খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটিয়ায় আ’লীগ নেতাকে মারধরের ঘটনায় লিও মেম্বার গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মে, ২০২২, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
পটিয়ায় আ’লীগ নেতাকে মারধরের ঘটনায় লিও মেম্বার গ্রেফতার

পটিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনার মূল হোতা ইন্দ্রজিত চৌধুরী লিও ওরফে লিও মেম্বারকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিম জানায়, ঘটনার পর থেকে লিও চট্টগ্রাম মহানগরীর আসকার দিঘীর পাড় এলাকার তার এক নিকট আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

আজ শনিবার (১৪ মে) ভোরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। লিও পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মৃত নেপাল চন্দ্র চৌধুরীর ছেলে।

গ্রেফতারের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন পটিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম।

তিনি জানান, গ্রেফতার লিও আওয়ামী লীগ নেতা জিতেন কান্তি গুহকে মারধরের ঘটনায় থানায় দায়ের করা একটি মামলায় অভিযুক্ত আসামি।

শনিবার ভোরে চট্টগ্রাম নগরীর আসকার দিঘীর পার এলাকার একটি বাসায় তার অবস্থান নিশ্চিত করে কোতোয়ালী থানা পুলিশের সহায়তায় নিয়ে অভিযান চালানো হয়।

পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে পালিযে যাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় লিও। তাকে গ্রেফতার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে প্রেরণ করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে জানিয়ে বলে তিনি জানান।

এর আগে গত ২৯ এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে একটি ইফতার পার্টিতে চেয়ারম্যান জসিমকে দাওয়াত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জিতেন কান্তি গুহকে মারধর করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনায় থানায় সাতজনের বিরুদ্ধে জিতেন গুহের ভাই তাপস গুহ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ হামলার একটি ছবি তাৎক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

মামলা দায়েরের পরদিন শনিবার ভোরে উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি এম জসিম (৫৫) ও তার পুত্র মুসফিক উদ্দিন ওয়াসি (২৫)কে তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপতার করা হয়।

এই ঘটনায় সর্বশেষ গ্রেফতার হওয়া ইন্দ্রজিত চৌধুরী লিওসহ এ পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

২৪ ঘন্টা/রাজীব

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…