খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন বছর হউক গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করার বছর : ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২১, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
নতুন বছর হউক গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করার বছর : ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ও চসিক নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, জনগণকে ভোট সেন্টারে আসার জন্য উৎসাহী করতে হলে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের দৃশ্যমান নিরপেক্ষ নির্বাচন মূখী পদক্ষেপ নিতে হবে। জনগণকে উৎসাহী করতে হলে ভোট সেন্টারে নিরাপদে ভোট দেয়ার নিরাপত্তা দিতে হবে। যেহেতু ১০ লক্ষ ভোটার নারী ও মহিলা। ই.ভি.এম-এ ব্যালট প্যানেলকে সুরক্ষা দিতে হবে। নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সবার জন্য সমান নয়। প্রশাসন এখনো সরকারের নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে। চসিক নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সভা সমাবেশের সমান সুযোগ পচ্ছেনা। ভয় ভীতি প্রদর্শন করে সরকার কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি কমনো পায়তারা করছে। কেন্দ্র দখল ও ভোট কারচুপি ঠেকিয়ে চসিক নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। সে জন্য নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকার করতে হবে। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী ভয় ভীতিকে উপেক্ষা করে সাধারণ জনগনকে সাথে নিয়ে ভোট ডাকাতদের প্রতিহত করার দীপ্ত শপথ নিতে হবে।

তিনি শুক্রবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর ৫ নং মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির করোনা সুরক্ষা সামগ্রী ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, দেশের জনগন মনে করে ভোট দিলেও পাস না দিলেও পাস’। দেশের নির্বাচনব্যবস্থা নির্বাসনের পথে পাড়ি দিয়েছে। নির্বাচনের নিয়ে ভোটারদের দিন দিন অনাগ্রহ এবং নিরুৎসাহ দেখা দিয়েছে। চসিক নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিয়েছে ভোটারদের কেন্দ্রমূখি করে জণগনের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে। ভোটের দিনের আগেই বিশেষ প্রতীকের পক্ষে আগাম সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরে রাখার ঘটনা চট্টগ্রামবাসী আর হতে দিবেনা। বিনা ভোটে নির্বাচনের ঢেউ যেন আছড়ে পড়ছে সর্বত্র। আসন্ন চসিক নির্বাচনে চট্টগ্রামবাসী বিনা ভোটে পাস কোন মেয়র কাউন্সিলর দেখতে চায় না। আমরা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে আহবান জানাবো আগামী সুন্দর সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে ভয় ভীতিহীন নির্বাচনরে পরিবেশ নিশ্চিৎ করার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও নগর বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেন, বিনা ভোটে নির্বাচিত এই ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে জনগনে প্রতিবাদি কণ্ঠকে স্তব্দ করতে গুম-খুন, হামলা-মামলাকে প্রধান হাতিয়ার হিসাবে গ্রহণ করেছে। সরকারের গায়ের জোরে ক্ষমতায় টিকে থাকার সময় শেষ হয়ে আসছে। আগামী ২৭ তারিখ সিটি নির্বাচনে ঐক্ষবদ্ধভাবে সেন্টার পাহারা দিতে হবে। ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোট সেন্টারে থাকতে হবে।

মোহরা ওয়ার্ড় বিএনপির সভাপতি জানে আলম জিকু সভাপতিতে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, কামরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা দিদারুল আলম চৌধুরী হীরামন এর সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন এসএম আবুল কালাম আবু, আহমদ উল্লাহ, ইকবাল রহমান চৌধুরী, শহিদুল ইসলাম বাদশা, হাসনাত আলী, মোশারফ হোসেন, জিয়াউর রহমান জিয়া, গোলজার হোসেন, জমির উদ্দিন মানিক, আবু বক্কর শিকদার, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, মোরশেদ কামাল, নূরনবী আক্তার হোসেন, মো: মামুন, আব্দুল আজিজ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আবু বক্কর আবু. জাহাঙ্গীর আলম বাবলু, আনোয়ার সাদেক রবিন, জয়নাল আবেদীন, সরোয়ার, শহিদুল ইসলাম ছোটন, মোহাম্মদ মনসুর, ফকির শাহাবুদ্দিন, সহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, মহিলা দল নেত্রী নেতৃবৃন্দ।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।