খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘মাদককে না বলুন’ স্লোগানে এপেক্স ক্লাব বাংলাদেশের সাইকেল র‌্যালি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
‘মাদককে না বলুন’ স্লোগানে এপেক্স ক্লাব বাংলাদেশের সাইকেল র‌্যালি

সরকার মাদক নিয়ন্ত্রণে যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে যে প্রত্যয় ঘোষণা করেছে তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এপেক্স বাংলাদেশ। এরেই অংশ হিসেবে রাজধানীতে এপেক্স বাংলাদেশের উদ্যোগে মাদক বিরোধী সাইকেল র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘মাদককে না বলুন’ এই স্লোগানকে সামনে শুক্রবার (২২ নভেম্বর) সাইকেল র‌্যালিটি জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে শুরু করে খামারবাড়ি, সাত রাস্তা, মগবাজার, মৎস্যভবন হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।

সাইকেল র‌্যালিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আব্দুল মান্নান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার জসিম উদ্দিন মোল্লা।

আরো উপস্থথিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সভাপতি এম.এ.কাইয়ুম চৌধুরী, সহসভাপতি নিজাম উদ্দিন পিন্টু, এপেক্স বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন কামাল,আব্দুর রব দিলীপ এলজি ও পিএনপি,অতীত জাতীয় সভাপতি ও লাইফগভর্নরবৃন্দ,জাতীয় বোর্ডের কর্মকর্তাগণ,প্রাণ আরএফএলের চীফ অপারেটিং অফিসার জয়নাল আবেদীন,জেনারেল ম্যানেজার(মার্কেটিং) চৌধুরী ফজলে আকবর,দূরন্ত বাইসাইকেলের ব্র্যান্ড ম্যানেজার রকিবুল আহসান। অনুষ্ঠান সমন্বয় করেন এজাজ মাহমুদ রনী।

র‌্যালিতে প্রায় তিন শতাধিক সাইক্লিস্ট অংশ নেন। সাইকেল র‌্যালি শেষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় বোর্ডের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য,১৯৩১ খৃষ্টাব্দে অস্ট্রেলিয়ায় এয়েন লেইর্ড,ল্যাংহাম প্রাউড এবং স্যার জন বুকান কেটির হাত ধরে যাত্রা শুরু করে এপেক্স। সুলেমান খানের মাধ্যমে করাচি হয়ে ঢাকায় এপেক্সের সূচনা হয় ১৯৬১ খৃষ্টাব্দে। এপেক্স বাংলাদেশ সারাদেশে ৯টি অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে কাজ করছে। সারাদেশে এপেক্স বাংলাদেশের ১৩২টি ক্লাব রয়েছে। ক্লাব গুলোতে প্রায় তিন হাজার এপেক্সিয়ান যুক্ত আছেন। যারা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মাুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…