খুঁজুন
, ,

সাংসদ ফজলে করিমের পক্ষে দেড় হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 6 April, 2020, 1:58 pm
সাংসদ ফজলে করিমের পক্ষে দেড় হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি ::::চট্টগ্রামের রাউজানে পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের রাবার বাগান এলাকার মিনি স্টেডিয়ামে বিশাল মাঠজুড়ে তিন ফুট দুরত্ব রেখে গোলাকার বৃত্তে রাখা হয় দেড় হাজার খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট। প্যাকেটের নিচে একটি করে লিফলেট। যেখানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষায় এলাকার মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত লেখা।

রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মাঠের পশ্চিম প্রান্তে পুরুষ আর পূর্বপান্তে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সাঁড়িবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে স্ব স্ব অবস্থান থেকে যার যার থলেটি হাতে নিয়ে সাঁড়িবদ্ধভাবে একে একে মাঠ ত্যাগ করেন দেড় হাজার মানুষ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশের জনগণ নিজ নিজ বাসা-বাড়িতে অবস্থান করছে। এই অবস্থায় দেশের খেটে খাওয়া দিনমজুর ও হত দরিদ্র পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাউজানের সাংসদ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর পৃষ্ঠপোষকতায়, রাউজানের সাংসদপুত্র ফারাজ করিম চৌধুরীর উদ্যোগে রাউজান পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জমির পারভেজের ব্যাবস্থাপনায় এলাকার দুই হাজার হত দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদানের প্রথম ধাপে দেড় হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসিফের সঞ্চালনায় টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী।

এ সময় তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা এলাকায় ৩৫ হাজার পরিবারে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে রাউজানের প্রতিটি হত দরিদ্র, নিন্ম আয়ের মানুষ, খেটে খাওয়া লোকজনের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারসমূহের চাহিদামতো খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। এই সময়ে রাউজানে কোনো পরিবার অভুক্ত থাকবেনা। আমরা সব সময় জনগণের পাশে আছি।

খাদ্য সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবির সোহাগ, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি আব্দুল্লাহ আল ভুইয়া, রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল ওহাব, রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগ জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেফায়েত উল্লাহ , উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সহ সভাপতি ইরফান আহমদ চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জসিম উদ্দীন চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. মুসা আলম খান, পৌর যুবলীগের সভাপতি জিয়াউল হক রোকন, জিয়াউল হক মামুন, শোয়েব খান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জিল্লুর রহমান মাসুদ, সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজানের সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মোঃ সেলিম, মোঃ আসিফ, , সবুজ দে ভানু, তানভির চৌধুরী, সাবের হোসেন, নাসির উদ্দীন, মনির তালুকদার, নাসির উদ্দীন প্রমুখ।

সাংসদ ফজলের করিম চৌধুরীর খাদ্য সহায়তা পেয়ে খুশিতে আপ্লুত মোঃ রফিক। এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ভ্যান গাড়ি চালিয়ে কোনোরকমে সংসার চালাই। বর্তমানে করোনা রোগের কারণে অলস সময় পার করছি। ইনকাম নেই তাই সংসারে তিনবেলা খাবারের যোগান নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। আজকে এলাকার এমপি আমাদেরকে যে খাদ্য সহায়তা দিলেন তাতে করে নিজেদের দুশ্চিন্তা দূর হলো।

উল্লেখ্য সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরীর পৃষ্টপোষকতায়, সাংসদপুত্র ফারাজ করিম চৌধুরীর উদ্যোগে রাউজানের প্রত্যন্ত এলাকার গরীব, দুঃস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে প্রতিদিন খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন রাউজানের জনপ্রতিনিধিগণ।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।