খুঁজুন
শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুশফিক-মিরাজ ঝড়ে কুমিল্লাকে বিদায় করে প্লে-অফে খুলনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
মুশফিক-মিরাজ ঝড়ে কুমিল্লাকে বিদায় করে প্লে-অফে খুলনা

বিপিএলের চলতি আসরে নিজেদের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আজ খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমছিল কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। এই ম্যাচ হেরে এবারের বিপিএল পর্ব শেষ হলো কুমিল্লার। তবে ৯২ রানে ম্যাচ জিতে প্লে-অফ নিশ্চিত করলেও মাত্র ২ রানের আক্ষেপে পুড়তে হলো টাইগার্স দলপতি মুশফিকুর রহিমকে।

এদিন শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে শুরুতে ব্যাট করত নামে খুলনা। দলের হয়ে ইনিংস শুরু করত এসে একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। ইরফান হোসেনের বলে আউট হয়েছেন ১ রান করে। এরপর নিজ ব্যাটে ঝড় তুললেও তা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি রাইলি রুশো। ১১ বলে ৩টি ছয়ের মারে করেন ২৪ রান।

এরপরের গল্পটা কেবলি মুশফিক আর মেহেদী হাসান মিরাজের। তৃতীয় উইকেট জুটিতে কুমিল্লার বোলারদের নাস্তানুবাদ করে ছাড়েন দুজন। চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে মিরপুরের ভরা গ্যালারীকে আনন্দে ভাসান এ দুই ক্রিকেটার। শুরুতে মাত্র ৩৩ বলে নিজের অর্ধশতক তুলে নেন মিরাজ। খানিক পর একই পথে হাঁটেন মুশফিকও। ফিফটি পূরণ করতে মুশফিকের লাগে ৩৮ বল।

তবে বিপত্তি বাঁধে ইনিংসের ১৯তম ওভারে। ৭৪ রানে থাকা মিরাজকে ফিরতে হয় পেশিতে টান পেয়ে। মিরাজের সুযোগ না থাকলেও মস্ত বড় সুযোগ পেয়েছিলেন মুশফিক। তবে আজও সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া হয়নি তার।

শেষপর্যন্ত মাত্র ৫৭ বলে ৯৮ রানে অপরাজি থেকে মাঠ ছাড়েন মুশফিক। ততক্ষণে রান পাহাড়ে চেপে বসেছে খুলনা টাইগার্স। ২০ ওভার শেষে স্কোর বোর্ডে জমা করে ২১৮ রান।

হারলেই বিদায় নিশ্চিত। এমন সমীকরণ নিয়ে ব্যাট করতে নেমেও সুবিধা করতে পারেনি কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। ইনিংসের শুরুর ওভারে কোন রান না করে ফেরেন সাব্বির রহমান। পরে পাওয়ার-প্লের ৬ ওভারে ৪১ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। যার দুইটা শিকার করেন শহিদুল ইসলাম, একটা মোহাম্মদ আমিরের।

এরপর কুমিল্লার হাল ধরার চেষ্টা করেন উপুল থারাঙ্গা ও সৌম্য সররকার। তবে চতুর্থ উইকেটে ২৮ রানের বেশি যোগ কর‍তে পারেননি দুজন। যেখানে আউট হওয়ার আগে থারাঙ্গার ব্যাট থেকে আসে ৩২ রান। খানিক পর আমিরের দ্বিতীয় শিকার হয়ে সৌম্য ফেরেন ১০ রান করে।

পরে ইয়াসির আলী ২০ ও ফারদীন ২২ রান ছাড়া আর কোনো ব্যাটসম্যান সুবিধা করতে না পারলে মাত্র ১২৬ রানে থামে কুমিল্লার ওয়ারিয়র্সের ইনিংস। ফলে ৯২ রানের জয়ে চতুর্থ ও শেষ দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচ হারের ফলে ১২ ম্যাচে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএল শেষ করলো কুমিল্লা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

খুলনা টাইগার্স: ২১৮/২ (২০ ওভার)
মুশফিক ৯৮*, মিরাজ ৭৪, রুশো ২৪; মুজিব ১/১৮, ইরফান ১/৩৮

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স: ১২৬/৯ (২০ ওভার)
থারাঙ্গা ৩২, ইয়াসির ২০, ফারদীন ২২; শহিদুল ৩/২৮, বিপ্লব ২/১৯, আমির ২/২৪।

