খুঁজুন
, ,

অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে টাকা পাচার,আটক ১৬

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 13 February, 2020, 10:01 pm
অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে টাকা পাচার,আটক ১৬

সারাদেশে হাইকোট অর্থের বিনিময়ে জুয়া খেলা নিষিদ্ধ করার পর ফের জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে পুলিশ প্রশাসন।

অনলাইন জুয়া খেলার ওয়েব সাইট বেট থ্রি সিক্সটি ফাইভের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সর্বশেষ গত তিন মাসে এধরণের জুয়া খেলায় দু’শ কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ জুয়া খেলায় কোটি টাকা হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে অনেকে।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে টানা অভিযান চালিয়ে ১৬ জনকে আটকের পর চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য বের হয়ে আসছে।

গতকাল গভীর রাত থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত তামাকুমিন্ড লেইন থেকে শুরু হয় অন লাইন জুয়ারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই অভিযান। দু’টি জুয়ার স্পট থেকে আটক করা হয় ১৬ জনকে।

পুলিশ জানায়, আটককৃতদের মধ্যে ১১ জন সাধারণ জুয়াড়ি হলেও ৩ জন হলো এজেন্ট। যারা দ্বিতীয় একটি পক্ষের হয়ে এসব সাধারণ জুয়াড়িদের কাছ থেকে বাংলাদেশি টাকা নিয়ে তা ডলারে কনভার্ট করে জুয়ায় অংশ গ্রহণের সুযোগ করে দিতো। মূলত তাদের আন্তজাতিক একাউন্টের মাধ্যমে সাধারণ জুয়াড়িরা টাকা বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছে। আর বাকি দু’জন হলো জুয়ার স্পটের মালিক।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের-সিএমপি দক্ষিণ জোনের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে আমাদের কাছে খবর আসছিলো অন লাইনে জুয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। সে অনুযায়ী অনুসন্ধানে নামে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম। প্রথমে তামাকুন্ডি লেইনের জুয়াড়িদের আটক করা হয়।

পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আটক করা হয়েছে দলের বাকি সদস্যদের। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের কেউ’ই কিন্তু জুয়ায় টাকা বিনিয়োগ করে জিততে পারেনি। তাতে বুঝা যায় টাকাগুলো বিদেশ চলে যাচ্ছে। আরেকটি বিষয় হলো এই বিট থ্রি সিক্সটি ফাইভ ওয়েব সাইটটি নিয়ন্ত্রন হচ্ছে দেশের বাইর থেকে।’

আটককৃতের তথ্য এবং পুলিশের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসছে, গত এক বছর ধরেই চলছে বিট থ্রি সিক্সটি ফাইভের মাধ্যমে জুয়া খেলা। আর গত ৩ মাসে অন্তত দু’শ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে এই সাইটে। বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই জুয়া নিয়ন্ত্রন হলেও চট্টগ্রামের জুয়ারীরা তৃতীয় এবং চতুর্থ পাটি হিসাবেই পরিচিত ছিলো।

আটক ইমান আলী মিঠু জানান, তারা সরাসরি এই জুয়ায় অংশ নিতেন পারেন না। অন্যজনের একাউন্ট দিয়ে তাদের জুয়া খেলতে হয়। তবে এক জুয়াড়ি স্বীকার করেছে, গত এক বছরে তার অন্তত এক কোটি ক্ষতি হয়েছে এই জুয়ায়।

জুয়াড়িদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত মোবাইলে হিসাব দেখে অনেকটা বিস্মিত পুলিশ প্রশাসন।

কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য রয়েছে এসব একাউন্টে। অধিকাংশ জুয়ারীই এখানে টাকা হারিয়েছে। এমনকি কোটি টাকা হারানোর নজির রয়েছে। গত কয়েকমাস আগে জুয়া হেরে আত্মহত্যা করেছেন হাজারী গলির এক যুবক।

কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘এসব জুয়ারীরা বুঝে না বুঝে এর সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে। অন লাইনের এই জুয়া খেলে লাভবান হয়েছে এমন কোনো নজির নেই।’

পুলিশ জানায়, ভারতের আইপিএল, বাংলাদেশের বিপিএলের পাশাপাশি অষ্ট্রেলিয়ার বিগব্যাশ নিয়েও জুয়া খেলেছে তারা। মূলত টেলিভিশনে লাইভ দেখানো ফুটবল এবং ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে চলে এসব জুয়া। নগরীর অন্তত ১০টি পয়েন্ট রয়েছে যেখানে নিয়মিত অন লাইনে এধরণের জুয়া খেলা চলছে। বিভিন্ন চাকরিসহ ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্তরা লোভের বশীভূত হয়ে এই জুয়া খেলা জড়িয়ে পড়ছে।

অভিযানে অংশ নেয়া কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক সঞ্জয় কুমার দাশ জানান, জুয়াড়িরা বিট থ্রি সিক্সটি ফাইভ ওয়েব সাইটের পাশাপাশি টাকা বিনিময়ের জন্য আরো কয়েকটি অ্যাপস এবং সফটওয়্যার ব্যবহার করছে।

 

