খুঁজুন
, ,

জঙ্গিবাদ ছড়ানোর অন্যতম জায়গা সোশ্যাল মিডিয়া, এখানের সবকিছু বিশ্বাস করা যাবে না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 14 January, 2020, 7:17 pm
জঙ্গিবাদ ছড়ানোর অন্যতম জায়গা সোশ্যাল মিডিয়া, এখানের সবকিছু বিশ্বাস করা যাবে না

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ইসলামের নামে দেশে জঙ্গিবাদী অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। ইসলামি চিন্তাবিদদের এ বিষয়ে কথা বলতে হবে। কারণ জঙ্গিবাদকে ইসলাম কোনভাবেই সমর্থন করে না।

জঙ্গিবাদের দর্শন ইসলামের সাথে যায় না। সম্মিলিতভাবে জঙ্গিবাদের প্রচার ও প্রসারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ছড়ানোর অন্যতম জায়গা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ার সব কিছুই বিশ্বাস করা যাবে না। কোনটি মিথ্যা, কোনটি গুজব সে বিষয়ে যাচাই-বাছাই করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) অডিটোরিয়ামে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের সমারম্ভ ২০২০ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত “মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ হোক যুবসমাজের অঙ্গীকার” শীর্ষক সমারম্ভ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুলিশ, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: মাহাবুবর রহমান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিভাসু’র মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. নূরুল আবছার খান ও ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবদুল আহাদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন।

ড. বেনজীর আহমেদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মাদক এমন একটি জিনিস-যা যুবসমাজের বিকাশ ও সম্ভাবনা ধ্বংস করে দেয়। মাদকের কারণে পরিবেশ ও সমাজ ব্যবস্থা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। এটি আমাদের জন্য অভিশাপ।

তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাদকের সরবরাহ বন্ধে কাজ করছে। কিন্তু মাদকের চাহিদা বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কেননা চাহিদা বন্ধ না হলে সরবরাহ বন্ধ করা কঠিন হয়ে যাবে। মাদক নির্মূলে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

নবীন শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, তোমাদের হাতেই আগামীর বাংলাদেশ। তোমরা হচ্ছো বাংলাদেশের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। তোমাদের রয়েছে অমিত সম্ভাবনা। তোমাদের লক্ষ্য হবে ‘গ্লোবাল সিটিজেন’ হবার। তোমরাই একদিন বিশ্বের নেতৃত্বে দেবে।জঙ্গিবাদ অপতৎপরতায় ইসলামি সংগঠনগুলো সিভাসুতে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মীর্জা ফারুক ইমাম ও সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ, র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে: কর্ণেল মশিউর রহমান জুয়েল, সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আমেনা বেগম, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনাসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩টি অনুষদে (ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদ, ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি অনুষদ ও মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ) মোট ২৪৫ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। দেশে প্রথমবারের মতো ৭টি কৃষি সংশ্লিষ্ট বিশ^বিদ্যালয়ের গুচ্ছপদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে এসকল ছাত্রছাত্রী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।