খুঁজুন
সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০ বছরে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বিমান প্রয়োজন!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
২০ বছরে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বিমান প্রয়োজন!

আগামী ২০ বছরে অ্যাভিয়েশন খাতে ৪৩ হাজার ৬১০টি নতুন বিমানের প্রয়োজন পড়বে। যার বাজারমূল্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন বিমান নির্মাতা সংস্থা বোয়িং।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০২৩ বা ২০২৪ সালের আগে সারা বিশ্বে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল স্বাভাবিক হবে না। জাতিসংঘের মতে, বিশ্বব্যাপী এই খাতের সঙ্গে নানাভাবে সংশ্লিষ্ট ৬৬৫ লাখ মানুষ।

করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত সারা বিশ্বের এয়ারলাইন্স ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। বাণিজ্যিক ও সামরিক বিমান আর আনুষঙ্গিক পণ্যের অর্ডার বাড়ছে।

মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং বলছে, আগামী ১ দশকে সারা বিশ্বের বিমানের বাজার হবে ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের। ২০২০ সালে যা ছিল সাড়ে ৮ ট্রিলিয়ন ডলার আর ২০১৯ সালে ছিল সাড়ে ৮ ট্রিলিয়ন ডলারের ওপরে।

আগস্টে বোয়িংয়ের বিমানের অর্ডার কিছুটা বেড়েছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে আকাশপথে ভ্রমণ ব্যবস্থা। আগস্টে ৩০টি বিমানের অর্ডার বাতিল হলেও নতুন করে অর্ডার এসেছে ২৩টি বাণিজ্যিক বিমানের।

বাতিল হওয়া অর্ডারগুলোর মধ্যে ২৮টি বিমানই বোয়িং সেভেন থ্রি সেভেন ম্যাক্সের। এই বিমানের জন্য দুর্ভাগ্য বোয়িংয়ের পিছু ছাড়ছে না।

২০১৮ সালেও ১ হাজার বিমানের অর্ডার পেয়েছিল বোয়িং। দুই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা আর প্রাণহানির পর ধ্বস নেমেছে বোয়িংয়ের সুনামে। বাণিজ্যিক বিমানগুলোর মধ্যে ৭৩৭ ম্যাক্সের উড্ডয়ন প্রায় ২ বছর বন্ধ ছিল।

এখন বোয়িং ৭৮৭ মডেলের বড় বিমানই বেশি তৈরি করছে। গত মাসে ২২টি বিমান সরবরাহ করেছে বোয়িং। উল্টোদিকে, বোয়িংয়ের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইউরোপের এয়ারবাস সরবরাহ করেছে ৪০টি বিমান।

বোয়িং কর্তৃপক্ষ জানায়, ২ বছরের আয়ে ধস নেমেছে তাদের। ২০২৩ বা ২০২৪ সালের আগে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল সারা বিশ্বে স্বাভাবিক হবে না বলেও জানায় বোয়িং কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের আগস্টে ১৮ লাখ যাত্রী বিমানে ভ্রমণ করেছে, যেখানে ২০২০ সালে এ সংখ্যা ছিল ৭ লাখ। কিন্তু ২০১৯ সালের আগস্টে এ সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ। তবে সীমান্তে যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ার চেয়ে দ্রুত স্বাভাবিক হচ্ছে আকাশপথে যোগাযোগ।

এখনো অনেক দেশ আন্তর্জাতিক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আর বিধিনিষেধ দিয়ে রেখেছে। আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুলাইতে সারা বিশ্বে অভ্যন্তরীণভাবে ভ্রমণ ৮৪ শতাংশ বাড়লেও আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বেড়েছে ২৬ শতাংশ।

মহামারির পরও বোয়িংয়ের ভাগ্য কিছুটা ফিরেছে। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ পুরনো বিমানগুলো ব্যবহার থেকে সরে আসতে নতুন ১৯ হাজার বিমানের প্রয়োজন হবে তাদের। কারণ এ সময়টায় এশিয়াতে অনেক বাড়বে বিমানে ভ্রমণের চাহিদা।

এই বিমানগুলোর পরিচালনার জন্য আগামী ২০ বছরে সারা বিশ্বে বোয়িংয়ের ৬ লাখ ১২ হাজার বৈমানিকের প্রয়োজন পড়বে। ৬ লাখ ২৬ হাজার প্রকৌশলীর প্রয়োজন পড়বে।

আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা আইএটিএ বলছে, গত বছর বিমানে ভ্রমণ করা যাত্রীসংখ্যা ৬০ শতাংশ বা ১৮০ কোটি কমে গিয়েছিল। সারা বিশ্বের অ্যাভিয়েশন খাতের লোকসান হয়েছিল ১২ হাজার ৬০০ কোটি ডলার।

