খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভালোবাসা হোক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আলোর আশা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
ভালোবাসা হোক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আলোর আশা

ভালোবাসা হোক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এই স্লোগানে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে দিনব্যাপী চট্টগ্রাম ডিসি হিলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয় সমাজের নানান অসংগতি ও সমাধান।

এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত স্কুল অব হিউম্যানিটি এন্ড এ্যানিমেশন তথা সোহা স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীবৃন্দ।

তারা অভিনয়, নৃত্য ও গানের মাধ্যমে সমাজের নানান সমস্যা ও সমাধান তুলে ধরে। সামাজিক পরিবর্তন সৃষ্টির আহ্বান জানায় তারা সমাজের সকল স্তরের মানুষদের।

এসময় সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি মুরাদ শামসুল আলম খাঁন বলেন, ভালোবাসা দিবসে সবাই যখন নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। ঠিক তখন আলোর আশা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কয়েকজন তরুণ-তরুণীরা ভালোবাসা ভাগ করে নিয়েছে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে এজন্য সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা জানাই যারা অতীতে ও বর্তমানে আমাদের সাথে ছিলেন।

মহৎ এই উদ্দ্যোগের কারণ জানতে চাইলে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সাল বলেন, ভালোবাসা দিবস নয় আমাদের মূলমন্ত্র গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করে সামাজিক সচেতনতা তৈরী করা। মানবতা, সুশিক্ষা সচেতনতা এই তিনটি বিষয়ের উপর কাজ করে আলোর আশা। যুব সমাজের পরিবর্তন না হলে কখনো আমাদের সমাজ পরিবর্তন হবে না। যুব সমাজের হাত ধরেই সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। এবং আজকের শিশু আগামী বাংলাদেশ আমরা যদি তাদের নৈতিকতা ও সুশিক্ষার আওতায় না আনতে পারি তাহলে এই শিশুদের ভবিষ্যত অন্ধকার ।

ফয়সাল বলেন, তাদের পাশাপাশি নিজেদের ও পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের সমাজে আমরা যে কোন কাজ আরম্ভ করি কিন্তু ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে শেষ করি না। যাহা অনুষ্ঠান করি তাহা বিশ্বাস করি না আমাদের এসব থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র কোন দিবস বা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয় বরং সারাবছর সমাজের অসহায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভালোবাসতে হবে তাদের জীবনের পরিবর্তনের লক্ষ্যে সমাজের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই আমরা সুন্দর এক বাংলাদেশ বিনির্মান করতে পারবো।

শিশুদের জন্য দুপুরের খাবার ও বিভিন্ন উপহারের ব্যবস্থা করেন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর ত্রাণ দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক কামরুন নাহার।

এদিকে এমন আয়োজনে উদ্বুদ্ধ হয়ে আগত দর্শকবৃন্দ শিশুদের গোলাপ ফুল ও চকলেট দিয়ে ভালোবাসা বিনিময় করেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আলোর আশার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিকুর রহমান ইমন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ কুতুব উল্লাহ শাহ-সোহেল, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক নওশাদ হাসান রাজু, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নওরীন নেওয়াজ। সংগঠনের শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফাহমিদা আক্তার, সাইমুন আক্তার, মুক্তা শিকদার ও রাশেদ উল্ল্যাহ সহ আরো অনেকে।

উপস্থিত সকলে বলেন বলেন, সবাই যখন তাদের আপনজনদের নিয়ে ভালোবাসা বিনিময় করে তখন আমরা আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভালোবাসা ভাগাভাগি করি। আজ আড়াই বছরে ওরা আমাদের পরিবারের সদস্য হয়ে গিয়েছে। ভালোবাসা প্রতিটি মানুষের অধিকার।সেই ভালোবাসা বঞ্চিত হয় এই শিশুরা ওরা ওদের মৌলিক অধিকার সম্পূর্ণ পায় না ঠিকভাবে।

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে তাই আমরা সমাজের সকল মহলকে বলি ভালোবাসা হোক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য। এজন্য আমরা চেয়েছি আজকের দিনটি সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও সোহা শিক্ষার্থীদের অমর করে রাখতে। আমরা বিশ্বাস করি গতানুগতিক দৃষ্টি ভঙ্গি পরিবর্তনের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তন সম্ভব।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…