খুঁজুন
, ,

ভালোবাসা হোক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আলোর আশা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 February, 2020, 9:07 pm
ভালোবাসা হোক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আলোর আশা

ভালোবাসা হোক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এই স্লোগানে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে দিনব্যাপী চট্টগ্রাম ডিসি হিলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয় সমাজের নানান অসংগতি ও সমাধান।

এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত স্কুল অব হিউম্যানিটি এন্ড এ্যানিমেশন তথা সোহা স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীবৃন্দ।

তারা অভিনয়, নৃত্য ও গানের মাধ্যমে সমাজের নানান সমস্যা ও সমাধান তুলে ধরে। সামাজিক পরিবর্তন সৃষ্টির আহ্বান জানায় তারা সমাজের সকল স্তরের মানুষদের।

এসময় সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি মুরাদ শামসুল আলম খাঁন বলেন, ভালোবাসা দিবসে সবাই যখন নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। ঠিক তখন আলোর আশা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কয়েকজন তরুণ-তরুণীরা ভালোবাসা ভাগ করে নিয়েছে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে এজন্য সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা জানাই যারা অতীতে ও বর্তমানে আমাদের সাথে ছিলেন।

মহৎ এই উদ্দ্যোগের কারণ জানতে চাইলে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সাল বলেন, ভালোবাসা দিবস নয় আমাদের মূলমন্ত্র গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করে সামাজিক সচেতনতা তৈরী করা। মানবতা, সুশিক্ষা সচেতনতা এই তিনটি বিষয়ের উপর কাজ করে আলোর আশা। যুব সমাজের পরিবর্তন না হলে কখনো আমাদের সমাজ পরিবর্তন হবে না। যুব সমাজের হাত ধরেই সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। এবং আজকের শিশু আগামী বাংলাদেশ আমরা যদি তাদের নৈতিকতা ও সুশিক্ষার আওতায় না আনতে পারি তাহলে এই শিশুদের ভবিষ্যত অন্ধকার ।

ফয়সাল বলেন, তাদের পাশাপাশি নিজেদের ও পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের সমাজে আমরা যে কোন কাজ আরম্ভ করি কিন্তু ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে শেষ করি না। যাহা অনুষ্ঠান করি তাহা বিশ্বাস করি না আমাদের এসব থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র কোন দিবস বা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয় বরং সারাবছর সমাজের অসহায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভালোবাসতে হবে তাদের জীবনের পরিবর্তনের লক্ষ্যে সমাজের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই আমরা সুন্দর এক বাংলাদেশ বিনির্মান করতে পারবো।

শিশুদের জন্য দুপুরের খাবার ও বিভিন্ন উপহারের ব্যবস্থা করেন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর ত্রাণ দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক কামরুন নাহার।

এদিকে এমন আয়োজনে উদ্বুদ্ধ হয়ে আগত দর্শকবৃন্দ শিশুদের গোলাপ ফুল ও চকলেট দিয়ে ভালোবাসা বিনিময় করেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আলোর আশার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিকুর রহমান ইমন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ কুতুব উল্লাহ শাহ-সোহেল, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক নওশাদ হাসান রাজু, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নওরীন নেওয়াজ। সংগঠনের শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফাহমিদা আক্তার, সাইমুন আক্তার, মুক্তা শিকদার ও রাশেদ উল্ল্যাহ সহ আরো অনেকে।

উপস্থিত সকলে বলেন বলেন, সবাই যখন তাদের আপনজনদের নিয়ে ভালোবাসা বিনিময় করে তখন আমরা আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভালোবাসা ভাগাভাগি করি। আজ আড়াই বছরে ওরা আমাদের পরিবারের সদস্য হয়ে গিয়েছে। ভালোবাসা প্রতিটি মানুষের অধিকার।সেই ভালোবাসা বঞ্চিত হয় এই শিশুরা ওরা ওদের মৌলিক অধিকার সম্পূর্ণ পায় না ঠিকভাবে।

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে তাই আমরা সমাজের সকল মহলকে বলি ভালোবাসা হোক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য। এজন্য আমরা চেয়েছি আজকের দিনটি সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও সোহা শিক্ষার্থীদের অমর করে রাখতে। আমরা বিশ্বাস করি গতানুগতিক দৃষ্টি ভঙ্গি পরিবর্তনের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তন সম্ভব।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 10:25 am
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।