খুঁজুন
সোমবার, ৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০ বছরে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বিমান প্রয়োজন!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
২০ বছরে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বিমান প্রয়োজন!

আগামী ২০ বছরে অ্যাভিয়েশন খাতে ৪৩ হাজার ৬১০টি নতুন বিমানের প্রয়োজন পড়বে। যার বাজারমূল্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন বিমান নির্মাতা সংস্থা বোয়িং।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০২৩ বা ২০২৪ সালের আগে সারা বিশ্বে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল স্বাভাবিক হবে না। জাতিসংঘের মতে, বিশ্বব্যাপী এই খাতের সঙ্গে নানাভাবে সংশ্লিষ্ট ৬৬৫ লাখ মানুষ।

করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত সারা বিশ্বের এয়ারলাইন্স ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। বাণিজ্যিক ও সামরিক বিমান আর আনুষঙ্গিক পণ্যের অর্ডার বাড়ছে।

মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং বলছে, আগামী ১ দশকে সারা বিশ্বের বিমানের বাজার হবে ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের। ২০২০ সালে যা ছিল সাড়ে ৮ ট্রিলিয়ন ডলার আর ২০১৯ সালে ছিল সাড়ে ৮ ট্রিলিয়ন ডলারের ওপরে।

আগস্টে বোয়িংয়ের বিমানের অর্ডার কিছুটা বেড়েছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে আকাশপথে ভ্রমণ ব্যবস্থা। আগস্টে ৩০টি বিমানের অর্ডার বাতিল হলেও নতুন করে অর্ডার এসেছে ২৩টি বাণিজ্যিক বিমানের।

বাতিল হওয়া অর্ডারগুলোর মধ্যে ২৮টি বিমানই বোয়িং সেভেন থ্রি সেভেন ম্যাক্সের। এই বিমানের জন্য দুর্ভাগ্য বোয়িংয়ের পিছু ছাড়ছে না।

২০১৮ সালেও ১ হাজার বিমানের অর্ডার পেয়েছিল বোয়িং। দুই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা আর প্রাণহানির পর ধ্বস নেমেছে বোয়িংয়ের সুনামে। বাণিজ্যিক বিমানগুলোর মধ্যে ৭৩৭ ম্যাক্সের উড্ডয়ন প্রায় ২ বছর বন্ধ ছিল।

এখন বোয়িং ৭৮৭ মডেলের বড় বিমানই বেশি তৈরি করছে। গত মাসে ২২টি বিমান সরবরাহ করেছে বোয়িং। উল্টোদিকে, বোয়িংয়ের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইউরোপের এয়ারবাস সরবরাহ করেছে ৪০টি বিমান।

বোয়িং কর্তৃপক্ষ জানায়, ২ বছরের আয়ে ধস নেমেছে তাদের। ২০২৩ বা ২০২৪ সালের আগে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল সারা বিশ্বে স্বাভাবিক হবে না বলেও জানায় বোয়িং কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের আগস্টে ১৮ লাখ যাত্রী বিমানে ভ্রমণ করেছে, যেখানে ২০২০ সালে এ সংখ্যা ছিল ৭ লাখ। কিন্তু ২০১৯ সালের আগস্টে এ সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ। তবে সীমান্তে যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ার চেয়ে দ্রুত স্বাভাবিক হচ্ছে আকাশপথে যোগাযোগ।

এখনো অনেক দেশ আন্তর্জাতিক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আর বিধিনিষেধ দিয়ে রেখেছে। আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুলাইতে সারা বিশ্বে অভ্যন্তরীণভাবে ভ্রমণ ৮৪ শতাংশ বাড়লেও আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বেড়েছে ২৬ শতাংশ।

মহামারির পরও বোয়িংয়ের ভাগ্য কিছুটা ফিরেছে। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ পুরনো বিমানগুলো ব্যবহার থেকে সরে আসতে নতুন ১৯ হাজার বিমানের প্রয়োজন হবে তাদের। কারণ এ সময়টায় এশিয়াতে অনেক বাড়বে বিমানে ভ্রমণের চাহিদা।

এই বিমানগুলোর পরিচালনার জন্য আগামী ২০ বছরে সারা বিশ্বে বোয়িংয়ের ৬ লাখ ১২ হাজার বৈমানিকের প্রয়োজন পড়বে। ৬ লাখ ২৬ হাজার প্রকৌশলীর প্রয়োজন পড়বে।

আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা আইএটিএ বলছে, গত বছর বিমানে ভ্রমণ করা যাত্রীসংখ্যা ৬০ শতাংশ বা ১৮০ কোটি কমে গিয়েছিল। সারা বিশ্বের অ্যাভিয়েশন খাতের লোকসান হয়েছিল ১২ হাজার ৬০০ কোটি ডলার।

