খুঁজুন
, ,

২০ বছরে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বিমান প্রয়োজন!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 17 September, 2021, 12:05 pm
২০ বছরে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বিমান প্রয়োজন!

আগামী ২০ বছরে অ্যাভিয়েশন খাতে ৪৩ হাজার ৬১০টি নতুন বিমানের প্রয়োজন পড়বে। যার বাজারমূল্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন বিমান নির্মাতা সংস্থা বোয়িং।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০২৩ বা ২০২৪ সালের আগে সারা বিশ্বে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল স্বাভাবিক হবে না। জাতিসংঘের মতে, বিশ্বব্যাপী এই খাতের সঙ্গে নানাভাবে সংশ্লিষ্ট ৬৬৫ লাখ মানুষ।

করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত সারা বিশ্বের এয়ারলাইন্স ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। বাণিজ্যিক ও সামরিক বিমান আর আনুষঙ্গিক পণ্যের অর্ডার বাড়ছে।

মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং বলছে, আগামী ১ দশকে সারা বিশ্বের বিমানের বাজার হবে ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের। ২০২০ সালে যা ছিল সাড়ে ৮ ট্রিলিয়ন ডলার আর ২০১৯ সালে ছিল সাড়ে ৮ ট্রিলিয়ন ডলারের ওপরে।

আগস্টে বোয়িংয়ের বিমানের অর্ডার কিছুটা বেড়েছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে আকাশপথে ভ্রমণ ব্যবস্থা। আগস্টে ৩০টি বিমানের অর্ডার বাতিল হলেও নতুন করে অর্ডার এসেছে ২৩টি বাণিজ্যিক বিমানের।

বাতিল হওয়া অর্ডারগুলোর মধ্যে ২৮টি বিমানই বোয়িং সেভেন থ্রি সেভেন ম্যাক্সের। এই বিমানের জন্য দুর্ভাগ্য বোয়িংয়ের পিছু ছাড়ছে না।

২০১৮ সালেও ১ হাজার বিমানের অর্ডার পেয়েছিল বোয়িং। দুই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা আর প্রাণহানির পর ধ্বস নেমেছে বোয়িংয়ের সুনামে। বাণিজ্যিক বিমানগুলোর মধ্যে ৭৩৭ ম্যাক্সের উড্ডয়ন প্রায় ২ বছর বন্ধ ছিল।

এখন বোয়িং ৭৮৭ মডেলের বড় বিমানই বেশি তৈরি করছে। গত মাসে ২২টি বিমান সরবরাহ করেছে বোয়িং। উল্টোদিকে, বোয়িংয়ের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইউরোপের এয়ারবাস সরবরাহ করেছে ৪০টি বিমান।

বোয়িং কর্তৃপক্ষ জানায়, ২ বছরের আয়ে ধস নেমেছে তাদের। ২০২৩ বা ২০২৪ সালের আগে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল সারা বিশ্বে স্বাভাবিক হবে না বলেও জানায় বোয়িং কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের আগস্টে ১৮ লাখ যাত্রী বিমানে ভ্রমণ করেছে, যেখানে ২০২০ সালে এ সংখ্যা ছিল ৭ লাখ। কিন্তু ২০১৯ সালের আগস্টে এ সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ। তবে সীমান্তে যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ার চেয়ে দ্রুত স্বাভাবিক হচ্ছে আকাশপথে যোগাযোগ।

এখনো অনেক দেশ আন্তর্জাতিক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আর বিধিনিষেধ দিয়ে রেখেছে। আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুলাইতে সারা বিশ্বে অভ্যন্তরীণভাবে ভ্রমণ ৮৪ শতাংশ বাড়লেও আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বেড়েছে ২৬ শতাংশ।

মহামারির পরও বোয়িংয়ের ভাগ্য কিছুটা ফিরেছে। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ পুরনো বিমানগুলো ব্যবহার থেকে সরে আসতে নতুন ১৯ হাজার বিমানের প্রয়োজন হবে তাদের। কারণ এ সময়টায় এশিয়াতে অনেক বাড়বে বিমানে ভ্রমণের চাহিদা।

এই বিমানগুলোর পরিচালনার জন্য আগামী ২০ বছরে সারা বিশ্বে বোয়িংয়ের ৬ লাখ ১২ হাজার বৈমানিকের প্রয়োজন পড়বে। ৬ লাখ ২৬ হাজার প্রকৌশলীর প্রয়োজন পড়বে।

আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা আইএটিএ বলছে, গত বছর বিমানে ভ্রমণ করা যাত্রীসংখ্যা ৬০ শতাংশ বা ১৮০ কোটি কমে গিয়েছিল। সারা বিশ্বের অ্যাভিয়েশন খাতের লোকসান হয়েছিল ১২ হাজার ৬০০ কোটি ডলার।

জাতিসংঘ বলছে, অ্যাভিয়েশন খাত সারা বিশ্বের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সিভিল অ্যাভিয়েশন সংস্থা বলছে, বিশ্বের মোট অর্থনীতির সাড়ে ৩ শতাংশ নির্ভর করে এই খাতের ওপর। সারা বিশ্বে এই খাতের সঙ্গে নানাভাবে সংশ্লিষ্ট ৬৬৫ লাখ মানুষ।

