খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে ছাত্র আন্দোলনের নেতা জসিমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 18 December, 2024, 3:41 pm
চট্টগ্রামে ছাত্র আন্দোলনের নেতা জসিমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রাম নগরীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া জসিম উদ্দিন নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত ৯ টার দিকে বন্দর থানাধীন আনন্দবাজার সিটি কর্পোরেশন ময়লার ডিপো টিসি কলোনি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার ওসি কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান বলেন, ধারালো কোনো অস্ত্র দিয়ে জসিমের গলার এক পাশে আঘাত করার ফলে হয়তো শ্বাস নালি কেটে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থার আজ বুধবার সকালে তার মৃত্যু হয়। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

তবে জসিমের পরিবারের অভিযোগ বিএনপির রাজনীতি সাথে সম্পৃক্ত থাকায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোরে চট্টগ্রামের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের চাচা বশির আহমদ জানান, ময়লার ডিপোর সাথে তাদের বাসা। ডিপোতে নষ্ট ভাত ফেলানোকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে। মূলত আমার ভাতিজা বিএনপি নেতা খসরুর গ্রুপের রাজনীতি করতো। বিএনপি করায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রাসেল আহমেদ বলেন, ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণকারীদের যেভাবে গুম করে অপহরণ করে হত্যা করা হচ্ছে এটা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এর পিছনে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের মদদ রয়েছে। ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় এসব কর্মকাণ্ডগুলো ঘটছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের বড় ধরনের ব্যর্থতা রয়েছে। তারা চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে না পারায় ঘটনাগুলো বার বার ঘটছে। পুলিশের প্রতি জনগণের যে আস্থা হারিয়েছে সেটি পুনরুদ্ধারে পুলিশকে কাজ করতে হবে এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

Feb2
Feb2

৩ ফুট করে খোলা হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 August, 2026, 9:40 am
৩ ফুট করে খোলা হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দ্রুত বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। এতে রাঙামাটির বাঘাইছড়িসহ হ্রদ তীরবর্তী বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাটের ওপেনিং বাড়িয়ে সর্বশেষ তিন ফুট করা হয়েছে। এরপর বাঘাইছড়ির প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।

‎কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে কাচালং নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে।

‎বাঘাইছড়ি পৌরসভার বটতলী, এফ ব্লক, পুরাতন মারিশ্যা, মাস্টারপাড়া, মাদ্রাসাপাড়া, লাইল্যাঘোনা, উলুছড়ি, বাঘাইহাট, পশ্চিম মুসলিম ব্লক ও মধ্যমপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়। কোথাও কোথাও সড়ক ও বসতবাড়িতে পানি ওঠায় দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয়রা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট দিয়ে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। হ্রদের পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় গেটগুলোর ওপেনিং পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে সর্বশেষ তিন ফুট করা হয়েছে। বর্তমানে ১৬টি গেট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হচ্ছে।

‎কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে থাকায় গেটগুলোর ওপেনিং বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পানি নিষ্কাশনের পরিমাণ পরিবর্তন করা হতে পারে।

গেটগুলোর ওপেনিং তিন ফুট করার পর রোববার দুপুর থেকে বাঘাইছড়ির প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করে। ইতোমধ্যে কিছু এলাকা থেকে পানি সরে যাওয়ায় সেখানে পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।

এদিকে কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় রাঙামাটি শহরের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতুর পাটাতনের বেশির ভাগ অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সেতুটিতে প্রবেশ ও চলাচল বন্ধ রেখেছে পর্যটন কর্তৃপক্ষ।

‎হ্রদের পানির উচ্চতা, বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে কাপ্তাই, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জামিনে বেরিয়ে খুন হলেন ‘পিচ্চি জাহেদ’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 August, 2026, 9:36 am
জামিনে বেরিয়ে খুন হলেন ‘পিচ্চি জাহেদ’

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) তালিকাভুক্ত ৩৩০ জন দুষ্কৃতকারীর ১ নম্বরে থাকা জাহেদুল ইসলাম (৩৫) ওরফে ‘পিচ্চি জাহেদ’কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাতে সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের দক্ষিণ এলাকায় মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় তার গতিরোধ করে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে পুরানগড় ইউনিয়নের দক্ষিণ এলাকার একটি সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন জাহেদ। এ সময় আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। তখন তাকে ঘিরে ধরে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তারা। পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সিএমপি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে জননিরাপত্তার স্বার্থে নগরীতে ৩৩০ জন দুষ্কৃতকারীর প্রবেশ ও অবস্থানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ওই তালিকার এক নম্বরে ছিলেন জাহেদুল ইসলাম ওরফে ‘পিচ্চি জাহেদ’। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র, মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

এ বছরের ১৯ জানুয়ারি দিবাগত রাতে সাতকানিয়ার পুরানগড় এলাকায় সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১০৪টি ইয়াবা ও ১৫টি দেশীয় অস্ত্রসহ জাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরে আসেন। এর কয়েক মাসের মধ্যেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হলো।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, জাহেদ দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের অপরাধজগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, মাদক ও অস্ত্রের কারবার, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, অপরাধী গ্রুপগুলোর বিরোধ কিংবা পুরোনো শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

লালদিয়া টার্মিনাল হবে বৈশ্বিক লজিস্টিকস হাব : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 30 August, 2026, 3:25 pm
লালদিয়া টার্মিনাল হবে বৈশ্বিক লজিস্টিকস হাব : অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালকে ঘিরে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক লজিস্টিকস ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, লালদিয়া টার্মিনাল শুধু চীনের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের জন্য একটি কার্যকর প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আধুনিক বন্দর অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোববার (৩০ আগস্ট) বেলা ১১টায় পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন (গ্রাউন্ড ব্রেকিং) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, লালদিয়া টার্মিনাল প্রকল্প একটি উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ। একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলতে হলে বিশ্বের সেরা লজিস্টিকস প্রতিষ্ঠান, আধুনিক বাণিজ্যিক অবকাঠামো, উন্নত বন্দর ও আধুনিক শহর প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে লালদিয়া টার্মিনালের মতো প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বন্দর ও বাণিজ্য খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এই বাণিজ্য খাতকে ঘিরে পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও অনেকাংশে বন্দরের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর লক্ষ্য এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে নেতৃত্বের ভূমিকায় আনতে হবে। সরকারের দায়িত্ব হবে প্রয়োজনীয় নীতি, সহায়তা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালও এ অংশীদারত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। সরকার ধীরে ধীরে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করছে।

লালদিয়া টার্মিনাল দ্রুত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমির খসরু বলেন, প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সহযোগিতা সময়মতো নিশ্চিত করতে হবে। সরকার এ বিষয়ে সহযোগিতাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে যারা সরাসরি যুক্ত থাকবেন, তাদের কল্যাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও খেয়াল রাখতে হবে। কর্মী, প্রতিবেশী ও সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা সবার দায়িত্ব।

বন্দরকে দেশের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমুদ্রবন্দর ও বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়েই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

আমির খসরু বলেন, সরকার বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস হাবে পরিণত করতে চায়। এটি শুধু চীনের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের জন্য প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে শুধু লজিস্টিকস হাব হিসেবে নয়, একটি কার্যকর ও উন্মুক্ত বাজার হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।