জাতিসংঘ বলছে, অ্যাভিয়েশন খাত সারা বিশ্বের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সিভিল অ্যাভিয়েশন সংস্থা বলছে, বিশ্বের মোট অর্থনীতির সাড়ে ৩ শতাংশ নির্ভর করে এই খাতের ওপর। সারা বিশ্বে এই খাতের সঙ্গে নানাভাবে সংশ্লিষ্ট ৬৬৫ লাখ মানুষ।

মার্কিন এ বিমান সংস্থা বলছে, আগামী ২০ বছরে অ্যাভিয়েশন খাতে ৪৩ হাজার ৬১০টি নতুন বিমানের প্রয়োজন পড়বে। যার বাজারমূল্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের ওপরে। মধ্যপ্রাচ্য আর এশিয়ার চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যাভিয়েশনের মার্কেট হবে চীন।

বিমানে ভ্রমণ কমায় সারা বিশ্বে এখনো অলস পড়ে আছে ৪ হাজার বিমান। আগামী ২০ বছরে আকাশপথে ভ্রমণের কারণে ২ শতাংশ বাড়বে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ।

এন-কে

Feb2

হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো লক্ষ্য করে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামের নতুন একটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্তকারী ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ। বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য এই প্রণালি দিয়ে পরিহবন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। ফলে প্রণালি, আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ।

রোববারের পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’-এর মূল উদ্দেশ্য হবে হরমুজ প্রণালি ও তার আশপাশে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালি পার হতে সহায়তা করা; অর্থাৎ হরমুজ পেরোতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রহরা দেবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, “বিশ্বের অনেক দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজে আটকা পড়েছে। এসব দেশের অধিকাংশই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় এবং তারা আমাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যে আমাদের নৌবাহিনী যেন আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রণালি থেকে বের হতে সহযোগিতা করে।”

“আমরা তাদের অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো যেন নিশ্চিন্তে তাদের গন্তব্য রওনা হতে পারে— তা নিশ্চিত করতে এবং সেসব জাহাজের নিরপেক্ষ-নিরপরাধ ক্রুদের মুক্ত করতে হরমুজ প্রণালিতে শিগগিরই প্রজেক্ট ফ্রিডম প্রকল্প শুরু হচ্ছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল, অর্থাৎ বাংলাদেশ স্থানীয় সময় সোমবার রাত থেকে হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হচ্ছে বলে ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

রোববারের পোস্টে ট্রাম্প হরমুজের নতুন এই প্রকল্পকে ‘মানবিক সহায়তা প্রচেষ্টা’ উল্লেখ করে বলেছেন, দিনের পর দিন আটকে থাকার কারণে অনেক জাহাজে ক্রুদের খাদ্য ও জরুরি সরবরাহের সংকট দেখা দিয়েছেন। ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ কার্যকর হলে এই প্রকল্প থেকে সবপক্ষ লাভবান হবে বলেও দাবি করেছেণ তিনি।

“আমি আমার সব প্রতিনিধিকে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছি যে তারা যেন বিভিন্ন দেশকে জানায় যে তাদের জাহাজ এবং ক্রুদের নিরাপদে হরমুজ থেকে বের করতে আমরা আমাদের সেরা প্রচেষ্টা চালাব।”

যদি নতুন এই প্রকল্প কার্যকরের পথে কোনো প্রকার ‘হস্তক্ষেপ’ ঘটে— তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘শক্তির সঙ্গে’ তার বিরুদ্ধে সাড়া দেবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন।

রোববার (৩ মে) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সচিবালয় জানায়, রাত ৯টায় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১ এ অবস্থিত শপথ কক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার নব-নির্বাচিত এই নারী জনপ্রতিনিধিদের শপথ বাক্য পাঠ করান। নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল।

এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ করে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন (এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম বাদে, তিনি ১৯ মিনিট পর মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন)। এদের মধ্যে বিএনপি জোটে ৩৬ জন বৈধ প্রার্থী, জামায়াত জোটের ১২ জন বৈধ প্রার্থী ও স্বতন্ত্রদের জোটের এক বৈধ প্রার্থীরসহ মোট ৪৯ জন বৈধ প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে তাদের নামে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির ৩৬ নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্য (এমপি) হলেন – সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াত জোটের ১২ এমপি হলেন- নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জি: মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও ইঞ্জি: মাহবুবা হাকিম।

এছাড়া স্বতন্ত্র জোটের সুলতানা জেসমিনকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৬১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

রোববার (০৩ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২৪৪ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩১৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৪৯১ জন।

এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৮১৬ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২০ হাজার ৯০ জন।