খুঁজুন
, ,

করোনায় বিভিন্ন দেশে ৯২ রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 5 April, 2020, 1:35 am
করোনায় বিভিন্ন দেশে ৯২ রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু

করোনাভাইরাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯২ মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রেই মারা গেছেন ৬৩ জন। এ ছাড়া দেশটিতে আরও ২০০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের বেশির ভাগই নিউইয়র্কের বাসিন্দা।

যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি মারা গেছে যুক্তরাজ্যে। নতুন করে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ফলে সেখানে বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

এ ছাড়া সৌদি আরবে ও ইতালিতে ৩ জন, কাতারে ৩ এবং স্পেন, সুইডেন, লিবিয়া ও গাম্বিয়ায় একজন করে বাংলাদেশি মারা গেছেন।

সিঙ্গাপুরে গতকাল একদিনে ২৬ বাংলাদেশি আক্রান্তের খবর গেছে।

এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মৃত্যুবরণ করা বাংলাদেশিদের জন্য রাষ্ট্রীয় শোক প্রস্তাব জানানোর দাবি জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু)। করোনায় মারা যাওয়াদের জন্য ১২ এপ্রিল দেশে এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা সকাল ৯টায় (যার যার সময়) ১ মিনিট নীরবতা পালন করার প্রস্তাব দিয়েছে রামরু। সেই সঙ্গে তাদের জন্য ঋণ তহবিল গঠনেরও সুপারিশ করা হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে। গতকাল এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ ছাড়াও কিছু সুপারিশ উত্থাপন করেন রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকী।

রামরুর অন্যান্য সুপারিশের মধ্যে আছে- অভিবাসনের দেশে সুরক্ষা, অভিবাসীদের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখা, বায়রা এবং রিক্রুটিং এজেন্সির ভূমিকা রাখা, ফেরত আসা অভিবাসীর ম্যাপিং ও রিটার্নি ডাটাবেজ তৈরি করা, রেমিট্যান্সের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রেমিট্যান্স প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা সচল রাখা, সরকারি বিনিয়োগ, বিদেশ প্রত্যাগত অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করা।

রামরুর লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অভিবাসীরা আশা করছেন করোনাভাইরাসে যারা মারা গেছেন তাদের অবদান তুলে ধরে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে শোক প্রকাশ করবে। দেশের অভ্যন্তরে রপ্তানিমুখী শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের মজুরি দেওয়ার জন্য সরকারের ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন প্রশংসনীয় বলেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মহীন অভিবাসীদের পরিবারের জন্য বিনা সুদে ঋণ ও ক্ষেত্রবিশেষে অনুদানের জন্য তহবিল গঠনের দাবি জানায় রামরু। এতে বলা হয়, করোনা সংক্রমণের উৎস হিসেবে মূলত অভিবাসীদেরই চিহ্নিত করা হচ্ছে।

অন্যান্য জনগোষ্ঠী যেমন ব্যবসায়ী, পর্যটক, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত যাত্রীদের বিষয়টি তেমন গুরুত্ব পায়নি। অনেক ক্ষেত্রে তারাও কোয়ারেন্টাইনে আসেননি কিন্তু তা নিয়ে তেমন তোলপাড় হয়নি।

রেমিট্যান্স পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম ৩ মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে ১২ শতাংশ। সামনে তা আরও কমবে। রেমিট্যান্স প্রবাহে নিম্নগতি জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার পাশাপাশি রেমিট্যান্সনির্ভর পরিবারগুলোতে দেখা দেবে ক্রান্তিকালীন দারিদ্র্য। এসব পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস স্থানীয় বাজারের ওপর প্রভাব ফেলবে।

তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, দীর্ঘমেয়াদে করোনাভাইরাসের সব ফলাফলই কিন্তু নেতিবাচক হবে না। করোনাভাইরাসের কারণে পরবর্তীতে কিছু নতুন কাজেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে। জার্মানি মেডিকেল স্টাফের স্বল্পতা মেটাতে অভিবাসী ও শরণার্থীদের ব্যবহার করছে। আমেরিকা, জাপান, কানাডা এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ তাদের মেডিকেল সামগ্রী, ডাক্তার, নার্স, মাইক্রোবায়োলজিস্ট, বায়োকেমিস্ট এবং ল্যাব টেকনেশিয়ানের ঘাটতির কথা উল্লেখ করছে। এসব ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে অভিবাসনের সুযোগ তৈরি করবে।

Feb2
Feb2

মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 7:42 pm
মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত

