খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে বয়লার বিস্ফোরণে নিহত ১,দুই শিশুসহ আহত ৯

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে বয়লার বিস্ফোরণে নিহত ১,দুই শিশুসহ আহত ৯

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে একটি রাইস মিলের বয়লার বিস্ফোরণে সলেমান আলী (৪০) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই শিশু ও সাত শ্রমিকসহ আহত হয়েছেন আরো নয় জন।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানার রাজাগাঁও ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজার এলাকার রুহুল আমিন হাস্কিং মিলে বিষ্ফোরনের এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সলেমান আলী ওই এলাকার মৃত আব্বাস
আলীর ছেলে। আহতরা হলেন, মিল মালিক রুহুল আমিন (৬০) ও তার ছেলে জহুরুল ইসলাম (৪০), লাকী আক্তার (৪০) ও তার মেয়ে আরফিনা আক্তার (১৩), মমতাজ রহমান (৫০), বাদল (২৮), তুলসি (২৭), খলিল (৪৫), আরিফ (১০)। আহত ব্যক্তিরা ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতাল চিকিৎসাধীন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শ্রমিকদের বরাত দিয়ে রাজাগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশারুল ইসলাম সরকার জানান, চৌরঙ্গী এলাকার রুহুল আমিনের হাস্কিং মিলে ৯ জন শ্রমিক ধান সেদ্ধ করছিলেন। ওই সময় সলেমান মিলের চুলায় তুষ ছিটিয়ে আগুন ধরাচ্ছিলে। আকস্মিকভাবে ওই মিলের বয়লার বিস্ফোরণ হলে ঘটনাস্থলেই সলেমান মারা যান। আহত হয় এক শিশুসহ ৯ শ্রমিক।

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক লিটন সরকার বলেন, আহতদের চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন শিশুর শরীরের কিছু অংশ গরম পানিতে ঝলসে গেছে।

আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে ঠাকুরগাঁও আধুনক সদর হাসপাতালে দেখতে যান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অরুনাংশু দত্ত টিটো, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব সভাপতি মনসুর আলী।

ইউএনও আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ইতোমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহতদের সুচিকিৎিসা এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা করার সিদ্ধান নেওয়া হয়েছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…