Feb2
Feb2

লালদিয়া টার্মিনাল হবে বৈশ্বিক লজিস্টিকস হাব : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 30 August, 2026, 3:25 pm
লালদিয়া টার্মিনাল হবে বৈশ্বিক লজিস্টিকস হাব : অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালকে ঘিরে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক লজিস্টিকস ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, লালদিয়া টার্মিনাল শুধু চীনের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের জন্য একটি কার্যকর প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আধুনিক বন্দর অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোববার (৩০ আগস্ট) বেলা ১১টায় পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন (গ্রাউন্ড ব্রেকিং) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, লালদিয়া টার্মিনাল প্রকল্প একটি উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ। একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলতে হলে বিশ্বের সেরা লজিস্টিকস প্রতিষ্ঠান, আধুনিক বাণিজ্যিক অবকাঠামো, উন্নত বন্দর ও আধুনিক শহর প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে লালদিয়া টার্মিনালের মতো প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বন্দর ও বাণিজ্য খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এই বাণিজ্য খাতকে ঘিরে পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও অনেকাংশে বন্দরের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর লক্ষ্য এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে নেতৃত্বের ভূমিকায় আনতে হবে। সরকারের দায়িত্ব হবে প্রয়োজনীয় নীতি, সহায়তা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালও এ অংশীদারত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। সরকার ধীরে ধীরে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করছে।

লালদিয়া টার্মিনাল দ্রুত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আমির খসরু বলেন, প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সহযোগিতা সময়মতো নিশ্চিত করতে হবে। সরকার এ বিষয়ে সহযোগিতাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে যারা সরাসরি যুক্ত থাকবেন, তাদের কল্যাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও খেয়াল রাখতে হবে। কর্মী, প্রতিবেশী ও সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা সবার দায়িত্ব।

বন্দরকে দেশের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমুদ্রবন্দর ও বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়েই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

আমির খসরু বলেন, সরকার বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস হাবে পরিণত করতে চায়। এটি শুধু চীনের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের জন্য প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে শুধু লজিস্টিকস হাব হিসেবে নয়, একটি কার্যকর ও উন্মুক্ত বাজার হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 30 August, 2026, 12:07 pm
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ : অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ডেলিভারিতে আমরা যে পাইলট প্রজেক্টটি করেছি, তাতে ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি বা ভুল হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য এবং এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। এখানে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় বা দলীয় পক্ষপাতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়নি, ভবিষ্যতেও করা হবে না।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত বাংলাদেশে ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, একটি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হলে সঠিক উপায়ে এবং দক্ষতার সঙ্গে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমাদের দেশে বিতরণের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষতি বা অপচয় হয়ে থাকে। এটি মূলত দুর্নীতির মাধ্যমে, অপচয়ের মাধ্যমে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে হয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিটি কাজে আমরা সরকার, বেসরকারি খাত এবং বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওগুলোর মধ্যে একটি অংশীদারত্ব গড়ে তুলছি। এটি শুধু বন্যা পরবর্তী বা বন্যা পুনর্বাসনের কাজ নয়, আমরা একটি সৃজনশীল অর্থনীতি বা নতুন অর্থনৈতিক মডেল চালু করেছি; সেখানেও সরকার, ব্যক্তিখাত ও এনজিওগুলোর একটি যৌথ অংশীদারত্ব রয়েছে এবং সবাই মিলে যৌথভাবে আমরা এই কাজগুলো পরিচালনা করছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রথম সারির সাড়া প্রদানকারী বা প্রাথমিক সাহায্যকারী হিসেবে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে থাকে। কিন্তু এর পরের যে কাজগুলো থাকে- যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, প্রতিবন্ধীদের সহায়তা কিংবা অন্যান্য পুনর্বাসন। সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সমাজের বিভিন্ন স্তরে যাদের কাজের পরিধি রয়েছে, সেই এনজিও ও বেসরকারি খাতকে যুক্ত করা হচ্ছে। সরকারের সম্পদ পুনর্বণ্টন এবং তাদের সম্পদ সংযোগের মাধ্যমে সার্বিক পুনর্বাসনের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের পক্ষে সবসময় একা সবকিছু সঠিকভাবে বিতরণ করা একটি বড় সমস্যা। এতে দুর্নীতি ও অপচয় হয়। কিন্তু ডেলিভারি ব্যবস্থায় যখন আপনি বেসরকারি খাত ও এনজিওদের রাখবেন, তখন একদিকে যেমন কাজ দক্ষতার সঙ্গে হয়, অন্যদিকে অপচয় ও দুর্নীতি কমে যায় বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। আমি আনন্দিত যে, আজকের এই বন্যা পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত আমার জানা মতে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি। পত্র-পত্রিকায় বা কোথাও আমি এমন কোনো অভিযোগ দেখিনি।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিভিন্ন মাধ্যমের সাহায্যে এই দক্ষ ডেলিভারি সিস্টেম কাজ করছে। এটি তদারকি বা পাহারাদারের কাজ করছে, এর দক্ষতার জন্য কাজ করছে এবং সরকারের অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ করছে। আজকের এই উদ্যোগে ব্র্যাকসহ অন্যান্য সংস্থাও বিভিন্ন কাজ করছে। এই সম্মিলিত অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। সাধারণ মানুষের সঠিক পুনর্বাসন সম্পন্ন না হলে প্রকৃত সহায়তা হয় না, আর সেই কাজটিই তারা হাতে নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এসময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শপথ নিলেন আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 30 August, 2026, 11:02 am
শপথ নিলেন আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনি

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেলারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতি হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বিচারক মো. হাবিবুল গনিকে তার শপথ গ্রহণের তারিখ হতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগদান করেছেন। এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ হতে কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার নিয়োগের মধ্যে দিয়ে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ জন।