খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চসিক নির্বাচনে বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
চসিক নির্বাচনে বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি।

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দলটি।

কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন পেলেন যারা :
১ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড: সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, ১নং ওয়ার্ড বিএনপি

২নং ওয়ার্ড জালালাবাদ: মো. ইয়াকুব, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, মহানগর বিএনপি।

৩নং ওয়ার্ড পাঁচলাইশ : মো. ইলিয়াছ, সভাপতি, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড বিএনপি।

৪নং ওয়ার্ড চান্দগাঁও: মাহাবুবল আলম, সহ-সভাপতি, মহানগর বিএনপি

৫নং ওয়ার্ড মোহরা : মো. আজম, সভাপতি চান্দগাঁও থানা বিএনপি।

৬নং ওয়ার্ড পূর্ব ষোলশহর: মো. হাসান লিটন, সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড বিএনপি

৭নং ওয়ার্ড পশ্চিম ষোলশহর : মো. ইসকান্দর মির্জা, যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর বিএনপি

৮নং ওয়ার্ড শুলকবহর: হাসান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড বিএনপি

৯নং ওয়ার্ড উত্তর পাহাড়তলী: আব্দুস সাত্তার সেলিম, সভাপতি, আকবরশাহ থানা বিএনপি

১০ নং ওয়ার্ড উত্তর কাট্টলী : মো. রফিক উদ্দীন চৌধুরী, সভাপতি, ওয়ার্ড বিএনপি

১১ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ কাট্টলী: মো. সোহরাব হোসেন চৌধুরী, সাবেক সভাপতি, ওয়ার্ড ছাত্রদল

১২ নং ওয়ার্ড সরাইপাড়া: সামশুল আলম, সহ-সভাপতি, মহানগর বিএনপি

১৩ নং ওয়ার্ড পাহাড়তলী: জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর বিএনপি

১৪ নং ওয়ার্ড লালখান বাজার: আবদুল হালিম (শাহ আলম), যুগ্ম সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি

১৫ নং ওয়ার্ড বাগমনিরাম: চৌধুরী সাইফুদ্দিন রাশেদ চৌধুরী, সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি

১৬ নং ওয়ার্ড চকবাজার: এ.কে.এম সালাউদ্দিন কাউসার লাবু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মহানগর বিএনপি

১৭ নং ওয়ার্ড পশ্চিম বাকলিয়া: একেএম আরিফুল ইসলাম, সদস্য, ওয়ার্ড বিএনপি

১৮ নং ওয়ার্ড পূর্ব বাকলিয়া: আলহাজ্ব মো. মহিউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক ওয়ার্ড বিএনপি

১৯ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বাকলিয়া: ইয়াছিন চৌধুরী আছু, সহ-সাধারণ সম্পাদক, মহানগর বিএনপি

২০ নং ওয়ার্ড দেওয়ান বাজার: হাফিজুল ইসলাম মজুমদার মিলন, সহ-সভাপতি, ওয়ার্ড বিএনপি

২১ নং ওয়ার্ড জামালখান: আবু মোহাম্মদ মহসিন চৌধুরী, সাবেক পরিবার সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি

২২ নং এনায়েত বাজার: এম এ মালেক, সদস্য, মহানগর বিএনপি

২৩ নং উত্তর পাঠানটুলী: মোহাম্মদ মহসীন, আহবায়ক, ওয়ার্ড বিএনপি

২৪ নং ওয়ার্ড উত্তর আগ্রাবাদ: এস এম ফরিদুল আলম, আহবায়ক, ওয়ার্ড বিএনপি

২৫ নং ওয়ার্ড রামপুর: শহীদ মোহাম্মদ চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি

২৬ নং ওয়ার্ড উত্তর হালিশহর: মোহাম্মদ আবুল হাশেম, যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর বিএনপি।

২৭ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ আগ্রাবাদ: মোহাম্মদ সেফায়াত, সভাপতি, ডবলমুরিং থানা বিএনপি

