খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনগণের সেবা করাই বড় কাজ : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ মে, ২০২৩, ২:০৯ অপরাহ্ণ
জনগণের সেবা করাই বড় কাজ : প্রধানমন্ত্রী

আইন ও প্রশাসন কোর্সের নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের জনগণের সেবা করাই বড় কাজ।

সোমবার (১৫ মে) দুপুরে বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে ১২৭, ১২৮ এবং ১২৯তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বেতন-ভাতা যা কিছু সব জনগণের কাছ থেকে আসে। তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করা সকলের কর্তব্য। এই কথা মনে রেখে সব সময় চলতে হবে।

তিনি বলেন, যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, শপথ নিয়েছেন তাদেরকে এটুকু বলব, দেশের জনগণের সেবা করা এটাই সবচেয়ে বড় কাজ। আজকে বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে তার গতির যেন অব্যাহত থাকে। আমার এইটুকু দাবি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা আমাদের স্বাধীনতা চায়নি তাদের ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত চলছে চলবে। এ নিয়ে আমি কখনো পরোয়া করিনি। নিজের জীবনের জন্য আমার কখনো মায়া নেই। আমার একটাই কাজ, বাংলাদেশকে গড়ে তুলে দিয়ে যাওয়া, বাংলাদেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে জীবন দিতে চাই।

তিনি বলেন, হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ‘৭৫ সালের পর ক্ষমতার পালাবদল শুরু হয়। ২১ বছর এ দেশে মানুষের কোনো ভোটের অধিকার ছিল না। বেঁচে থাকার অধিকারও ছিল না। ক্ষমতা দখল রাখার এবং নিজেদের ভাগ্য গড়তেই তারা ব্যস্ত ছিল। দেশ সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই ছিল না। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার সুযোগ পায়। ৯৬ সালে আমরা সরকার গঠন করি। জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে এই দেশ গড়ার কাজ শুরু করি। তখন দেশের অবস্থা খুবই খারাপ। আমাদের রিজার্ভ খুব কম। আমাদের খাদ্যে ৪০ মেট্রিক টন ঘাটতি ছিল। দারিদ্র্যের হার একেবারে উচ্চ পর্যায়ে। মানুষের এক বেলা খাবার জোটানো কঠিন ছিল। তেমন একটি পরিস্থিতি আমরা সরকার গঠন করি। আমরা স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে পুনর্গঠন করি। সেসময় আমরা গবেষণা ওপর খুব জোর দিয়েছিলাম।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পরে আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রকে বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করে দেই। আজকে এত টেলিভিশন, বিমান, হেলিকপ্টার সার্ভিস, ব্যাংক, বিমা থেকে শুরু করে ক্ষেত্রকে বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করে দেই। যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, বিনিয়োগ হয়, মানুষের আত্মসামাজিক উন্নয়ন হয়। সেই ব্যবস্থাটাই আমরা নিয়েছিলাম। সব সূচকেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিল। বাংলাদেশে মাত্র ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো, আমাদের গৃহীত পদক্ষেপে সেটির ৪৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করেছিলাম। আমাদের স্বাক্ষরতার হার শুধুমাত্র ৪৫ ভাগ। সেটিকে আমরা ৬৫.৫ ভাগে উন্নীত করতে পারি।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘মহকুমাগুলোকে জেলায় রূপান্তরিত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। আর প্রত্যেক জেলায় উন্নয়নের জন্য গভর্নর নিয়োগ করে সব প্রশাসনিক ব্যবস্থা নতুন ধারায় সূচনাও করেছিলেন তিনি। যাতে উন্নয়ন তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত হতে পারে, সেই ব্যবস্থাটাই তিনি নিয়েছিলেন। আমরা তার পদক্ষেপ অনুসরণ করেই কার্যক্রম পরিচালনা করছি। বর্তমান সরকারও স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে চলেছে।’

তৃণমূল পর্যন্ত উন্নয়ন করাই সরকারের লক্ষ্য মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের উন্নয়নের লক্ষ্যই ছিল তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত উন্নয়ন করা, এটা শুধু শহরভিত্তিক মানুষের জন্য না। আর তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের উন্নতি যেন হয়, তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো, মাথাপিছু আয় বাড়ানো এবং তাদের জীবনযাত্রার মান বাড়বে সেভাবেই সব পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করা হয়। ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করার পর এখনও আমরা ক্ষমতায় আছি, সেভাবেই কাজ করে যাওয়া হচ্ছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…