খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধানের শীষে ভোট দিয়ে আবু সুফিয়ানকে জয়ী করুন:আকবর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২০, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
ধানের শীষে ভোট দিয়ে আবু সুফিয়ানকে জয়ী করুন:আকবর

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার বলেছেন, বোয়ালখালীতে ধানের শীষের পক্ষে যারা পোস্টার-ব্যানার লাগিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে, তাদেরকে টার্গেট করছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। প্রথমে হুমকি দিয়ে বিরত রাখার চেষ্টা করছে। না পারলে হামলা করছে, পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কারণে নির্বাচনী এলাকায় এখন ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবং তার অনুসারী সন্ত্রাসীরা এই পরিস্থিতি তৈরি করেছেন। এভাবে কি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব? এলাকার ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা বিরাজ করছে যে, আদৌ তারা ভোট দিতে যেতে পারবেন কি না।

তিনি আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারী) চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষের পক্ষে বোয়ালখালীর শাকপুরা হাজী নুরুল হক ডিগ্রী কলেজের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে শাকপুরা চৌমুহনী বাজার, গোলক মুন্সির হাট, তাজেদিয়া মাদ্রাসা, আনজীর মার টেক, মনার বাপের টেক, চর খিজির পুর হয়ে টেক্সঘর এলাকায় এক পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

এ সময় তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবং তার অনুসারীরা বোয়ালখালী-চান্দগাঁও এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। সন্ত্রাসীরা এই আসনের বিএনপির নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। তাদের অত্যাচারে আমাদের অনেক নেতাকর্মী ঘরছাড়া, এমনকি এলাকা ছাড়া হয়ে গেছে। আমাদের পোস্টার লাগাতে দিচ্ছে না, ব্যানার খুলে ফেলছে। গণসংযোগ করতে গেলে হামলা করছে। হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তিনি ভোটের দিন সমস্ত বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে ভোট কেন্দ্রে শক্ত অবস্থান নিয়ে আবু সুফিয়ানকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করার আহবান জানান।

বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার শুরু থেকেই প্রশাসনের কাছ থেকে আমি সমান আচরণ পাচ্ছি না। এখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। আওয়ামীলীগ প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং আমার ওপর হামলার অভিযোগ করেও আমি কোনো প্রতিকার পাইনি। বিএনপির দুজন ত্যাগী নেতা মোস্তাক আহমেদ খান ও পৌর মেয়র আবুল কালাম আবুর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমার এলাকার নেতাকর্মীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এভাবে অনেকটা হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আমাদের নির্বাচন করতে হচ্ছে।

আওয়ামীলীগের প্রার্থী গতকালের সংবাদ সম্মেলনে বোয়ালখালী পৌর মেয়রের নির্বাচনী প্রচারণা করে আচরণ বিধি লঙ্গন করেছেন বলে যে অভিযোগ করেছেন এ বিষয়ে তিনি বলেন, আচরণ বিধিতে আছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনী প্রচারণায় যেতে পারবেন না। পৌর মেয়রের প্রচরণা চলাতে কোনো বাধা নেই। তিনি মনে হয় আচরণ বিধিমালা না পরেই এই অভিযোগ করেছেন।

তিনি আরো বলেন, জনগণের প্রত্যাশা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। জনগণ আর কোনো কারচুপির নির্বাচন চায় না। দিনের ভোট আগের রাতে করে ফেলার নির্বাচন জনগণ চায় না। আমরা যারা নির্বাচন করছি, যারা নির্বাচন কমিশনে আছেন, যারা প্রশাসনে আছেন, সবাই এদেশের সন্তান। দেশের প্রতি যদি ন্যূনতম ভালোবাসা থাকে, তাহলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে হত্যায় সামিল না হওয়ার জন্য আমি তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমি বলব, জনগণের অধিকার কেড়ে নেবেন না। জনণকে বঞ্চিত করবেন না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মীর মোহম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেনে গেছেন, জনগণ তাদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। যারা ১১ বছরে একটি সেতু করতে পারে না, তাদের জনগণ চায় না। যারা এত সুন্দর বোয়ালখালীকে ধ্বংস করেছে, সন্ত্রাসের জনপদ বানিয়েছে, তাদের জনগণ চায় না। চান্দগাঁও এলাকায় থেকেও যারা শহরের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত তারা বলছেন, তারা আর ভাঙ্গা নৌকায় উঠবেন না।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন, বোয়লখালী পৌর মেয়র আবুল কালাম আবু, উত্তর জেলা বিএনপির আব্দুল আওয়াল চৌধুরী, মোঃ সেকান্দর চৌধুরী, নগর বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মো. ইদ্রিাস আলী, বিএনপি নেতা হাজী মোঃ ইসহাক চৌধুরী, নুরুন নবী চৌধুরী, আব্দুল মান্নান চৌধুরী, মাহফুজুল হক সাজু, মহিবুল ইসলাম রাসেল, আজম খান, আইয়ুব মেম্বার, শওকত আলী চেয়ারম্যান, সরওয়ার আলম, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক, মোঃ আজগর, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান জসিম, সাধারণ সম্পাদক মুরাদ চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শহিদুল আলম শহীদ, উত্তর জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দ শফিকুল ইসলাম শাহীন, গোলাম হোসেন নান্নু, মহসিন খোকন, রবিউল হাসান ইকবাল, মেহেদী হাসান সুজন, মোঃ কফিল উদ্দিন, হারুনুর রশীদ, সায়েম উদ্দিন টিটু, মতিউর রহমান রাসেল প্রমূখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…