খুঁজুন
, ,

রাউজান থানা হেফাজত থেকে মায়ের বুকে ফিরলো শিশু সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 18 November, 2019, 8:11 pm
রাউজান থানা হেফাজত থেকে মায়ের বুকে ফিরলো শিশু সুজন

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান প্রতিনিধি : চারদিন রাউজান থানা হেফাজতে ছিল শিশু সুজন। চঞ্চল এই শিশুটি চারদিনেই আপন করে নিয়েছিলেন রাউজান থানার ওসিসহ সকল কর্মকর্তার মন। থানার এ কক্ষ থেকে ও কক্ষে হাসি-আনন্দে মাতিয়ে রাখতেন থানা ভবনটা।

বিশেষ করে থানার নারী পুলিশ সদস্যরা রীতিমতো আপন করে নিয়েছিলেন ছেলেটিকে। তাদের সাথে সারাক্ষণ খুনসুটি আর আনন্দ উল্লাসে সময় কাটাতেন শিশু সুজন। কিন্তু যেই ছেলেটিকে নিয়ে এত আনন্দ কোলাহল তার ঠিকানা জানা ছিলনা কারো। তাই শিশুটির হাসিমুখ সবার মন জয় করলেও রীতিমতো শিশুটিকে নিয়ে টেনশনের কমতি ছিলনা থানার কর্মকর্তাদের।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেফায়েত উল্লাহ শিশুটির ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান জানতে চেয়ে একটি পোষ্ট দেন। নিখোঁজ শিশুটিকে নিয়ে পত্রিকায় সংবাদও প্রকাশিত হয়। অনেকেই শিশুটির ছবিসহ ফেইসবুকে বিষয়টি শেয়ার করেন।

বিষয়টি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ছবি দেখেই তার স্বজনরা পরিচয় শনাক্ত করে ছুটে আসেন রাউজান থানায়। টানা কয়েকদিন বিচ্ছিন্ন থাকার পর মা ছেলের মিলনমেলা যেন হার মানিয়েছে সিনেমার গল্পকে।

১৮ নভেম্বর সোমবার বিকেলে শিশু সুজনকে যখন রাউজান থানার ওসি কেফায়েত উল্লাহ তার মা চম্পা খাতুনকে হস্তান্তর করছিলেন তখন আনন্দ অশ্রুতে টলমল রাউজান থানার কর্মকর্তা থেকে শুরু করে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

শিশু সুজন হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের কেরামত আলীর মেয়ে চম্পা খাতুন ও একই এলাকার সিদ্দীক আলীর তৃতীয় পুত্র।

সুজনের মা চম্পা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, বিগত পাঁচ বছর পূর্বে তাদের ঘর আলোকিত করে সুজন জন্ম নেওয়ার পরই তার পিতা সিদ্দিক আলী পরপারের ডাকে সাড়া দেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর দুই মেয়ে ও এক সন্তানকে নিয়ে সংসারের ভার বইতে গিয়ে চোখে মুখে অন্ধকার দেখতে পান চম্পা খাতুন।

সন্তানদের সুখের কথা ভেবে সাত মাস পূর্বেই সিলেট জেলার জজ মিয়ার সাথে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর স্বামীর সাথে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন চর রাঙ্গামাটিয়া এলাকার করিম ম্যানসনে ভাড়াবাসায় উঠেন। চম্পা খাতুন ভেবেছিলেন হয়তো তার দ্বিতীয় স্বামী পিতৃস্নেহে তার সন্তানদের মানুষের মতো মানুষ করবেন। কিন্তু কিছুদিন অতিবাহিত হতেই সংসারে দানা বাঁধে কলহ।

চম্পা খাতুন আরো বলেন, তার সন্তান নিখোঁজের ৩/৪দিন পূর্বে সন্তানকে বিক্রি করার হুমকি দিয়েছিল তার সৎপিতা জজ মিয়া। গত শুক্রবার বিকাল আনুমানিক ৩টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন বরিশাল বাজার এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় শিশু সুজন। সুজন নিখোঁজের পর তার সৎপিতার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় মা চম্পা খাতুন পাগলের মতো হন্যে হয়ে ছেলের খোঁজ নিতে থাকে।

এদিকে সুজন নিখোঁজের ঘটনায় এলাকায় মাইকিং প্রচারনাও চালানো হয়। টানা কয়েকদিনেও ছেলের খোঁজ না পেয়ে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে চোখের জলে বুক ভাসাতেন মা চম্পা খাতুন। অবশেষে ছেলের ছবিসহ সংবাদ পত্রিকায় দেখে স্বজনদের নিয়ে রাউজান থানায় ছুটে এসে সুজনকে বুকে জড়িয়ে আরেকবার কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি।

রাউজান থানার ওসি কেফায়েত উল্লাহ ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, গত শুক্রবার শিশুটিকে নোয়াপাড়া পথের হাটের জান্নাত হোটেলে পেয়ে স্থানীয়রা লোকজন তাকে নোয়াপাড়া পুলিশকে ক্যাম্পে দিয়ে দেন। সেখান থেকে তাকে রাউজান থানা হেফাজতে রাখা হয়। এই চারদিন শিশুটি সবাইকে আপন করে নিয়েছিল।

থানার নারী সদস্যরা শিশু সুজনকে নতুন জামাও কিনে দিয়েছিলেন। এখন তাকে তার মায়ের বুকে ফিরিয়ে দিতে পেরে খুব খুশি লাগছে। শিশুটি যাওয়ার সময় ওসি কেফায়েত উল্লাহ তার মায়ের হাতে যাতায়াত খরচের জন্য কিছু টাকাও দেন। এ সময় মায়ের কোলে করে শিশুটির চলে যাওয়ার সময় আবেগ সংবরণ করতে পারেনি উপস্থিত সকলে। মা ছেলের মিলনের মাঝেও থানা ভবন চত্বরে বিচ্ছেদের সুর বেজে উঠেছিল।

বুকের মানিক ধনকে ফিরে পেয়ে চম্পা খাতুন বলেন, স্বামীর সাথে আর সংসার করবেননা তিনি। তার বিচ্ছেদ ঘটিয়ে সন্তানদের নিয়ে বাপের বাড়িতেই চলে যাবেন তিনি।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।