খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ জনআতঙ্কে ভুগছে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগ জনআতঙ্কে ভুগছে: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান শর্ত। কিন্তু বর্তমান অগণতান্ত্রিক সরকার গণতন্ত্রের গন্ধটুকুও মুছে ফেলেছে। আসন্ন চসিক নির্বাচনকে চট্টগ্রামবাসী অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য দেখতে চায়। বিএনপি বিশ্বাস করে নগরবাসীর গণরায় সুষ্ঠুভাবে প্রতিফলিত হবে। কিন্তু বর্তমান ক্ষমতাসিন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের রায়ের প্রতি আস্থাশীয় নয়। তাই আওয়ামি লীগ জনআতঙ্কে ভুগছে। তারা চর দখলের মতো জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে নিয়ে যাচ্ছে।

এক সময় নির্বাচন ছিল মানুষের কাছে উৎসব। এখন নির্বাচন মানে আতঙ্ক, মামলা, হামলা, গ্রেফতার ও নির্যাতন। দেশের জনগণ নির্বাচনের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব চসিক নির্বাচনে সে আস্থা ফিরিয়ে আনা। জনগণের দেওয়া রায় যেন ভূলুণ্ঠিত না হয় এবং নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় সে ব্যবস্থা করা। ভোটাররা ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে আনন্দঘন পরিবেশে ভোট দিতে পারে তার ব্যবস্থা করা। তাই নির্বাচন নিয়ে জনমনে যে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করার জন্য সরকার ও ইসিকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি শনিবার (০৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর ৩৮ নং দক্ষিন মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন। তাই বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলনের বিকল্প নাই। তারই ধারাবাহিকতায় আন্দোলনের অংশ হিসাবে বিএনপি চসিক নির্বাচনে গিয়েছে। আন্দোলন মানে মিছিল করে ঘরে ফিরা নয়, আন্দোলন মানে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে লিপ্ত হওয়া। এই চসিক নির্বাচনেই আমাদের ভূলণ্ঠিত গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ফ্যাসিষ্ট সরকারের অনেক জুলুম নির্যাতন শিকার হয়েছেন, এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমরা অনেক কিছু হারিয়েছি, আমাদের আর হারানোর কিছু নাই। আন্দোলন করে বিজয় অর্জন করে ঘরে ফিরব, অন্যথায় কারাগারে যাব। ইনশাআল্লাহ বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে, প্রতিষ্ঠিত হবে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার।

৩৮ নং দক্ষিন মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাজী জাহিদ হোসেন এর সঞ্চালনায় করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন ও মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, সিনিঃ যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী, কামরুল ইসলাম, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি ও কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী হানিফ সওদাগন , নগর বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিম, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর সাহেদা খানম, বন্দর থানা বিএনপির সহ সভাপতি হাজী এবাদুর রহমান, সালাউদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুব আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোঃ হোসেন, যুব সম্পাদক নেজাম উদ্দিন, ওয়ার্ড বিএনপির সিনিঃ সহ সভাপতি মনজুর মোর্শেদ, সহ সভাপতি শাহ আলম বাচা, আবদুস সাত্তার, মোঃ কামরুল, সিনিঃ যুগ্ম সম্পাদক আলী হাসান, মোঃ হোসেন মনা, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জুনু, মাহাবুব আলম, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাজ উদ্দিন, মোঃ বকতিয়ার উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন রাজু, সাদ উদ্দিন চৌধুরী, আবদুর রহির, জাহেদ আলম, মোঃ সাকিব মোঃ সাজ্জাদ, মোঃ এসকান্দর, মোঃ টিপু প্রমূখ।

Feb2

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বসতঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আনোয়ারার পারৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি গ্রামে এ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হামলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তান। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন– ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুসন্তান পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে সুজন বড়ুয়ার পরিবারে সুদের টাকাসহ অভ্যন্তরীণ ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই গতকাল রাত ১১টার দিকে বসতঘরে ঢুকে মা, মেয়ে ও শিশুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)। তিনি ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করেন। এর মধ্যে এনি বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রতিবেশী তেজপ্রিয় বড়ুয়ার সঙ্গে আমাদের আর্থিক লেনদেন ছিল। এ-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে বাড়িতে এসে হামলার ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সময় আমি শহরে ছিলাম। রাতে বড় ভাইয়ের মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি সব শেষ হয়ে গেছে।’

আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ নিহত মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে জড়িত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।

রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদান দিবস। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিবেশনের পর থেকে প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ দিবস পালনে তাগিদ দিয়ে আসছে। যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ভূমিকা রাখছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উত্সাহিত করাই বিশ্ব রক্তদান দিবসের উদ্দেশ্য।

