন কানে লাগিয়ে গান শুনি। কবিতা তখন ঘুম থেকে উঠে ঋষির মতো মগ্ন হয়ে লিখতে থাকা আমার দিকে ল্যাপটপের নষ্ট ব্যাটারির মতো তাচ্ছিল্যের চোখে তাকিয়ে থাকে।মাঝ রাতে প্রায়ই আমি ইউকুলেলে বাজিয়ে জীবনমুখী গান ধরি। ও বিরক্তির ভান মুখে এনে গানগুলো শোনে ।কবিতা প্রায়ই আমার সাথে ঠিক করে কথা বলে না। আমরা ইশারা ইঙ্গিতে কাজ চালিয়ে নেয়।ঘুমিয়ে যাবার পর কবিতা নিষ্পাপ মুখটার দিকে তাকাইয়া থাকি আউলা দৃষ্টিতে। গভীর রাতগুলো ওর নিখুঁত গভীর নাভিটাকে নিজের লেখা কোন ছোটগল্পের সাথে মেলাই। সহজসরল সাদামাটা সুখগুলোতে বুঁদ হয়ে যেতে নিতান্তই মন্দ লাগে না।

কবিতা আমাকে স্বার্থবাদী বলতো। কবিতা রেগে উঠলে সে আমাকে লুচ্চা বদমাশের বলতো।সে আমাকে ভৎসনা করে ইতর,বহুগামী, লুচ্চা-বদমাশ সেই ভাষায়।সে সব কথা শুনে আমার শ্বাসকষ্টের মতো হয়।এই কঠিন শব্দগুলো বারবার শুনি। নীরবে সহ্য করে যাই।সমাজের নিরিহ মানুষের দুঃখের কথার করনে নিরবে শয্য করি অসহায় মানুষের কথা বুকে ধারণ করে তর্ক না করে তবুও আমি এক বিছানায় ঘুমাই। প্রতিদিন রুটিন মেনে সংসার চালাই এটাই যে সংবাদকর্মীদের জীবন।আমার রুচিতে ভীষণরকম অমিল থাকবার পরও আমি আর কবিতা বছরের পর বছর এক ছাদের নিচে কাটিয়ে দিচ্ছি।

অসুখী কবিতা চাঁছাছোলা বাক্যে প্রতিনিয়ত জর্জরিত হয়েও তাই বেশ আছি।মাঝে মাঝে বাপ হওয়ার জন্যও মন  আঁকুপাঁকু করে। সন্তান নেবার ব্যাপারে নিমরাজি ছিলো সে।সে ঠিক ভরসা পাচ্ছিলো না নিষ্পাপ একটা প্রাণকে অভ্যর্থনা জানিয়ে পৃথিবীতে আনবার জন্য।আর আমার এলাকা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিং হতো। তীব্র গরমের মাঝে জেদ করে জামাকাপড় খুলে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে বসে থাকতো কবিতা। আমি তাকে জামাকাপড় পরাৱ জন্য নরম গলায় অনুরোধ করলে দাঁত কিড়মিড় করতো জেদে। মোমবাতির আলোয় রাগে লাল হয়ে থাকা সুন্দর মুখটা দেখে আমার মায়া লাগতো। কেন যেন সেই মুহূর্তে চোখ মেলে তার সুন্দর শরীরটার দিকে তাকাতে পারতাম না।এক রাতে মিলনের  সময় কি এক ভালো লাগায় আমার চুলের মুঠি ধরে টলাটলা চোখে সে বলে ওঠে, আমি তোমাকে তীব্রভাবে ঘেন্না করি খ্যাপাটে সংবাদকর্মী! যদি সুযোগ থাকতো, সে নাকি  আমার চুলের মুঠি ধরে জবাই করত। আমি শুনে স্পষ্টভাবে তার চোখের দিকে তাকাই। বোঝার চেষ্টা করি, ভালোবাসা না থাকার পরও কারো প্রতি একটা মানুষের এতো প্রেমঘেঁষা ঈর্ষা কি করে কাজ করে! বউটা  হুঁশে নেই। দুখী মানুষদের বেহুঁশ বেহিসেবী কথাবার্তা ধরতে নেই কখনো। আমি ছাড়া এখন ওর কেই বা আছে! হয়তো গভীরভাবে সে আমাকে ভালোবাসে না, কিন্তু এক বিছানায় তো ঘুমায়। বেখেয়ালে আমার বুকে চুমু খেয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। সেটাই বা কম কি? গভীর রাতে দেয়ালে টাঙ্গানো বিয়ের লাল বেনারসি পরা ওর ছবিটা দেখি৷শব্দ নিয়ে খেলার বিলাসিতায় আর মন সায় দেয় না। তার থেকে রান্নাঘরে বউয়ের সামনে হাটু গেড়ে বসে ভাতের চাল ধোয়ার পানি ফেলে দিলে সংসারে সুখও সাচ্ছন্দ আসবে।

আমার খুব ইচ্ছা করতেছে কবিতাকে নিয়ে শহরের যান্ত্রিক, অপবিত্র জীবন ছেড়ে গ্রামে চলে যাই। কিন্তু গ্রামগুলোও আর আগের মতো নাই। সেখানকার মানুষগুলো শহুরে হয়ে উঠবার প্রাণপণ চেষ্টায় আছে। জগাখিচুড়ি এক সংস্কৃতি বানিয়ে নিজদেরকে জাদুঘরে রাখার মায়াবী আবেদন তৈরি করছে ক্রমশ। গভীর ঘুমে থাকা কবিতার চুলে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে আমি জানালা দিয়ে বাইরে তাকাই।দিন শেষে অসময়ের নিঝুম বৃষ্টিতে আকাশে জমতে থাকা এতো সময়ের গ্লানিময় মেঘ কেটে যাচ্ছে ধীরে।

Feb2

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’

অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ ও খুলশী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম, র‍্যাব-০৭, সিএমপি এবং বিভাগীয় কার্যালয়, বিএসটিআই এর সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উক্ত যৌথ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাকিব শাহরিয়ার।

উক্ত অভিযানে আমানত প্যাকেজিং এন্ড মার্কেটিং, গুলবাগ আবাসিক এলাকা, বায়েজীদ, চট্টগ্রাম নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিএসটিআই হতে সিএম সনদ গ্রহণ ব্যতিরেকে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেল পণ্য বোতলজাতকরণ এবং পণ্যের মোড়কে মানচিহ্ন ব্যবহারপূর্বক বাজারজাতকরণের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ প্রায় ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল, আনুমানিক ১০,০০০ পিস পণ্যের মোড়ক এবং বেশ কিছু খালি বোতল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানার জিম্মায় দেয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে খুলশী থানা, চট্টগ্রাম এলাকায় ২টি প্রতিষ্ঠানে খাদ্যপণ্য মজুতের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ব্যতিরেকে প্রায় ৫০ ড্রাম (প্রতি ড্রাম ২০০ লিটার) ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ড্রামজাত ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুতের অভিযোগে ২টি প্রতিষ্ঠানের মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মোট ৬০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সার্বিক নির্দেশনায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ২৬৯টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬,৭৭,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে প্রায় ৭৫,৮২৪ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির বিরুদ্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।