খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উৎসবমুখর পরিবেশে ২০০০ ব্যাচের গ্র্যান্ড বন্ধু আড্ডা সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ২:২৭ অপরাহ্ণ
উৎসবমুখর পরিবেশে ২০০০ ব্যাচের গ্র্যান্ড বন্ধু আড্ডা সম্পন্ন

এসো মিলি প্রাণের মেলায় ভেসে বেড়াবো ঢেউয়ের ভেলায় – এই স্লোগান নিয়ে পতেঙ্গার কিংবদন্তীদের আয়োজনে হয়ে গেলো এসএসসি ২০০০ ব্যাচের (আমরাই কিংবদন্তী এসএসসি ২০০০ ও এইচএসসি ২০০২ ব্যাচ) নৌভ্রমণ ও গ্র্যান্ড বন্ধু আড্ডা ২০২০।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারী) সকাল আটটায় পতেঙ্গার বোট ক্লাব থেকে সমুদ্র ভ্রমণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

সকাল ৯টায় ওয়েস্টার্ন মেরিন ক্রুজে সকালের নাস্তা সেরে নেয় সবাই। নাস্তার উপকরণ হিসেবে ছিল, সিদ্ধ ডিম ও বিরানী। এ সময় নদী ও সমুদ্রের দুই কুলে প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করে সবাই।

সকাল সাড়ে ১০টায় সমুদ্র ভ্রমণ শেষে সবাইকে নিয়ে যাওয়া হয় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে প্রোগ্রামের মূল ভেন্যুতে।

সেখানে প্রথমে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর যথারীতি কিংবদন্তী বন্ধুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ ও উপস্থাপনাতে চলতে থাকে প্রোগ্রাম।

এরপর সামাজিক দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে এই পিকনিকের বিশেষ আয়োজনে শতাধিক এতিম বাচ্চাদের দুপুরের মেজবানি ভোজন ও পাশাপাশি প্রায় ৪৫০ বন্ধুদের দুপুরের গরু ও খাসির মেজবানি পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকা, বরিশাল, নোয়াখালী, ফরিদপুর কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বন্ধুদের সরব উপস্থিতি ছিল। এক বন্ধু উপস্থিত হয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের মরুর দেশ দুবাই থেকে।

এ সময় বন্ধুরা একে অপরের সাথে সেলফি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করে। কর্ণফুলী ও বঙ্গোপসাগরের বুকে বিকেলের সূর্যটা সবার মন কেড়ে নিয়য়েছিল।

শহরের যান্ত্রিকতা কাটিয়ে একটা দিন বন্ধুদের নিয়ে ঘোরাঘুরি করে মনে প্রশান্তি আসে উপস্থিত সবার।

বন্ধু মানে শক্তি, বন্ধু মানে প্রেরণা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্ধুরা পরিবার নিয়ে নৌ-ভ্রমণে যোগদান করেছে, ঐতিহাসিক এ সম্মিলনে সবাই ফিরে গিয়েছিল স্কুল জীবনের স্মৃতিতে। যেখানে ছিল শিক্ষকদের শাসন, পড়া না পারলে বেতের বাড়ি, নেইল ডাউন, দুষ্টুমি, স্কুল পালানো, টিফিনের পর পালানো ও সহপাঠীর সঙ্গে খুনশুটি। বন্ধুত্ব যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বজায় থাকবে এটাই সবার বিশ্বাস।

বিকেলের পিঠা উৎসব, সন্ধ্যায় ব্যান্ড শো ও র‍্যফেল ড্র উপভোগের পর যবনিকা টানা হয় বন্ধুদের মহা মিলনমেলার।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…