খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আওয়ামীলীগকে এবার নির্বাচনী সংলাপ খেলা খেলতে দেবো না: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ মার্চ, ২০২৩, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
আওয়ামীলীগকে এবার নির্বাচনী সংলাপ খেলা খেলতে দেবো না: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সাংবাদিক সাগর রুনি হত্যার বিচার এখনো হয়নি। কারণ সাগর রুনি সরকারের জালানি খাতে শতকোট টাকার লুটপাট জেনে ফেলেছিল তাই তাদেরকে হত্যা করা হয়েছিল। তেমনিভাবে হলমার্কের দুর্নীতি যখন প্রকাশ হলো তখনই রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটলো। এগুলো একটার সাথে একটার যোগাযোগ রয়েছে। দেশে যখন সরকারের দুর্নীতির কোন ঘটনা প্রকাশ পায় তখনই সরকার পরিকল্পিতভাবে আরেকটা অঘটন ঘটিয়ে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দেয়। এখন নির্বাচন যখন ঘনিয়ে আসছে তখন একটা সংলাপ সংলাপ খেলা খেলতে চাচ্ছে। ২০১৮ সালেও তারা এ ধরনের একটি সংলাপ খেলা খেলেছিলো। এই সংলাপের আড়ালে একটা ব্লু প্রিন্টের মাধ্যমে আমরা যারা নির্বাচন করব তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামীলীগকে এবার নির্বাচনী সংলাপ খেলা খেলতে দেবো না। এই সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন হতে পারে না। তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে।

তিনি রবিবার (৫ মার্চ) দুপুরে জামালখান রোডস্থ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের আবদুল খালেক মিলনায়তনে সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ চট্টগ্রামের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপির মুখপত্র দৈনিক দিনকালের ডিক্লারেশন ও মুদ্রণের ঘোষনাপত্র বাতিল করে দিয়েছে সরকার। ইতিপূর্বেও আমার দেশ সহ বিভিন্ন গণমাধ্যম বন্ধ করা হয়েছিল। বর্তমান নিশিরাতের সরকারের অধীনে গণমাধ্যমের যে কোনো স্বাধীনতা নেই তা আবারও প্রমাণিত হলো। বিরোধী দলের একমাত্র পত্রিকাটির প্রকাশনা বাতিল সরকারের চরম হিংসা চরিতার্থ করার বহিঃপ্রকাশ। এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর চরম আঘাত।

তিনি অবিলম্বে দিনকাল ও আমার দেশ সহ বন্ধ গণমাধ্যমের ডিক্লারেশন ও মুদ্রণের ঘোষনাপত্র বাতিলের আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।

সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি বলেন, সরকার গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের আন্দোলন দমন করতে ফ্যাসিবাদী কায়দায় নিষ্ঠুর জুলুম নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু অতীতে যেমন কোনো স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের গুম, খুন, গ্রেপ্তার, নির্যাতন করে দমাতে পারেনি। বর্তমান শাসকগোষ্ঠীও গণতন্ত্রকামীদের আন্দোলন দমাতে পারবে না।

সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের সদস্য সচিব ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী বলেন, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার এখন বর্তমান সরকারের দমনপীড়নে ক্ষতবিক্ষত। আইনের শাসন না থাকায় ঘরে বাইরে কারও জীবনের নিরাপত্তা নেই। বর্তমানে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত না হয়েও নির্দোষ মানুষকে অপরাধী বানিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহ বলেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমেই দেশের জনগণ আওয়ামী ফ্যাসিবাদি সরকারকে উৎখাত করবে। গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ বলেন, ক্ষমতার জোরে সরকার দেশে এমন কিছু আইন তৈরি করেছে, যেসব আইন মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করে দেশের গণমাধ্যমগুলোর কণ্ঠরোধ করেছে। গণমাধ্যম এখন এক ভয়ংকর সময় পার করছে।

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ চট্টগ্রামের আহবায়ক সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এবং এ্যাবের সভাপতি ইঞ্জি, সেলিম মো. জানে আলমের সঞ্চালনায় মতবিনিময় করেন সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের সদস্য সচিব ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহ, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, বিএনপি নেতা ইঞ্জি. বেলায়েত হোসেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি এম এ সাফা চৌধুরী, ড্যাব নেতা ডা. মো. ঈসা চৌধুরী, ইঞ্জি. আতিকুজ্জামান বিল্লাহ, বিএনপি নেতা মন্জুর রহমান চৌধুরী, ইদ্রিস আলী, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম সেলিম, সাইফুল ইসলাম শিল্পী, নুরুল মোস্তফা কাজী, জীবন মুছা, এম এ হোসেন, এফ এ এফ রুমি, আকতার হোসেন, ব্যবসায়ী নেতা মাহবুব রানা, সালাউদ্দীন আলী, রোটারিয়ান জসিম উদ্দিন, তাতীদল নেতা মনিরুজ্জামান টিটু, শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম, এম এ জলিল, এন মো. রিমন প্রমূখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…