ফল: খুলনা ৯২ রানে জয়ী।

Feb2

হামে আক্রান্ত শিশু জয়ার পাশে জেলা প্রশাসক, বকেয়া বিল মওকুফ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
হামে আক্রান্ত শিশু জয়ার পাশে জেলা প্রশাসক, বকেয়া বিল মওকুফ

চট্টগ্রামে হামে আক্রান্ত পাঁচ মাস বয়সী শিশু জয়া দাস ও তার অসহায় মা রিতা দাসের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি জেলে পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসা-পরবর্তী সহায়তার কথাও জানান।

শুক্রবার (১৫ মে) সকালে নগরীর জিইসি এলাকার এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়া শিশু জয়া দাসকে দেখতে যান জেলা প্রশাসক। এ সময় হাসপাতালের চেয়ারম্যান লায়ন আলহাজ্ব সালাউদ্দিন আলী ও জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, দারিদ্র্যের কারণে হাসপাতালে বিল পরিশোধ করতে পারছেন না হাম আক্রান্ত শিশু জয়া— এমন সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি তার নজরে আসে। পরে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারাও মানবিক উদ্যোগে সাড়া দেন।

এ বিষয়ে হাসপাতালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী জানান, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনার পর হাসপাতালের মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩০২ টাকার বিলের মধ্যে বকেয়া ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩০২ টাকা মওকুফ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে অংশ নিতে পেরে আমরা আনন্দিত। জেলা প্রশাসকের আন্তরিকতায় একটি অসহায় পরিবার বড় ধরনের স্বস্তি পেয়েছে।

জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সমঝোতা সই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সমঝোতা সই

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে সাশ্রয়ী মূল্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি, এলপিজিসহ বিভিন্ন জ্বালানি পণ্য আমদানির নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগে (ডিওই) এ সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চুক্তিতে সই করেন।

ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং জানিয়েছে, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে সাশ্রয়ী মূল্য ও টেকসই সরবরাহব্যবস্থার ভিত্তিতে জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চুক্তির আওতায় তেল, গ্যাস, ভূ-তাপীয় জ্বালানি ও জৈব জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে।

খলিলুর রহমান এ সমঝোতাকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ উদ্যোগে সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এ চুক্তিকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ বলে মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

উৎসব-পার্বণ ঘিরে সব সময় তৎপর হয়ে ওঠে জাল টাকার কারবারিরা। তবে কোরবানির ঈদকে নিজেদের সবচেয়ে সুসময় হিসেবে বিবেচনা করে তারা। কেননা, কোরবানির গরু কেনাকে কেন্দ্র করে শহর থেকে গ্রামে সবচেয়ে বড় অঙ্কের লেনদেন হয়ে থাকে। এবারও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সারা দেশেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল টাকার কারবারিরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে প্রায়ই ধরাও পড়ছে। যাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জাল টাকার কারবার নিয়ে বেশ শঙ্কা প্রকাশ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এরপরও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নকল টাকার কারখানায় কোটি কোটি টাকার নোট তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

যেগুলো ঈদ বাজারে ব্যাপক হারে সয়লাব হতে পারে। এদিকে এজেন্ট দিয়ে সারা দেশে জাল নোট ছড়ানোর রীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করা অনলাইন হোম ডেলিভারি সার্ভিস নিয়েও আতঙ্ক কমেনি। সমাজমাধ্যমগুলোতে জালনোট বিক্রির পোস্ট দিয়ে ৫০০ ও ১০০০ টাকার জাল নোট বিক্রি করা হচ্ছে দেদার।

ডিবি সূত্র জানায়, তৈরিতে খরচ কম হওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কমেছে জাল নোটের।

আগে যেখানে ১০০টি ৫০০ অথবা ১০০০ টাকার নোট তৈরিতে খরচ হতো কমপক্ষে ৪-৭ হাজার টাকা। বর্তমানে খরচ হচ্ছে মাত্র আড়াই হাজার টাকা। আগে তৈরি খরচ বেশি হওয়ায় পাইকারি মার্কেটে লাখ টাকার নোট বিক্রি হতো ৮-১৫ হাজার টাকায়। কিন্তু বর্তমানে পাইকারি বাজারে লাখ টাকার নোটের দাম মাত্র ৬ হাজার টাকা। ক্রেতা বুঝে লাখ টাকার নোট ৮-১০ হাজার টাকাতেও বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা নতুন নোট জাল কারবারিদের কাজ আরও সহজ করে দিয়েছে। নোটের ডিজাইনে ত্রুটি, নিম্নমানের গ্রাফিক্স ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের সংযোজনের অভাবে নোটটি জাল করা খুবই সহজ করে দিয়েছে।