দপ্তরে মাইজভাণ্ডারী আশেকান সোসাইটির উদ্যোগে শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট মোড় মিউনিসিপ্যাল স্কুল হতে পবিত্র মহান ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা ও জশনে জুলুস বের করা হয়। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‌্যালীটি পূনরায় স্কুল মাঠে ফিরে যায়।

৩০তম আওলাদে রাসুল (দ.), শাহসুফি সৈয়দ ওসমান কাদের মাইজভাণ্ডারী (মাঃ) এর সদারতে, শাহজাদা সৈয়দ মারুফ বিন কাদের মাইজভাণ্ডারী (মাঃ)’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান মেহমান ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আহমদুল আলম চৌধুরী রাসেল, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির পরিচালক ইসরাফিল খসরু।

এডভোকেট মীর মুহাম্মদ ফেরদৌসুল আলমের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন খান, কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ জাহেদ, আব্দুল কুদ্দুস মাইজভাণ্ডারী, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, আল্লামা সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আল্লামা সৈয়দ জাফর সাদেক, মুফতি সালেহ সুফিয়ান ফরহাদাবাদী, সৈয়দ আবুল হাসেম, আল্লামা শহীদুল্লাহ চিশতি, সুমন মাহমুদ চৌধুরী, আল্লামা রবিউল প্রমুখ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মীর সোহাইব, নাসির ফকির, কবির ফকির, তারেক হায়দার, ইমরান হোসাইন বাপ্পি, মোক্তার হোসাইন, কবির, রবিন, সুমন, রাজু, আলভী, শাকিল, হান্নান, নজু ভান্ডারের আওলাদগন।

এতে অংশ নেন হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। সবশেষে বা’দ জুমা দেশ ও জাতির কল্যাণে আখেরী মোনাজাত দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 5:02 pm
চবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে ২০২৭ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার এস. এম. আকবর হোছাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৭ (শুক্রবার)। ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৩০ জানুয়ারি (শনিবার)। ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৫ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) এবং ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৬ ফেব্রুয়ারি (শনিবার)।

এ ছাড়া ‘বি১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩ ফেব্রুয়ারি (বুধবার), ‘বি২’ উপ-ইউনিটের ৪ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এবং ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভাগীয় শহরের একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

স্লিপার বাস বন্ধ হলে ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 4:57 pm
স্লিপার বাস বন্ধ হলে ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে

স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে পরিবহন খাতের প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতি। একইসঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ সদর দপ্তরে চেয়ারম্যান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবু।

তিনি বলেন, ২০১০ সাল থেকে দেশের মহাসড়কে স্লিপার বাস চলাচল করছে। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় এক হাজার স্লিপার বাস চলাচল করছে এবং এ খাতে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। চালক, হেলপার, সুপারভাইজারসহ প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এ খাতের সঙ্গে জড়িত।

তৌহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, দেশের পর্যটনকেন্দ্র ও দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটে যাত্রীরা আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের জন্য স্লিপার বাস ব্যবহার করছেন। মহাসড়কে স্লিপার বাসের দুর্ঘটনার হারও তুলনামূলক কম।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি সংঘবদ্ধ মহল ব্যবসায়িক স্বার্থে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে অভিযান পরিচালনা করাচ্ছে। অথচ এসব বাসের টিকিট বিক্রি, ভ্যাট-ট্যাক্স ও অন্যান্য খাত থেকে সরকার নিয়মিত রাজস্ব পাচ্ছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্লিপার বাসের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট বিচারাধীন রয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকেও স্লিপার বাসের নকশা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আদালতের রায় এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে হঠাৎ করে অভিযান চালিয়ে লাখ লাখ টাকা জরিমানা করা হচ্ছে, যা মালিকদের হয়রানির শামিল।

স্লিপার বাস বন্ধের পরিবর্তে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কোথাও কোনো ঘাটতি থাকলে সরকার গাইডলাইন দিক, আমরা তা মেনে চলব। কিন্তু হঠাৎ করে এই পরিবহনসেবা বন্ধ করে দিলে যাত্রীরা বিকল্প সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন, সরকার রাজস্ব হারাবে এবং হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বেন।

তিনি আরও দাবি করেন, স্লিপার বাসকে ‘ডাবল ডেকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা সঠিক নয়। এসব বাস একতলা কাঠামোর মধ্যেই বিশেষ নকশায় তৈরি করা হয়েছে এবং আকার-আকৃতিতেও অন্যান্য দূরপাল্লার বাসের সমতুল্য।

এ সময় মালিক সমিতির নেতারা সাংবাদিকদের স্লিপার বাসে ভ্রমণ করে এর নিরাপত্তা ও আরামদায়ক পরিবেশ সরেজমিনে দেখার আহ্বান জানান।