খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো টেলিমেডিসিন সেবা দিয়ে সাড়া ফেলেছেন ডা: শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো টেলিমেডিসিন সেবা দিয়ে সাড়া ফেলেছেন ডা: শাহাদাত

ডা: শাহাদাত হোসেন

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ :::: সারা বিশ্বে মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কঠিন মুহুর্তে দেশের অনেক ডাক্তার যখন চিকিৎসা সেবা প্রদানে অনিহা দেখাচ্ছেন আবার অনেক ডাক্তার সেবা দিতে গিয়ে মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছেন। এই অচলাবস্থায় যাতে কোনো রোগী চিকিৎসা বঞ্চিত না হয় সেজন্য এমন সময়ে মোবাইলে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি ও চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা: শাহাদাত হোসেন।

দিনভর প্রিয় শহরের প্রাণপ্রিয় নগরবাসির সেবায় নেতা হিসেবে অসহায় দুঃস্থ দিনমজুরের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত দু ঘন্টা ফিরছে চিকিৎসকের পেশায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের পেইজে প্রতিদিন দুই ঘণ্টা লাইভে থেকে জরুরি চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন ডা: শাহাদাত হোসেন।

স্বাস্থ্যগত যেকোন সমস্যা নিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ তার ফেসবুক লাইভে যুক্ত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি পরামর্শ গ্রহণ করছে। চট্টগ্রামের গন্ডি পেরিয়ে দেশ এবং দেশের বাইরে অবস্থান করা প্রবাসীরাও এই টেলি মেডিসিনের সেবা নিচ্ছেন। দেশের বাইরে দুবাই, সৌদি আরব, ওমান,কাতার,সিঙ্গাপুর,যুক্তরাজ্য,যুক্তরাষ্ট্র,স্পেন,মালয়েশিয়া, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাড থেকে প্রবাসীরা ফোনে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন।

প্রতিদিন ডা: শাহাদাতের ফেসবুক লাইভের ভিউ ছাড়িয়ে যায় লাখ থেকে কয়েক লাখ।

জানা গেছে গত ৪ এপ্রিল ফেসবুক ভেরিফাইড পেইজে তিনি চিকিৎসা সেবার ঘোষণা দিয়ে তিনি নগরবাসীর উদ্দ্যেশে একটি পোস্ট করেন।

নিচে তার পোস্টটি হুবুহু তুলে ধরা হলো:

প্রিয় নগরবাসী সালাম/আদাব নিবেন।

লকডাউনের এই সময়ে অনেকে অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যাই ভুগছেন কিন্তু সব কিছু বন্ধ থাকায় ডাক্তারের কাছেও যেতে পারছেন না বা পরার্মশ নিতে পারছেন না, আমারও অনেক রোগী আছে যারা আমাকে নিয়মিত ফোন দিচ্ছে।

“সেবাই পরম ধর্ম”
অন্যসব সময়ের মতো এই দুঃসময়েও আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের সেবাই নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।

আমি প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭.৩০-৯.৩০ পর্যন্ত লাইভে থাকবো, আপনারা আপনাদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কথা আমার সাথে শেয়ার করতে পারেন, আমি সর্বাত্নক চেষ্টা করবো আপনাদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে।

সবাই সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন, ধন্যবাদ।

তাছাড়া করোনা পরিস্থিতিতে গৃহবন্দি সাধারণ নগরবাসীকে ঘরে ঘরে চিকিৎসা সেবা ও জরুরি পরামর্শ দিতে ডা. শাহাদাতের উদ্যোগে বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠন করা হয় একটি মেডিকেল টিম।

যেখানে সিনিয়র জুনিয়র মিলে ৭ জন চিকিৎসক অনলাইনে বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসা ও পরামর্শ দিচ্ছেন।

ফেসবুক পেইজে মেসেজ পাঠালে ডাক্তাররা তার উত্তর দিচ্ছেন। সব ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যায় আলোচনা করা যাবে এই প্লাটফর্মে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সাথে। গুরুতর কোন কিছু হলে ফোন করে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে ডা. শাহাদাত ছাড়াও তার মেডিকেল টিমের সকল সকল চিকিৎসকের ফোন নাম্বার দেওয়া হয়েছে।

করোনা হেল্প সেন্টারের ডাক্তারদের তালিকা:

ডা: শাকির উর রহমান ০১৬১৬-৪৯১৬১৩

ডা: হাসানুল বান্না ০১৭৪০-৫০৮১৪৪

ডা: আরফান খান নিবীর ০১৬৭৬-৩১৯২২০

ডা: সাগর আজাদ ০১৭৬৩-৭৫৮৭৫৮

ডা: মীর কাশেম মজুমদার ০১৬৮৩-৪১৬৪২৬

ডা: তৌকিরুল ইসলাম ০১৬৭৩-৭০৪৩৭২

ডা: তানভীর হাবিব তন্মা ০১৭৬০-৮৮৮৭৭৭

এ বিষয়ে চিকিৎসক ও বিএনপির নগর সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জানান, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। দুঃস্ত দিনমজুর ও অসহায় ছাড়াও মধ্যবিত্ত জনগণের মাঝে আমার সাধ্যমত সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করছি।

তাছাড়া যেহেতু পেশায় আমি চিকিৎসক তাই নগরবাসীর দুঃসময়ে ঘরবন্দি মানুষের স্বাস্থ্য সেবাটাও নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।অনলাইনে ফেসবুক লাইভে স্বাস্থ্য সেবা প্রার্থীদের সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, প্রতিদিন ৫০০ এর অধিক মানুষকে অনলাইনে ফ্রি সেবা প্রদান করছে তার টিমের চিকিৎসকরা।

বাংলা নববর্ষ ১৪২৭ কে স্বাগত জানিয়ে চট্টগ্রামবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডা: শাহাদাত। তিনি বলেন, এই দুর্যোগকালীন সময়ে আপনারা নিজ ঘরে অবস্থান করে পরিবার পরিজন নিয়ে নববর্ষ পালন করুন। বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হতে তিনি নগরবাসীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ করেছেন।

পরিশেষে চসিক নির্বাচনে বিএনপির এই মেয়র প্রার্থী বলেন,প্রিয় নগরবাসী আপনার ঘরে থাকুন,ঘরে থাকুন এবং ঘরে থাকুন।

ইতিমধ্যে ডা: শাহাদাতের একটি নির্বাচনী বার্তা চট্টগ্রামবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি সেটি হলো-নগর পিতা নই,নগর সেবক হতে চাই।

যে কেউ যেকোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যার জরুরি সমাধান পেতে হটলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন এই নাম্বারে ০১৭১৫-১৯৮৬১২  অথবা ফেসবুক পেইজ https://www.facebook.com/DrShahadat7/

ইতোমধ্যে ডা: শাহাদাতের এই স্বাস্থ্য সেবা সকলের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। লাইভে শুধু স্বাস্থ্য সেবাতে তিনি থেমে থাকেননি। এর পাশাপাশি তিনি এই দূর্যোগকালীন সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের পাশে ত্রাণ নিয়েও দাঁড়িয়েছেন। প্রতিদিন তার পক্ষ থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিম্মবিত্ত,মধ্যবিত্ত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে খাদ্য সামগ্রী।

এছাড়াও জনসাধারণের মাঝে প্রতিনিয়ত মাস্ক,গ্লোভস,হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও করোনা সচেতনামূলক লিফলেট প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

২৪ ঘণ্টা /মোরশেদ রনী

 

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’