খুঁজুন
, ,

মিরসরাই সার্কেল এএসপি ইফতেখারের বিরুদ্ধে ৩ নারীর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 March, 2023, 7:16 pm
মিরসরাই সার্কেল এএসপি ইফতেখারের বিরুদ্ধে ৩ নারীর অভিযোগ

মিরসরাই প্রতিনিধি::::মিরসরাই সার্কেল এএসপি ইফতেখার হাসানের বিরুদ্ধে হয়রানি ও দুরব্যবহারের অভিযোগ এনে ডিআইজি বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মিরসরাইয়ের ৩ অপদস্থ নারী।

সোমবার ( ২৭ মার্চ) পুলিশ উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) চট্টগ্রাম বরাবরে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ কারীরা হলেন, মিরসরাই উপজেলার ৩নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মহাজনহাট এলাকার ইমামপুর গ্রামের মৃত মুকছুদ আহম্মদের ৩ মেয়ে নাজরীন ফৌজিয়া, পারভীন ফৌজিয়া ও নাছিমা খানম।

তিনবোন স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, গোলাম মাওলা নামে তাদের এক ভাইকে মাদকাসক্ত বানিয়ে বায়না নামা ও আমমুক্তার নামার মাধ্যমে করেরহাট ইউনিয়নের দুই প্রভাবশালী কাঠ ও বালি ব্যবসায়ী বেলাল ও এমরান ৫০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। সম্পত্তি আত্মসাৎ থেকে বাঁচাতে দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের মাধ্যমে নালিশি সম্পত্তি বেচা-বিক্রি ও বায়নানামা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেলাল ও এমরানের যোগসাজশে মিরসরাই সার্কেল এএসপি ইফতেখার হাসান মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে উক্ত সম্পত্তি দখল ছাড়িয়া দেয়ার জন্য বেআইনি হস্তক্ষেপ করেন। হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখান বর্তমান ভুমি মালিক এই ৩ বোন ও তার দুই ভাইকে। কিন্তু জমি রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত আদালতের রায় নিষেধাজ্ঞা জারি আছে বলায় অভিযোগকারী ৩ নারীকে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তার কার্যালয় হইতে অপমান অপদস্থ করিয়া বাহির করিয়া দেওয়া হয়।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয় পুলিশ কর্মকর্তা ইফতেখার হাসান গত ১৩ বছর যাবত মিরসরাই-জোরারগঞ্জ-সীতাকুন্ডসহ চট্টগ্রাম জেলা এলাকায় থেকে জায়গা জমির অবৈধ সিন্ডিকেট বাণিজ্য করে আসছেন। তাই তার বিরুদ্ধে যেন বিভাগীয় তদন্ত পূর্বক উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়।

নাছরীন ফৌজিয়া এই প্রতিনিধিকে জানান, ভাইয়ে বোনে যখন অভিযুক্ত জায়গা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয় তখনি আমরা সার্কেল এএসপি বরাবর একটি লিখিত অবহিতকরণ আবেদন পেশ করি। জায়াগা জমিসংক্রান্ত বিষয় উনার এখতিয়ার ভুক্ত নয় বলে পত্রটি তিনি গ্রহন করেন নি। কিন্তু পরবর্তীতে সিন্ডিকেটের পক্ষ হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে তিনি একটি অভিযোগ পত্র গ্রহন করেন। ওই অভিযোগ পত্র মুলে আমাদের এক ভাইকে বেআইনি ভাবে তার গাড়ি পাঠিয়ে কার্যালয়ে তুলে নিয়ে আসেন। এই সময় আমার ভাইকে হুমকি ধামকি দেন যেন এক সপ্তাহের মধ্যে তার সিন্ডিকেট সদস্য বেলাল ও এমরানকে জমির দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়। আমার ভাইয়েরা যখন জানায় উক্ত জমিতে বোনদের অংশ রয়েছে ও জমি রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে তখন আমাদের ৩ বোনকে তার কার্যালয়ে তলব করে। আমরা তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তার কক্ষে রাখা সোফায় বসতে চাইলে আমাদের বসতে দেয়া হয়নি। আমাদের দরখাস্ত গ্রহন না করে অপর পক্ষের অভিযোগ গ্রহন করাটা কতটা যুক্তিসঙ্গত জানতে চাইলে তিনি আমাদের সাথে উত্তেজিত হয়ে যান। উত্তেজিত হয়ে তিনি আমাদের সাথে মারাত্মক মানহানীকর আচরন করেন ও তার কার্যালয় থেকে বের হয়ে যেতে নির্দেশ দেন। একজন পুলিশের উদ্ধতন কর্মকর্তার এমন অপেশাদার আচরণে আমরা হতবাক হয়ে পড়ি ও সার্কেল অফিস ত্যাগ করি।

মিরসরাই সার্কেল এএসপি ইফতেখার হাসান জানান, তাদের ভাইয়ে বোনে জায়গা জমি সংক্রান্ত ঝামেলা এখন ব্যাক্তিগত সুবিধা নিতে পুলিশকে ঝড়ানো হচ্ছে। তাদের কোন ভাইকে আমি তুলে আনি নাই এটা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার। এছাড়া যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তাদের সাথেও আমার এমন কিছু হয়নি। আর অভিযোগের কোন নথি আমার কাছে এখনো আসেনি তাই অফিসিয়ালি আমি এব্যাপারে কিছু জানিনা।

বিষয়টি জানতে চট্টগ্রাম জেলা এসপি শফিউল্লাহ কে বারবার ফোন করেও পাওয়া যায় নি।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।