১৮ থেকে ৬০ বছরের যে কোনো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সক্ষম ব্যক্তি, যার শরীরের ওজন ৪৫ কেজির ওপরে, তারা চার মাস পরপর নিয়মিত রক্তদান করতে পারেন। তবে রক্ত দিতে হলে কিছু রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের জন্য রক্তদাতার শরীরে কমপক্ষে পাঁচটি রক্তবাহিত রোগের অনুপস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। এ রোগগুলো হলো হেপাটাইটিস ‘বি’, হেপাটাইটিস ‘সি’, এইচআইভি বা এইডসের ভাইরাস, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। রোগের স্ক্রিনিং করার পর এসব রোগ থেকে মুক্ত থাকলেই সেই রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া যাবে। অবশ্য একই সঙ্গে রোগীর এবং রক্তদাতার রক্তের গ্রুপিং ও ক্রসম্যাচিং করাটাও জরুরি। এছাড়া রক্তদাতা শারীরিকভাবে রক্তদানে উপযুক্ত কি না, তা জানার জন্য তার শরীরের ওজন, তাপমাত্রা, নাড়ির গতি, রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতার উপস্থিতি ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখা হয়।

রক্ত মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পূর্ণমাত্রায় রক্ত থাকলে মানবদেহ থাকবে সজীব ও সক্রিয়। আর রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলেই শরীর অকেজো ও দুর্বল হয়ে পড়ে, প্রাণশক্তিতে ভাটা পড়ে। বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, রক্তদানে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে যায়। ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি মারাত্মক রোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়। নিয়মিত রক্তদান করলে অস্থিমজ্জা থেকে নতুন কণিকা তৈরি হয়, ফলে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। এতে যে কোনো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হলেও শরীর খুব সহজেই তা পূরণ করতে পারে। রক্তদানের সময় রক্তে নানা জীবাণুর উপস্থিতি আছে কি না তার জন্য পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। ফলে রক্তদাতা জানতে পারেন, তিনি কোনো সংক্রামক রোগে ভুগছেন কি না। অনেক সময় রক্তদাতার শরীরের রোগপ্রতিরোধক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। যাদের রক্তে আয়রন জমার প্রবণতা আছে, রক্তদান তাদের জন্য ভালো।

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিল স্কটল্যান্ড। বিপরীতে তাদের প্রতিপক্ষ হাইতি ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের টিকিট কাটে। যেখানে ২৮ বছর পর খেলতে নামা স্কটিশরা ৩৬ বছর পর মেগা ইভেন্টে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। এমনকি ‘সি’ গ্রুপের শক্তিশালী দুই দল ব্রাজিল-মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করায় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন স্কটল্যান্ড।

আজ (রোববার) ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে জন ম্যাকগিনের গোলে হাইতিকে ১-০ গোলে হারাল ইউরোপীয় দেশটি। যদিও ২৮তম মিনিটে ম্যাকগিনের শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিডকে পরাস্ত করে আসে স্কটল্যান্ডের জয়সূচক গোলটি।

১৯৯০ সালের পর স্কটিশরা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। অবশ্য মাঝে তারা বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি ২৮ বছর। শেষবার তারা সুইডেনকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। অন্যদিকে, ১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে হাইতি। তবে এখনও বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্টের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

স্কটল্যান্ডের হয়ে ম্যাকগিনের গোলটি আসে বক্সের ভেতরে চে অ্যাডামসের মিস করা শট থেকে। বলটি হাইতির গোলরক্ষক প্লাসিডের গায়ে লেগে ফাঁকা জায়গায় চলে যায়। ১৩ গজ দূর থেকে ম্যাকগিনের নেওয়া শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে প্রবেশ করে। এর আগে অবশ্য ম্যাচের ১৭তম মিনিটেও গোলের খুব কাছে ছিল স্কটল্যান্ড। অধিনায়ক স্কট ম্যাকটমিনে ফাঁকা জায়গা পেয়ে শট নেন, তবে সেটি পোস্টের উপরের অংশ ছুঁয়ে বাইরে চলে যায়।

হাইতি কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে দ্বিতীয়ার্ধে। ৭৪তম মিনিটে রুবেন প্রভিডেন্সের ক্রস থেকে উইলসন ইসিডর বল জালে পাঠানোর চেষ্টায় সফল হতে পারেননি। এরপর ৮৪তম মিনিটে ফ্রান্টজডি পিয়েরোর হেড অল্পের জন্য বাম পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।

আগামী ২০ জুন পরবর্তী ম্যাচে স্কটল্যান্ড জিলেট স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে। একইদিন ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির প্রতিপক্ষ হবে ব্রাজিল।