খুঁজুন
, ,

বিপ্লব ধরে রাখতে না পারলে ফের ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 February, 2025, 7:29 pm
বিপ্লব ধরে রাখতে না পারলে ফের ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন হবে

ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে একসঙ্গে লড়ে বিপ্লব ছিনিয়ে এনেছেন, সেটি কোনভাবে ব্যাহত করা যাবেনা। কিছু ক্ষেত্রে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিষয়ে কোনো ধরনের আপোষ করা যাবেনা। সবাইকে ঐক্যমত থাকতে হবে। না হয়, আবারো ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে)’র সভাপতি মো.শাহনেওয়াজ।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আবদুল খালেদ মিলনায়তনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটউশন বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মো. শাহনেওয়াজ বলেন, ৫ আগস্ট বিপ্লবের প্রক্ষাপট ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ওই সময় পৃথিবীর নিকৃষ্টতম ফ্যাসিবাদ সরকারের বিরুদ্ধে ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ১২ কোটি মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। এই পরিবর্তন ছিল ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিশাল ঐক্যের পরিবর্তন। যদি এই পরিবর্তন যদি ধরে রাখতে যান, তাহলে প্রতিটি পেশার ক্ষেত্রে ঐক্যের সম্প্রীতি বাড়াতে হবে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে)’র সভাপতি মো.শাহনেওয়াজ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রেস ক্লাবের সদস্য সোহাগ কুমার বিশ্বাস।

প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি বলেন, বিপ্লবের পর আইইবির নতুন কমিটি গঠনের মধ্যে দিয়ে স্বস্তি ফিরে এসেছে আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। অভ্যন্তরীণ অন্তর্কোন্দল না রেখে সবাইকে ঐক্যেমতের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে।

আইইবি’র চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান মনজারে খুরশেদ আলম বলেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে আমরা নির্বাচন করতে পারিনি। কেন্দ্রে ঢুকতেও দেয়নি। এমন নির্বাচনে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে হুমকি ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতো ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠি। তারা শুধু আইইবি নয়, দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে এভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। ৫ আগস্টের পর সেই কালো অধ্যায় পরিবর্তন হবে নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে।

এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব) চট্টগ্রামের সভাপতি প্রকৌশলী জানে আলম সেলিম বলেন, সকল প্রকৌশলীদের একটি আস্থার জায়গা আইইবি। এখান থেকে প্রকৌশলীদের সনদ দেয়া হয়। এই পরিচয়ে এসব প্রকৌশলীরা কর্মক্ষেত্রে তাদের ক্যারিয়ার গঠন করে। সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক দলগুলো মধ্যে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে সেখানে র এর একটি ষড়যন্ত্রের অংশ। সবাইকে সাবধানে কাজ করে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ধরে রাখতে হবে। বার বার এই স্বাধীনতা আসবেনা। এটি ধরে রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— আইইবি সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খান আমিনুর রহমান, প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, প্রকৌশলী কাজী আরশেদুল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা সদস্য গোলাম মওলা মুরাদ, প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এস এম নছরুল কদির, রোটারিয়ান জসিম উদ্দিন চৌধুরী, প্রকৌশলী এমাদুল হক, প্রকৌশলী ওসমান গণি, সিরাজুল করিম মানিক, ইসলামিক টিভির সাবেক ব্যুরো প্রধান শহিদুল ইসলাম, প্রকৌশলী নাসির উদ্দির চৌধুরী, প্রকৌশলী একে এম মামুনুর রশিদ, প্রকৌশলী নুরুল আলম, প্রকৌশলী সুজিৎ কুমার নন্দী, প্রকৌশলী ওহিদুল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের সদস্য হাসান মুকুল।

অনুষ্ঠানের শেষে আইইবির নতুন গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:12 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’