খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাদিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি সিইউজের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জুন, ২০২৩, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
নাদিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি সিইউজের

জামালপুরে সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিমকে হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)।

সমাবেশ থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান সাংবাদিক নেতারা। একই সাথে সাংবাদিক নাদিমের জীবনের নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থ হওয়া জামালপুরের পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে বরখাস্তের দাবি জানান তারা।

শনিবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে বৈরি আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপক্ষো করে বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন সর্বস্তরের সাংবাদিকরা।

সিইউজে সভাপতি তপন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস, সিইউজের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, সিইউজের সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ রুবেল খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য আজহার মাহমুদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, সিইউজের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক সবুর শুভ, সিইউজের অর্থ সম্পাদক মো. মুজাহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের গ্রন্থাগার সম্পাদক আহমেদ কুতুব, সিইউজের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সরওয়ার কামাল, টিভি ইউনিট প্রধান মাসুদুল হক, প্রতিনিধি ইউনিট প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) সোহেল সরওয়ার, দৈনিক পূর্বকোণ ইউনিট প্রধান মিহরাজ রায়হান, সিইউজের সদস্য হামিদ উল্লাহ এবং সুবল বড়ুয়া।

সাংবাদিক নাদিমের জীবনের নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় জামালপুরের পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বরখাস্তপূর্বক গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে সিইউজে সভাপতি তপন চক্রবর্তী বলেন, জামালপুরের পুলিশ সুপার একটি টকশোতে বলেছেন, সাংবাদিক নাদিম হত্যাকাণ্ড নাকি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। পুলিশ চাইলে হত্যাকাণ্ডের এক ঘণ্টার মধ্যে জড়িত সকলকে গ্রেফতার করতে পারতো। সাংবাদিক নাদিম এর আগে লাইভে এসে তার জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছিল পুলিশ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে কিন্তু প্রশাসন নীরব ছিল।

সিইউজের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম বলেন, আমাদের সহকর্মী বাংলানিউজটোয়েন্টি২৪.কমের জামালপুর প্রতিনিধি গোলাম রাব্বানী নাদিমকে গত বুধবার রাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। একজন সাংবাদিকদের উপর যখন এ ধরনের নির্মম আচরণ হয় তখন সারাদেশের সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতার কথাটা সবার সামনে চলে আসে। সাংবাদিকদের স্বার্থে আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ থাকা দরকার।

সিইউজের যুগ্ম-সম্পাদক সাইদুল ইসলামের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সিইউজের নির্বাহী সদস্য আলাউদ্দিন হোসেন দুলাল, সিইউজের সাবেক অর্থ সম্পাদক উজ্জল ধর, টিভি ইউনিটের ডেপুটি প্রধান তৌহিদুল আলম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক আল রাহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খোরশেদুল আলম শামীম, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লতিফা আনসারী রুনা, সিইউজের সদস্য মোহাম্মদ ফারুক, তুষার দেব, রাহুল দাশ নয়ন, আহসানুল কবির রিটন, হেলাল সিকদার, আজিজুল কদির, নুর উদ্দীন আহমেদ, গোলাম সরওয়ার, প্রীতম দাশ, প্রনবেশ চক্রবর্তী, ওমর ফারুক, হুমায়ুন মাসুদ, যিশু রায় চৌধুরী, সনজীব দে বাবু, আরিফুর রহমান সবুজ, বিশ্বজিৎ পাল, অনুজ দেব, চম্পক চক্রবর্তী, চৌধুরী আহসান খুররম, ইকবাল হোসেন, আহমেদ মুসা, শীতল মল্লিক, নয়ন চক্রবর্তী, কাজী মনজুরুল ইসলাম, এফ.এম মিজানুর রহমান, ফারুক আব্দুল্লাহ, বাবুন পাল, সাইমুন আল মুরাদ, ইফতেখার মারুফ, সেলিম উল্লাহ, গোলাম ছরওয়ার, জমির উদ্দীন, ইমরান এমি, মিনহাজুল ইসলাম, আকমাল হোসেন, মোরশেদ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিমের এ নির্মম হত্যাকান্ড মুক্ত সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত। এ ঘটনা পেশাদার সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। অতীতে বিভিন্ন সময় একাধিক সাংবাদিক খুনের ঘটনা ঘটলেও ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়ায় বার বার সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।

গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন সাংবাদিক নেতারা।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…