খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শহীদ জিয়া অর্থনীতিকে মজবুত করেছিলেন আর বর্তমান সরকার তা ধ্বংস করেছে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৪, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
শহীদ জিয়া অর্থনীতিকে মজবুত করেছিলেন আর বর্তমান সরকার তা ধ্বংস করেছে: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বর্তমান গণবিরোধী ডামি সরকার জনগণকে শক্র পক্ষ বলে মনে করে। জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়না বলেই ভোটারবিহীন সরকার চট্টগ্রামবাসীর মৌলিক অধিকারকে উপেক্ষা করছে। সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনার কারণে এমনিতেই জনগণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। এর উপর চট্টগ্রামে বেশ কিছুদিন ধরে গ্যাসের জন্য হাহাকার চলছে। গ্যাসের অভাবে শিল্প কারখানা, সিএনজি চালিত গাড়ী ও বাসাবাড়ির রান্নার চুলা জ্বলছে না। মানুষ না খেয়ে থাকছে। কিন্তু চট্টগ্রামবাসীর গ্যাসের হাহাকার সরকারের কানে পৌছায় না। দ্রব্যমূল্যের উধ্বগতির কারনে বর্তমানে বাজারে কোনো কিছু কেনার জো নেই। প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। অথচ শহীদ জিয়া রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকাকালে দেশে শিল্প বিপ্লব ঘটিয়ে অর্থনৈতিক মুক্তি দিয়েছিলেন। তিনি কৃষকের আইলে আইলে মাইলের পর মাইল হেটে কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। শহীদ জিয়া দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করেছিলেন আর বর্তমান সরকার তা ধ্বংস করেছে। আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রীই বলছেন, নির্বাচনের পর দেশে দুর্ভিক্ষ হবে। আওয়ামী লীগের আমলে ৭৪ সালে দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। এখন ২৪ সালেও দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।

তিনি শনিবার (২০ জানুয়ারী) বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে বিএনপির প্রতিষ্টাতা জিয়াউর রহমানের ৮৮ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিকদলের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিকদলের সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল্লাহ বাহারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালিন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, কেন্দ্রীয় শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শম জামাল উদ্দিন।

ডা. শাহাদাত বলেন, আওয়ামী সরকার ঐতিহ্যগতভাবে হিংসার চর্চা করে। এরা আইনের শাসনকে হত্যা করেছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে। সেই কারণেই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিতে তারা দ্বিধা করে না। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাগবে এগিয়ে আসে না।

সভায় বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় শ্রমিকদলের সহ সভাপতি শাহেনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, সি. যুগ্ম সম্পাদক আবদুল বাতেন, উত্তর জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মহসিন খান তরুণ, মহানগর বিএনপির দপ্তরের দায়িত্ব প্রাপ্ত মো. ইদ্রিস আলী, বিভাগীয় শ্রমিকদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম ফরাজি, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মজুমদার, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকী, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, যুব সম্পাদক হাসিবুর রহমান বিপ্লব, মহিলা সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস বিথী, নাসিরাবাদ শিল্পাঞ্চল শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শ্রমিকদল নেতা আবু সিদ্দিক, মো. হান্নান, মো. হাসান, রফিক উদ্দিন জসিম, আবদুল নবী, নুরুল আলম সুজন, আফতাব আহমেদ, আবদুল খালেক প্রমূখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…