উৎসবমুখর পরিবেশে ২০০০ ব্যাচের গ্র্যান্ড বন্ধু আড্ডা সম্পন্ন
এসো মিলি প্রাণের মেলায় ভেসে বেড়াবো ঢেউয়ের ভেলায় – এই স্লোগান নিয়ে পতেঙ্গার কিংবদন্তীদের আয়োজনে হয়ে গেলো এসএসসি ২০০০ ব্যাচের (আমরাই কিংবদন্তী এসএসসি ২০০০ ও এইচএসসি ২০০২ ব্যাচ) নৌভ্রমণ ও গ্র্যান্ড বন্ধু আড্ডা ২০২০।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারী) সকাল আটটায় পতেঙ্গার বোট ক্লাব থেকে সমুদ্র ভ্রমণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

সকাল ৯টায় ওয়েস্টার্ন মেরিন ক্রুজে সকালের নাস্তা সেরে নেয় সবাই। নাস্তার উপকরণ হিসেবে ছিল, সিদ্ধ ডিম ও বিরানী। এ সময় নদী ও সমুদ্রের দুই কুলে প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করে সবাই।

সকাল সাড়ে ১০টায় সমুদ্র ভ্রমণ শেষে সবাইকে নিয়ে যাওয়া হয় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে প্রোগ্রামের মূল ভেন্যুতে।

সেখানে প্রথমে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর যথারীতি কিংবদন্তী বন্ধুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ ও উপস্থাপনাতে চলতে থাকে প্রোগ্রাম।

এরপর সামাজিক দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে এই পিকনিকের বিশেষ আয়োজনে শতাধিক এতিম বাচ্চাদের দুপুরের মেজবানি ভোজন ও পাশাপাশি প্রায় ৪৫০ বন্ধুদের দুপুরের গরু ও খাসির মেজবানি পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকা, বরিশাল, নোয়াখালী, ফরিদপুর কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বন্ধুদের সরব উপস্থিতি ছিল। এক বন্ধু উপস্থিত হয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের মরুর দেশ দুবাই থেকে।

এ সময় বন্ধুরা একে অপরের সাথে সেলফি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করে। কর্ণফুলী ও বঙ্গোপসাগরের বুকে বিকেলের সূর্যটা সবার মন কেড়ে নিয়য়েছিল।
শহরের যান্ত্রিকতা কাটিয়ে একটা দিন বন্ধুদের নিয়ে ঘোরাঘুরি করে মনে প্রশান্তি আসে উপস্থিত সবার।

বন্ধু মানে শক্তি, বন্ধু মানে প্রেরণা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্ধুরা পরিবার নিয়ে নৌ-ভ্রমণে যোগদান করেছে, ঐতিহাসিক এ সম্মিলনে সবাই ফিরে গিয়েছিল স্কুল জীবনের স্মৃতিতে। যেখানে ছিল শিক্ষকদের শাসন, পড়া না পারলে বেতের বাড়ি, নেইল ডাউন, দুষ্টুমি, স্কুল পালানো, টিফিনের পর পালানো ও সহপাঠীর সঙ্গে খুনশুটি। বন্ধুত্ব যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বজায় থাকবে এটাই সবার বিশ্বাস।
বিকেলের পিঠা উৎসব, সন্ধ্যায় ব্যান্ড শো ও র্যফেল ড্র উপভোগের পর যবনিকা টানা হয় বন্ধুদের মহা মিলনমেলার।


আপনার মতামত লিখুন