জাতিসংঘ বলছে, অ্যাভিয়েশন খাত সারা বিশ্বের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সিভিল অ্যাভিয়েশন সংস্থা বলছে, বিশ্বের মোট অর্থনীতির সাড়ে ৩ শতাংশ নির্ভর করে এই খাতের ওপর। সারা বিশ্বে এই খাতের সঙ্গে নানাভাবে সংশ্লিষ্ট ৬৬৫ লাখ মানুষ।

মার্কিন এ বিমান সংস্থা বলছে, আগামী ২০ বছরে অ্যাভিয়েশন খাতে ৪৩ হাজার ৬১০টি নতুন বিমানের প্রয়োজন পড়বে। যার বাজারমূল্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের ওপরে। মধ্যপ্রাচ্য আর এশিয়ার চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাপিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যাভিয়েশনের মার্কেট হবে চীন।

বিমানে ভ্রমণ কমায় সারা বিশ্বে এখনো অলস পড়ে আছে ৪ হাজার বিমান। আগামী ২০ বছরে আকাশপথে ভ্রমণের কারণে ২ শতাংশ বাড়বে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ।

এন-কে

Feb2

এক গোল খেয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৩ গোল দিলো মিশর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
এক গোল খেয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৩ গোল দিলো মিশর

প্রথমার্ধে এক গোল হজম করলেও তা শোধ করতে পারেনি মিশর। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে নিউজিল্যান্ডকে হতাশ করে একে একে ৩ গোল দিয়ে ম্যাচ জিতে নিয়েছে মোহাম্মদ সালাহরা। আসরের প্রথম ম্যাচ বেলজিয়ামের বিপক্ষে ড্র করা মিশর এবার পেলো জয়ের দেখা। চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে নেমে নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম জয়ের দেখা পেলো মিশর।

এর আগে, ১৯৩৪, ১৯৯০, ২০১৮ বিশ্বকাপে মোট ৮ ম্যাচে খেলেও কোনো জয়ের দেখা পায়নি। ২০২৬ সালে এসে পেলো প্রথম জয়ের দেখা।

সোমবার (২২ জুন) কানাডার বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচের ১৫ মিনিটে পিছিয়ে যায় মিশর। পরে তিনটি গোলই মিশর করে দ্বিতিয়ার্ধে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে গোল করেন ফিন সারম্যান। পরে দ্বিতীয়ার্ধে মিশরের মোহাম্মদ জিকো, মোহাম্মদ সালাহ এবং ডেভিড ত্রেজেগে করেন গোল।

প্রথমার্ধে আক্রমণে এগিয়ে ছিলো নিউজিল্যান্ড। সেই আক্রমণের অংশ হিসেবেই ১৫ মিনিটে গোল করে কিউইদের এগিয়ে নেন ফিন সারম্যান। মাইকেল পেইন দারুণ একটি কর্নার কিক নেন। বক্সের ভেতরে লাফিয়ে উঠে হেডে গোল করেন সারম্যান। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় নিউজিল্যান্ড।

৫৮ মিনিটে ডান দিক থেকে বক্সে বল পেয়ে মোহামেদ হানি চমৎকার একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন। বক্সের মাঝখানে সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় থাকা জিকো হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না। নিখুঁত ক্রস আর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে সমতা ফেরায় মিশর।

এরপর বক্সের ডান প্রান্তে বল পেয়ে জিকোর সঙ্গে দারুণ এক-দুই পাস খেলেন সালাহ। এতে বক্সের ভেতরে শট নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়, আর তিনি কোনো ভুল না করে নিচের বাঁ কোণে বল জড়িয়ে দেন ৬৭ মিনিটে।

৮২ মিনিটে আরও একটি গোল করে মিশর হেড থেকেই।এই গোলে সহায়তা করেন সালাহ। দারুণ ক্রাস করেন ডান দিক থেকে বদলি নামা ত্রেজেগে মাত্র নিজের তৃতীয় টাচেই হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন।

চেষ্টা করলেও কোনো গোল আর করতে পারেনি কিউইরা। প্রথম ম্যাচে ইরানের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করার মিশরের কাছে এগিয়ে গিয়েও হারলো ৩-১ গোলে। আর বেলজিয়ামের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করা মিশর ম্যাচটি জিতলো ৩-১ ব্যবধানে।

‘জি’ গ্রুপে মিশরের পরবর্তী প্রতিপক্ষ ইরান। ম্যাচটি আগামী ২৭ জুন। একই দিন বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামবে নিউজিল্যান্ড।

স্পেনের পর উরুগুয়েকেও রুখে দিল লড়াকু কেপ ভার্দে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
স্পেনের পর উরুগুয়েকেও রুখে দিল লড়াকু কেপ ভার্দে