২৮ নং ওয়ার্ড পাঠানটুলী : এস এম জামাল উদ্দীন জসিম, সভাপতি, ওয়ার্ড বিএনপি

২৯ নং ওয়ার্ড পশ্চিম মাদারবাড়ি: মো. সালাহ উদ্দিন, সভাপতি, সদরঘাট থানা বিএনপি

৩০ নং ওয়ার্ড পূর্ব মাদারবাড়ি: হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, সদরঘাট থানা বিএনপি

৩১ নং ওয়ার্ড আলকরন: দিদারুর রহমান লাভু, সভাপতি, ওয়ার্ড বিএনপি

৩২ নং ওয়ার্ড আন্দরকিল্লা: সৈয়দ আবুল বসর, সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড বিএনপি

৩৩নং ওয়ার্ড ফিরিঙ্গী বাজার : আকতার খাঁন, সভাপতি, ওয়ার্ড বিএনপিৎ

৩৪ নং পাথরঘাটা: ইসমাইল বালি, আহবায়ক, ওয়ার্ড বিএনপি

৩৫ নং ওয়ার্ড বক্সিরহাট:এড তারিক আহমদ, উপদেষ্টা, মহানগর বিএনপি

৩৬ নং ওয়ার্ড গোসাইলডাঙ্গা: মো. হারুন (ডক) সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, বন্দর থানা বিএনপি

৩৭ নং ওয়ার্ড উত্তর মধ্যম হালিশহর: মো. ওসমান, সাংগঠনিক সম্পাদক, বন্দর থানা বিএনপি

৩৮ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর: হানিফ সওদাগর, সভাপতি, বন্দর থানা বিএনপি

৩৯ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ হালিশহর: সরফরাজ কাদের, সভাপতি, বন্দর থানা বিএনপি

৪০ নং ওয়ার্ড উত্তর পতেঙ্গা: মো. হারুন, সভাপতি, ওয়ার্ড বিএনপি

৪১ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পতেঙ্গা মো: নুরুল আফছার (সভাপতি, পতেঙ্গা থানা বিএনপি)।

সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মনোনীত যারা

১,২,৩ ওয়ার্ড রোকসানা বেগম (সহ প্রচার সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দল)।

৪,৫,৬ ওয়ার্ড শাহেনেওয়াজ চৌধুরী মিনু (সভাপতি, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা শ্রমিকদল)।

৭,৮ ওয়ার্ড জিন্নাতুন নেছা জিনু (সাধারণ সম্পাদক, পাঁচলাইশ থানা মহিলা দল)।

৯,১০,১৩ ওয়ার্ড সকিনা বেগম (সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দল)।

১৪,১৫,২১ মনোয়ারা বেগম মনি (সভানেত্রী, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দল)।

১৭,১৮,১৯ মাহমুদা সুলতানা ঝর্ণা (সভাপতি, ১৭ ওয়ার্ড মহিলা দল)।

১৬, ২০, ৩২ এডভোকেট পারভীন আক্তার চৌধুরী (সমাজ কল্যান সম্পাদক, নগর বিএনপি)।

২২,৩০,৩১ আরজুন নাহার মান্না (যুগ্ম সম্পাদক, নগর মহিলা দল)।

১২,২৩,২৪ খালেদা বোরহান (সহ-সভাপতি, নগর মহিলা দল)।

১১,২৫,২৬ জেসমিনা খানম (সহ-সভাপতি, নগর মহিলা দল)।

২৮,২৯,৩৬ কামরুন নাহার লিজা (সাংগঠনিক সম্পাদক, নগর মহিলা দল)।

২৭,৩৭,৩৮ সাহিদা খানম (সহ-সভাপতি, নগর মহিলা দল)।

৩৩,৩৪,৩৫ মনোয়ারা বেগম (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, নগর মহিলা দল)।

৩৯,৪০,৪১ জাহিদা হোসেন (মহিলা দলনেত্রী)।

 

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।