মার্কিন এ বিমান সংস্থা বলছে, আগামী ২০ বছরে অ্যাভিয়েশন খাতে ৪৩ হাজার ৬১০টি নতুন বিমানের প্রয়োজন পড়বে। যার বাজারমূল্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের ওপরে। মধ্যপ্রাচ্য আর এশিয়ার চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যাভিয়েশনের মার্কেট হবে চীন।

বিমানে ভ্রমণ কমায় সারা বিশ্বে এখনো অলস পড়ে আছে ৪ হাজার বিমান। আগামী ২০ বছরে আকাশপথে ভ্রমণের কারণে ২ শতাংশ বাড়বে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ।

এন-কে

Feb2
Feb2

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 6 August, 2026, 10:19 pm
প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চট্টগ্রাম সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে থাকা বাঁশখালী, হাটহাজারী ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রস্তুতি নিখুঁত করতে প্রতিদিনই এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছুটছেন তিনি।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিটি প্রস্তুতি সরেজমিনে তদারকি করছেন জেলা প্রশাসক। কোথাও মঞ্চ ও প্যান্ডেলের নির্মাণকাজ, কোথাও পুনর্বাসন ঘরের মান, আবার কোথাও নিরাপত্তা, প্রটোকল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখছেন তিনি।

আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরের কথা রয়েছে। সফরে তিনি সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী ও হাটহাজারীর মানুষের খোঁজখবর নেবেন। বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারের কাছে নতুন ঘর ও চাবি হস্তান্তরের পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা দেবেন। হাটহাজারীতেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও হাটহাজারীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বিকেলে বিমানবন্দরে গিয়ে তিনি ভিআইপি টার্মিনাল, রানওয়েসংলগ্ন এলাকা, নিরাপত্তাচত্বর এবং প্রটোকল-সংক্রান্ত সার্বিক প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন নির্বিঘ্ন করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রস্তুতিতে যাতে কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ছুটে যান হাটহাজারীতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি।

প্রথমে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন জেলা প্রশাসক। প্রধানমন্ত্রী যেসব স্থান পরিদর্শন করবেন, সেসব স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি।

পরে প্রধানমন্ত্রী যেখানে অবস্থান করবেন, জেলা পরিষদের সেই ডাকবাংলোর সংস্কারকাজ তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। সেখানে চলমান সংস্কারকাজের অগ্রগতি, সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।

সবশেষে হাটহাজারী সরকারি কলেজের অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এই কলেজেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মঞ্চ নির্মাণ, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন। স্থানীয় প্রশাসনকে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং ভিভিআইপি সফরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এর আগের দিন বুধবারও বাঁশখালীতে দিনভর প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে তিনি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা, অতিথিদের বসার স্থান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করার পাশাপাশি অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনের পর বৃষ্টি ও কাদা উপেক্ষা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন পুনর্বাসন ঘর দেখতে যান জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি একটি জরাজীর্ণ ও আংশিক ভেঙে পড়া ঘরে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বর্তমান অবস্থার খোঁজ নেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন ঘরের চাবি পাবে।

নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও কাজের মানও পরীক্ষা করেন জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি কক্ষ থাকবে। ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার থাকবে।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে চট্টগ্রামে আসছেন। তাঁর সফর নির্বিঘ্ন ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পুরো দল কাজ করছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

২০ অগাস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, মনোনয়নপত্র জমা ১৩ অগাস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 6 August, 2026, 2:42 pm
২০ অগাস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, মনোনয়নপত্র জমা ১৩ অগাস্ট

আগামী ২০ অগাস্ট ভোটগ্রহণের তারিখ রেখে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তফসিল অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীরা ১৩ অগাস্ট মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। ১৬ অগাস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে এবং ১৮ অগাস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

২০ অগাস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট গ্রহণের সূচি রাখা হয়েছে তফসিলে।

বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে এই তফসিল চূড়ান্ত করা হয়।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ও তাহমিদা আহমদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ দেশের বাইরে থাকায় বৈঠকে যোগ দেননি।

পরে নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংয়ে এসে ইসি সচিব আখতার আহমেদ নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে লংমার্চের ঘোষণা ১১-দলীয় ঐক্যের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 6 August, 2026, 2:24 pm
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে লংমার্চের ঘোষণা ১১-দলীয় ঐক্যের

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য বিভাগভিত্তিক লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর সচিবালয়ের সামনে মুক্তাঙ্গনে ১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জানান, অবিলম্বে গণহত্যার বিচার বাস্তবায়ন, সব গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম সড়কপথে লংমার্চ।
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকা থেকে রংপুর সড়কপথে লংমার্চ।
আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকা থেকে খুলনা সড়কপথে লংমার্চ।
আগামী ২৪ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকা থেকে সিলেট রেলপথে লংমার্চ।
আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকায় মহাসমাবেশ।

১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঘোষিত এসব কর্মসূচি সফল করতে সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন।

পাশাপাশি এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী গণসংযোগ ও আন্দোলন জোরদার করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তারা।