শুরুতে এগিয়ে গেলেও প্রথমার্ধে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে আসা কেপ ভার্দে। কিন্তু এরপরও দমে যায়নি তারা। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রথমবার মেলে ধরা আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে দেখাল লড়াকু ফুটবলের আসল রূপ। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের পর এবার ফুটবল পরাশক্তি উরুগুয়েকেও আটকে দিল তারা। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘এইচ’র রোমাঞ্চকর ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই জমে উঠেছিল লড়াই। ২১ মিনিটে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে কেভিন পিনার নেওয়া ফ্রি-কিক উরুগুয়ের জাল কাঁপালে রূপকথার শুরু হয় কেপ ভার্দের। দেশের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ গোলের দেখা পায় তারা।

তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে (৪৪ মিনিটে) ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো এবং যোগ করা সময়ে (৪৫+৫ মিনিটে) আগুস্তিন কানোপিওর ব্যাক-টু-ব্যাক গোলে ২-১ ব্যবধানে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় মার্সেলো বিয়েলসার উরুগুয়ে।

বিরতি থেকে ফিরে লিড ধরে রাখতে মরিয়া উরুগুয়ে আক্রমণাত্মক ধার বজায় রাখলেও কেপ ভার্দের জমাট রক্ষণভাগ আর ফাটল ধরতে দেয়নি। উল্টো ম্যাচের ৬১তম মিনিটে হেলিও ভারেলার করা গোল স্তব্ধ করে দেন লা সেলেস্তেদের। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত ২-২ সমতা ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে দুদল।

প্রথম ম্যাচে ফেভারিট স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দেওয়ার পর উরুগুয়ের বিপক্ষে এই ড্র কেপ ভার্দেকে নকআউট পর্বের রেসে টিকিয়ে রাখল। অন্যদিকে, সৌদি আরবের পর কেপ ভার্দের সাথেও পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় গ্রুপ পর্বে টিকে থাকার সমীকরণ কঠিন হয়ে উঠল উরুগুয়ের জন্য।

এই ড্রয়ের পর দুদলেরই পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ২। গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় দুই নম্বরে অবস্থান করছে উরুগুয়ে, তিনে কেপ ভার্দে। এদিকে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান স্পেনের। আর তলানিতে আছে সৌদি আরব।

বেলজিয়ামকে রুখে দিয়ে টেবিলের শীর্ষে ইরান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ
বেলজিয়ামকে রুখে দিয়ে টেবিলের শীর্ষে ইরান

শক্তিশালী বেলজিয়ামকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জি’র টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে ইরান। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ১০ জনের বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটি ০-০ ব্যবধানে শেষ হওয়ায় দুই দলই মূল্যবান ১ পয়েন্ট করে ভাগ করে নিয়েছে। ২ ম্যাচ শেষে ২ পয়েন্ট এবং বেশি গোল করার সুবাদে বেলজিয়ামকে দুই নম্বরে নামিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থানটি দখল করেছে ইরান।

মাঠের শক্তিতে বেলজিয়াম যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ফুটবলবিশ্ব দেখল এক চরম নাটকীয় ম্যাচ। প্রথমার্ধে ইরানের গোল বাতিল আর দ্বিতীয়ার্ধে বেলজিয়ামের লাল কার্ডের ধাক্কা- সব মিলিয়ে ম্যাচটি ছিল উত্তেজনায় ঠাসা।

ম্যাচের প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটে প্রথম নাটকীয়তার জন্ম হয়। বেলজিয়ামের রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়িয়ে উদযাপনে মেতে উঠেছিলেন ইরানি ফরোয়ার্ড মেহেদি তারেমি। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির নিখুঁত অফসাইড কলে কপাল পোড়ে ইরানের। অল্পের জন্য অফসাইড হওয়ায় গোলটি বাতিল করেন রেফারি।

১-০ লিড পাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হলেও দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ভাগ্য ইরানের দিকে আরও হেলে পড়ে বেলজিয়াম শিবিরে লাল কার্ডের আঘাতে। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে ইরানের একটি বিপজ্জনক কাউন্টার অ্যাটাক রুখতে গিয়ে ফাউল করে বসেন বেলজিয়ান ডিফেন্ডার। এর আগেই হলুদ কার্ড থাকায় রেফারি তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন।

১০ জনের বেলজিয়ামকে পেয়ে শেষ ২০ মিনিট আক্রমণের ধার বাড়ায় ইরান। তবে বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার দারুণ কিছু সেভের কারণে ডেডলক ভাঙা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত দুই ম্যাচ শেষে ২ পয়েন্ট নিয়ে নকআউটের দৌড়ে বেলজিয়ামের সমানতালেই টিকে রইল লড়াকু ইরান।