খুঁজুন
, ,

টেকনাফে ২১ ইয়াবা ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 3 February, 2020, 7:38 pm
টেকনাফে ২১ ইয়াবা ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ

ইসলাম মাহমুদ, কক্সবাজারঃ পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাস্তুচ্যুত করে বাংলাদেশের উপর চাপিয়ে দিয়েছে মিয়ানমার।

সেই মিয়ানমার থেকে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকার ইয়াবা আনছে এ দেশীয় ইয়াবা কারবারিরা। দেশের টাকা বিদেশে পাচার মানে নিজেদের পায়ে কুড়াল মারার মতো। মাদক-দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স রয়েছে। তার (প্রধানমন্ত্রীর) নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠে কাজ করছে পুলিশ। আজকের আত্মসমর্পণ তারই একটি অংশ।

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টেকনাফ সরকারি কলেজ মাঠে কক্সবাজার জেলা পুলিশ আয়োজিত দ্বিতীয় দফায় ইয়াবাকারবারিদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি এসব কথা বলেন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনের সভাপতিত্ত্বে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ডিআইজি আরও বলেন, ৯০ দশকের শেষের দিকে জঙ্গিবাদ চরমভাবে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। জিরো টলারেন্স নীতির কারণে জঙ্গিবাদ দমনে সফলতা পেয়েছি আমরা। ইয়াবাও বন্ধ হবে ইনশাল্লাহ। দোষ স্বীকার করে যারা আত্মসমর্পণ করেছেন, তাদের সাধুবাদ জানাই। যারা এখনও বাইরে রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।

ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক পুুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশ সম্পর্কে বলেন, পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশের কেউ মাদকের সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণ পেলে তার ঠিকানা হবে কারাগার। একইভাবে নিরীহ কাউকে মাদককারবারি সাজানোর চেষ্টা করলে সেই কর্মকর্তাকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে। আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধেও কঠোরভাবে হাঁটছি।

বক্তব্যের আগে ডিআইজির হাতে ফুল নিয়ে একের পর এক ২১ জন ইয়াবাকারবারি আত্মসমর্পণ করেন। এসময় ইয়াবাকারবারিরা পুলিশের কাছে ১০টি অস্ত্র, ২১ হাজার ইয়াবা ও ৩০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ হস্তান্তর করে। এরা সকলেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত চিহ্নিত ইয়াবাকারবারি ও হুণ্ডি ব্যবসায়ী।

দ্বিতীয় দফায় আত্মসমর্পণকারিরা হলেন-

টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল গ্রামের ফকির আহমদের ছেলে নুর মোহাম্মদ, নুর কবিরের ছেলে ইমাম হোসেন, হোয়াইক্যং উত্তরপাড়ার মৃত আব্দুর শুক্কুরের ছেলে ফরিদ আলম, মহেশখালীয়া পাড়ার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে শাহাদাত হোছাইন, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মৌলভীপাড়ার বাসিন্দা হাজী ফজল আহমদের ছেলে মোহাম্মদ রিদওয়ান ও তার ভাই আব্দুর রাজ্জাক, সুলতান আহমদের ছেলে বশির আহমদ, মৃত আমির হোসেনের ছেলে ও সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুল আমিন আবুল, মৃত লাল মিয়ার ছেলে আবুল কালাম, মৌলভীপাড়ার ছৈয়দ হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ রাসেল ওরফে হাজি রাসেল, রুহল আমিনের ছেলে ফজল করিম, সাবরাং ইউনিয়নের লেজিরপাড়ার মৃত হাজী মকতুল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ ইদ্রিস, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর লম্বরীপাড়ার জহির আহমদের ছেলে আবু তৈয়ূব ওরফে মধু, মাঠপাড়ার ফজলুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ জাহেদ, খয়রাতি পাড়ার আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে মোহাম্মদ সাদ্দাম, টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লানপাড়ার মৃত কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল নূর, লামার বাজারের আব্দুল জলিলের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাঈল, সাবরাং ইউনিয়নের সিকদার পাড়ার মৃত ছৈয়দুর হোসেনের ছেলে আব্দুল গফুর, সাবরাং সিকদারপাড়া আমির হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন কালু, হ্নীলা ইউনিয়নের উলুচামোরি কোনারপাড়ার আবুল কালামের ছেলে মিজানুর রহমান।

আত্মসমর্পণকারিদের পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোহাম্মদ তৈয়ব বলেন, ইয়াবা কারবার অঢেল টাকা দেয়, কিন্তু শান্তি দেয় না। অভিযান শুরুর পর থেকে একটি রাতও ঘরে থাকতে পারিনি। স্বজনদের সঙ্গে করতে পারিনি একটি ঈদও। ভোগান্তিতে থেকে পরিবার-পরিজনরাও। তাই অপরাধ বুঝতে পেরে আত্মসমর্পণ করেছি। যারা বাইরে রয়েছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ শান্তি চাইলে আপনারাও ঘৃণিত এ পেশা ছেড়ে আইনের আওতায় আসুন।

আত্মসমর্পণকারি ইয়াবাকারবারিদের সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি তোফায়েল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ বাহাদুর, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন, টেকনাফ থানা পুলিশের ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফ পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা ও মৌলানা মুফতি কিফায়েত উল্লাহ। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাসে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৯ মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। এদের মাঝে ৬ জন রোহিঙ্গা। এর আগে ২০১৮ সালের মে থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বিশেষ অভিযানে ৫৬ রোহিঙ্গাসহ ২০৯ জন ইয়াবা কারবারি ও ডাকাত-সন্ত্রাসী বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। এ সময় এক কোটি ৬৯ লাখ ২৬ হাজার ৫৭০ পিস ইয়াবাও জব্দ হয়। আটক হন ২ হাজার ৩৩৮ জন। এসব ঘটনা মাদককারবারিদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ফলে অনেক চিহ্নিত ইয়াবাকারবারি গা-ঢাকা দিয়েছেন আর অনেকে আত্মসমর্পণ করতে মরিয়া হয়ে ছুটেছেন। এর আগে গত ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আত্মসমর্পণ করেন ১০২ জন। এদের মাঝে একজন কারাগারে মারা গেছেন। বাকি ১০১ জনের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে চার্জশিট দাখিল করেছে টেকনাফ থানা পুলিশ।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।