সূত্র বলছে, ইউনূস সরকারের সময় তৈরি করা নতুন ডিজাইনের নোটের প্রতি শুরু থেকেই মানুষের আস্থা কম। বিভাগীয় শহরের মানুষ নোটগুলো নিলেও এখনো জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেভাবে প্রচলন ঘটেনি নোটগুলোর। এজন্য বানানো সহজ হলেও জাল কারবারিদের এই নোটের প্রতি এখনো আগ্রহ বাড়েনি। কারণ জাল টাকার কারবারিরা এই নোট কিনতে চান না। এখনো বঙ্গবন্ধুর ছবিসংবলিত পুরোনো নোটই বেশি তৈরি হচ্ছে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামের সহজলভ্যতা, সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার এজেন্টের ছড়াছড়ি, জামিনে থাকা কারবারিদের নজরদারির অভাব, বড় অপরাধে লঘু দণ্ড ও বিদেশি নাগরিকদের কেউ কেউ এসে জাল টাকা তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ায় দেশে জাল টাকার বিস্তার শূন্যের কোটায় নামানো যাচ্ছে না।

যদিও সম্প্রতি সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, দেশে জাল নোটের বিস্তার রোধে সরকার একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরির কাজ করছে। প্রস্তাবিত এ আইনে জাল নোট তৈরি বা আসল মুদ্রার আদলে কিছু তৈরির সঙ্গে জড়িতদের জন্য অত্যন্ত কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে।

একই কারিগররা বারবার গ্রেপ্তার : প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত বুধবার রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। গ্রেপ্তাররা হলেন কামরুল ইসলাম ও নিষাদ হোসেন। তাদের কাছ থেকে ৪০টি ৫০০ টাকার ভুয়া নোট উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে গতকাল র‌্যাব-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, ঈদকে টার্গেট করে জাল নোট বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। একই দিন রাজধানীর উত্তরার বিডিআর মার্কেট ও গাজীপুরের বাসন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ কারবারিকেও গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তারা হলেন মজিবুর রহমান, দুলাল মৃধা ও মো. মামুন। এ সময় ৩৪ লাখ জাল টাকাসহ জাল টাকা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডিবি পুলিশকে জানিয়েছে, একই কারবারের জন্য এর আগেও তারা গ্রেপ্তার হয়েছিল। ধরা পড়ার আগে ১০ লাখ টাকার একটি চালানও তারা ডেলিভারি দিয়েছে। জাল টাকা তৈরির যেসব সরঞ্জাম সেগুলো তারা বিভিন্ন দোকান থেকে সহজেই সংগ্রহ করত। গত ১ মে রংপুরের পীরগাছায় জাল টাকার নোটসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৩ মে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ১৫ এপ্রিল রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ আলী আজগর সিকদারকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গত ১২ এপ্রিল গুলশান থেকে ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ। গত ৫ মার্চ তুরাগ থেকে ২৫ লাখ টাকার জাল নোট এবং তৈরির সরঞ্জামসহ মাইলস্টোনের দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে র‌্যাব। গত দেড় মাসে সারা দেশে আরও বেশ কয়েকজন কারবারি গ্রেপ্তার হয়েছে।

সূক্ষ্ম জাল নোটে বাজার সয়লাব : সাধারণ প্রিন্টারে প্রিন্ট দেওয়ার পর কাগজকে জলছাপ দিয়ে, ফুয়েল কাগজ ও বিশেষ গামের মাধ্যমে খুব সহজেই তৈরি হচ্ছে জাল নোট। যেগুলো এতই সূক্ষ্ম যে আসল নাকি নকল সেটা কারও পক্ষে বোঝা কঠিন। সূত্র জানায়, জাল টাকার চক্র বরাবরই ৫০০ কিংবা হাজার টাকার বড় নোট প্রিন্ট করে। কারণ, এতে লাভ বেশি। জাল টাকা তৈরি থেকে শুরু করে বাজারজাত পর্যন্ত কয়েকটি ভাগে কাজ করে চক্রের সদস্যরা।