খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাঠ পাচারের নিরাপদ রোড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২০, ৯:০০ অপরাহ্ণ
কাঠ পাচারের নিরাপদ রোড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশ

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। কামরুল ইসলাম দুলু, সীতাকুণ্ড : সরকারী বিভিন্ন জাতের কাঠ পাচারের নিরাপদ রোড ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশ। প্রতিদিন কোটি টাকার বিভিন্ন জাতের সরকারী কাঠ চট্টগ্রাম থেকে কাভার্ডভ্যানে করে পাচার হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।

চট্টগ্রামের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ফটিকছড়ি, রাঙ্গামাটি ও রাঙ্গুনিয়া থেকে কাঠ পাচার হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশ দিয়ে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। গত ৬ মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশ দিয়ে পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়েছে ৪০ লক্ষ টাকার সেগুন ও গামারী কাট। সেই কাঠের পরিমাণ হচ্ছে দুই হাজার আটশত ঘনফুট। গোপন সংবাদের সূত্রে বন কর্মকর্তারা যেগুলো পান শুধুমাত্র সেগুলোই আটক করতে সক্রম হয়।

সীতাকুণ্ড অংশে গত ৬ মাসে আটক হওয়া সেগুন ও গামারী কাঠের মধ্যে ১৬ সেপ্টেম্বর ২৪.৫৩ ঘনফুট, ২৫ সেপ্টেম্বর ২৪.৮২ ঘনফুট, ২৭ সেপ্টেম্বর ৬.৬৮.৫৮ ঘনফুট, ১০ অক্টোবর দরজা পাল্লা ১৪ পিস, ৬ নভেম্বর চৌকাট ৪৮ পিস, ১ডিসেম্বর ফার্নিচার ৮ আইটেম, ১০ ডিসেম্বর ফার্নিচার ৪ আইটেম, ২২ ডিসেম্বর ৫৯১.২৬ ঘনফুট, ৮ জানুয়ারী ২২.৫১ ঘনফুট, ১২ জানুয়ারী ১০৪.৬৯ ঘনফুট, ১৬ জানুয়ারী ১৭২.৭৮ ঘনফুট, ২২ জানুয়ারী ১৪৭.০৯ ঘনফুট, ৮ফেব্রুয়ারি ২২০.৯৫ ঘনফুট, এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি ৫৮২.৭৯ ঘনফুট সেগুন ও গামারী কাঠ আটক করা হয়।

এছাড়া আটক করা হয় ১১ টি কাভার্ডভ্যান গাড়ী। মামলা দায়ের করা হয় ১৪ টি। কাঠ পাচারের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন করছে কাঠ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতিসহ দলীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি বলে স্থানীয় নানা সুত্র জানা যায়।

এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিদিনই কোটি কোটি টাকার সরকারী কাঠ পচার হয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গাতে। ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থেকে যাচ্ছে এসব পাচারকারীরা।

এ ব্যাপারে ফৌজদারহাট বিট-কাম-চেক ষ্টেশনের ষ্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন আহমেদ ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, গত ৬ মাসে গোপন সংবাদের সূত্রে আমরা দুই হাজার ৮শত ঘনফুট সেগুন ও গামারী কাঠ কাভার্ডভ্যানসহ আটক করতে সক্রম হয়। এতে বন আইনে ১৪ টি মামলা দায়ের হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…