খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যারা নির্বাচন করতে চেয়েছে তারা জনগণের সেবক হতে পারে না:শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২০, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
যারা নির্বাচন করতে চেয়েছে তারা জনগণের সেবক হতে পারে না:শাহাদাত

চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, জনগণকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রেখে যারা নির্বাচন করতে চেয়েছে তারা জনগণের সেবক হতে পারে না।

তিনি শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে নগরীর লালখান বাজার মোড়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাধারন মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরনের সময় এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, চসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ছাড়া অন্য সব মেয়র প্রার্থীরা জনগণকে করোনা থেকে মুক্ত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে। আওয়ামীলীগ প্রার্থী বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে জনসমাবেশ করে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছে। তিনি গণসংযোগের মাধ্যমে জনগণকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে নিয়ে যাচ্ছে। যারা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা না করে যে কোন প্রকারে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখে তারা জনগণের সেবক হতে পারে না।

তিনি বলেন, সাধারন মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে নির্বাচন স্থগিত করার জন্য আমরা আগে থেকে দাবি জানিয়ে আসছিলাম। কিন্তু ইসি তাতে কর্ণপাত করে নাই। ঢাকা উপনির্বাচনে ভোটারের অনুপস্থিতির কারণে নির্বাচন কমিশন হতবাক হয়ে যায়। যার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের নির্বাচন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম এখন করোণা ভাইরাসের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে। অথচ চট্টগ্রামের ৭০-৮০ লক্ষ মানুষকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রেখে তারা নির্বাচনের নামে তামাশা করতে চেয়েছিল। আমরা চট্টগ্রামবাসীর দুঃখ-দুর্দশা, তাদের নিরাপত্তা ও নিরাপদ একটি শহরের জন্য আমরা জনগণের দল হিসেবে জনগণের পাশে আছি এবং থাকবো। জনগণের স্বাস্থকে ঝুঁকিমুক্ত রাখায় আমাদের কাছে মূখ্য।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার বিনা কারণে জেলে বন্দি করে রেখেছে। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও জেলে বন্দি হয়ে আছে। জেলখানায় ধারন ক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দি রয়েছে। যারা জেলে বন্দি আছে তারা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি খুবই বেশি। তাই বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল। আমরা জনগণের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে নির্বাচন স্থগিত করার কথা বলেছি। কিন্তু আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী বিএনপি হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচন স্থগিত করতে চান বলে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ জনগণকে ভয় পায়। তারা ভোটারশুণ্য নির্বাচনে জনগণকে বাদ দিয়ে ভোট ডাকাতি করে তাড়াতাড়ি মেয়রের চেয়ারে বসতে চেয়েছিল। আমরা চাই জনগণ ভোটকেন্দ্রে আসুক। জনগণের ভোট নিয়ে আমরা মেয়র হতে চাই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ ভিপি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, লালখান বাজার ওর্য়াড কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল হালিম শাহ আলম, গাজী সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ জামাল, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী মনোয়ারা বেগম মনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম স্বপন, সহ স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক আরিফ মেহেদি, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের কারামুক্ত সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, সদস্য ইউসুফ আলী, লালখান বাজার ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি এ্যাডঃ আবুল কাশেম মজুমদার, সাধারন সম্পাদক নাসিম আহমেদ, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জিয়াউর রহমান জিয়া, জমির উদ্দিন নাহিদ, হেলাল হোসেন, আব্বাস উদ্দিন, নুরুল ইসলাম, এ্যাডঃ মো. লিটন, নুর হোসেন উজ্জ্বল, মোস্তফা কামাল, বেলাল হোসেন, নাসির উদ্দিন প্রমুখ

 

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।