খুঁজুন
, ,

নীলফামারী ও সৈয়দপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 6 November, 2019, 6:14 pm
নীলফামারী ও সৈয়দপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ শুরু

নীলফামারীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০১৯ শুরু হয়েছে।

৬ নভেম্বর বুধবার দুপুরে নীলফামারী ফায়ার স্টেশনে এর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী।

এতে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ। স্টেশন অফিসার রিফাত আল মামুনের সঞ্চালনায় এতে স্বাগত বক্তব্য দেন উপ-সহকারী পরিচালক এনামুল হক। পরে অগ্নি নির্বাপনে প্রস্তুতি এবং প্রাণহানী রক্ষায় বিশেষ মহড়া প্রদর্শণ করেন নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

অপরদিকে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ – ২০১৯ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। ৬ নভেম্বর বুধবার সপ্তাহের উদ্বোধন উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শহরের নতুন বাবুপাড়াস্থ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ে “সচেতনতা, প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ , দুর্যোগ মোকাবেলার সর্বোত্তম উপায়” প্রতিপাদ্যের ওপর ওই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদেও চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস এম গোলাম কিবরিয়া। সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মাহমুদুুল হাসান।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস্ চেয়ারম্যান আজমল হোসেন, সৈয়দপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল হাসনাত খান, মকবুল হোসেন ট্রাষ্ট একাডেমীর অধ্যক্ষ আবু রায়হান আল-বেরুনী, সৈয়দপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাকির হোসন বাদল, ফায়ারম্যান শেখ রিয়াজ উদ্দিন প্রমুখ।

সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের লিডার মাধব চন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথি জাতীয় ও ফায়ার সার্ভিস পতাকা উত্তোলণের মাধ্যমে সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন করেন। পরে প্রধান ও বিশেষ অতিথিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাহিনীর একটি দল অভিবাদন জানান।

পরে অগ্নিনির্বাপণ ও দূর্ঘটনা থেকে উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ব্যবহৃত আধুনিক বিভিন্ন সরঞ্জাম প্রদর্শন এবং অগ্নিকান্ড ও ভূমিকম্পন থেকে উদ্ধার ও সেবা প্রদান বিষয়ে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। শেষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উপলক্ষে একটি যান্ত্রিক র‌্যালী সৈয়দপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

Feb2
Feb2

নিরাপত্তাহীনতা থাকলে চিকিৎসকদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 4:31 pm
নিরাপত্তাহীনতা থাকলে চিকিৎসকদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয়। উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন ও সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যতই করা হোক, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা যাবে না।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের ভবন-২ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, নতুন ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোনো সম্ভব হয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সময়ের প্রয়োজনে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাসপাতালটি আজ আকার ও আয়তনে বড় রূপ ধারণ করেছে। তিনি হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, হেলথ টেকনিশিয়ানসহ সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

‘নিউরোচিকিৎসার সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে’

নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক জটিলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্ট্রোক, ইপিলেপসি বা খিঁচুনি, পারকিনসন্স ডিজিজ, ডিমেনশিয়া কিংবা মেরুদণ্ডের জটিল রোগের মতো সমস্যায় দেশে আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসার চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

৫০০ শয্যার আধুনিক ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এ ধরনের রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, সর্বাধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও বিশেষায়িত ওয়ার্ডের সমন্বয়ে গঠিত নতুন ভবনটি শুধু রোগী ভর্তির ধারণক্ষমতা বাড়াবে না, চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ যেন স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পান, সেই লক্ষ্যেই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অতিরিক্ত বেড ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে তোলা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য আশার আলো বয়ে আনবে।

‘প্রযুক্তির সঙ্গে মানবিকতাও জরুরি’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রযুক্তি থাকলেই একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হয় না। এর সঙ্গে মানবিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের বিকল্প নেই।

রোগীর প্রতি চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর সহানুভূতিশীল আচরণ, মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথা শোনা, তার মানসিক অবস্থা বোঝা এবং সম্মানজনক আচরণ চিকিৎসার মান অনেক বাড়িয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসার পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখার দায়িত্ব শুধু চিকিৎসকের নয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর উদ্বিগ্ন স্বজন—এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহানুভূতির সম্পর্ক বজায় থাকা জরুরি।

তারেক রহমান বলেন, এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের পরিবর্তে চিকিৎসকেরা যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন, কিংবা রোগী ও তার স্বজনেরা চিকিৎসকদের ওপর বিশ্বাস ও মর্যাদার সম্পর্ক অনুভব না করেন, তাহলে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যতই করা হোক, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা যাবে না।

‘স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি’

স্বাস্থ্যের অধিকার শুধু মৌলিক অধিকার নয়, এটি একটি জাতির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতিরও চাবিকাঠি বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি। উন্নত চিকিৎসা যদি শুধু শহরের বিত্তবান মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বলা যায় না।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক মানুষের কাছেও সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগীকে যেন যেকোনো চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে না হয়, সে জন্য সরকার ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি চিকিৎসাসুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে।

এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই পর্যায়ক্রমে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অক্টোবরে চালু হবে পাঁচ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সুস্থ আগামী’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য। এ লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার শিশুদের জন্য নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করছে।

একইভাবে শিশুস্বাস্থ্যের প্রতিও সরকার বিশেষভাবে নজর দিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর অংশ হিসেবে খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে এই পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করতে সরকার সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের কথা উল্লেখ

জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দিয়ে বর্তমান সরকার প্রমাণ করেছে যে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য শুধু স্লোগান নয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকার দেশে একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যাতে মানুষ দেশের ভেতরেই সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা পায়। তবে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার উন্নয়নে সরকার যত উদ্যোগই গ্রহণ করুক না কেন, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং সর্বোপরি স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকার ওপরই স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার সাফল্য নির্ভর করবে।

‘অর্থাভাবে কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না’

সরকার এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কোনো নাগরিককে দেশের বাইরে যেতে হবে না এবং অর্থাভাবে কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না—এমন প্রত্যয়ের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 4:29 pm
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে ৪ নেতাকে নতুন সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। দলের সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

নতুন মনোনীত নেতারা হলেন— অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম এবং মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, দলের সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উল্লিখিত নেতাদের বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, নতুন মনোনীত নেতারা তাদের মেধা, অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে সুচিন্তিত পরামর্শ দেবেন।

একইসঙ্গে দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরামে দল ও জনগণের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলে দলটির পক্ষ থেকে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।

শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 11:21 am
শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ ও র‍্যাবের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে সেখানে।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মূল প্রবেশপথে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়েছে। ব্যারিকেডের ভেতরে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়। পাশেই একটি জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা মোকাবিলায় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জলকামানটি আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সকাল থেকে কেউ সেখানে ফুল দিতে আসেনি বলে জানা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, সকাল থেকে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরো এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে। ৩২ নম্বরের পশ্চিম পাশেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান দেখা যায়।

সাধারণ মানুষের চলাচল ও প্রবেশের ওপরও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনটি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে এলাকাটি সাধারণ মানুষের প্রবেশের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত রয়েছে। আর আজ ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও বেড়েছে।