খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিকের ৪ লাখ ১০ হাজার শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং’র আওতায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২০, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
প্রাথমিকের ৪ লাখ ১০ হাজার শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং’র আওতায়

মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ৪ লাখ ১০ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং-এর আওতায় আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৬টি উপজেলার ২ হাজার ১৬৬ টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এতে সুফলভোগী হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন আজ কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার রৌমারী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দারিদ্র্য পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় স্কুল ফিডিং-এর উদ্ভোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

কুড়িগ্রামের জেলাপ্রশাসক সুলতানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সোহেল আহমেদ।

এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান বাবুল ও রতন চন্দ্র পন্ডিত , রাজিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো,ডব্লিউএফপিএ-এর রংপুর প্রতিনিধি বীথিকা বিশ্বাসসহ রংপুরের উপ-পরিচালক ও কুড়িগ্রামের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং এই কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আরডিআরএস-এর প্রতিনিধি এবং শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে দুপুরে রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হবে।এ উপলক্ষে জাতীয় মিড ডে- মিল নীতিমালা ২০১৯ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে দেশের ১৬টি উপজেলার ২ হাজার ১৬৬ টি বিদ্যালয়ের ৪ লাখ ১০ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষার্থী এতে সুফলভোগী হবে। আজকেএই রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলাসহ ইতোমধ্যে ১৬ উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু হল।এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পাবে বলেও জানান তিনি।

জাকির হোসেন বলেন, চলতি বছরের মার্চ থেকে স্কুল মিল কার্যক্রম চালু করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে একদিন অন্তর অন্তর রান্না করা খাবার ও উচ্চ পুষ্টিমান সমৃদ্ধ বিস্কুট সরবরাহ করা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার ছিল ৫০ ভাগেরও বেশি।এই সরকারের সময়ে এই পরিস্থিতি আমুল বদলে গেছে। শেখ হাসিনার সরকার দেখিয়েছেন বিদ্যালয়ে শিশুদের খাবার নিশ্চিত করা গেলে দেশ আরও এগুবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তাই ২০২৩ সালের মধ্যে সারাদেশের স্কুলগুলো এ কর্মসূচীর আওতায় আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সাল থেকে দারিদ্য্র পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচী’ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশের ১০৪ টি দারিদ্র্য প্রবণ উপজেলা যার মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলার সকল উপজেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। জানা গেছে বর্তমানে সরকারি অর্থায়নে ৯৪টি উপজেলায় এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির অর্থায়নে ১০ টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন চলমান রয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রকল্পভুক্ত ১০৪ টি উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (নতুন জাতীয়করণসহ), শিশুকল্যা ট্রাস্ট পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসায় এবং এনজিও পরিচালিত বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত প্রত্যেক শিক্ষার্থীদেরকে দৈনন্দিন উপস্থিতির ভিত্তিতে প্রতি স্কুল দিবসে ৭৫ গ্রাম ওজনের পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট সরবরাহ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে স্কুল মিল কার্ষক্রমে রান্নাঘর নিমার্ণ করা হয়েছে। শিশুদের মাঝে রান্না করা গরম খাবার সরবরাহ করার জন্য রাধুনি নিয়োগ করা হয়েছে। যাদের বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ( বারটান) এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পরে প্রতিমন্ত্রী রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার পরিবেশন করে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…