খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিবি পরিচয়ে বালিয়াডাঙ্গীর লাহিড়ী হাটে লুটপাটের চেষ্টা,আটক ৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
ডিবি পরিচয়ে বালিয়াডাঙ্গীর লাহিড়ী হাটে লুটপাটের চেষ্টা,আটক ৪

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীদের মারপিট করে টাকা লুটের সময় ৪ যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী হাটে এ ঘটনা ঘটে।

আটক কৃতরা হলেন- বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শহরের রাহাত (১৯), সুমন (২৮), গ্রিনলাইনপাড়ার আবু সালেক (২৪) ও গোয়ালগারী গ্রামের সবুর (২৯)।

বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধান জানান, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময় বিকেল ৫ টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে হবে। সে সময় অনুযায়ী লাহিড়ী হাটে ব্যবসায়ীরা দোকান করছিলেন। বিকালে ৭/৮ টি মোটরসাইকেলে একদল যুবক লাহিড়ী হাটে প্রবেশ করে। তারা নিজেদের ডিবি পুলিশ দাবি করে ব্যবসায়ীদের দোকান বন্ধ করতে বলে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করতে না চাইলে ঐ যুবকরা লাঠি সোটা দিয়ে হাটের ব্যবসায়ীদের বেধরক মারপিট করে। এতে ব্যবসায়ীরা দোকান পাট ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ সময় ঐ যুবকরা ব্যবসায়ীদের দোকানের ভেতরে রাখা টাকা লুট করে নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন রাহাত, সুমন, আবু সালেক ও সবুজ মিঞাকে আটক করলেও বাকিরা পালিয়ে যায় । পরে ঘটনাস্থল থেকে ঐ ৪ জন যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

এ দিকে ঘটনার পর ঘটনাস্থলে শত শত মানুষ ছুটে আসে। জনসমুদ্রে পরিণত হয় লাহিড়ীহাট। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন বলেন, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ১২ থেকে ১৪ জন যুবক ব্যবসায়ীদের চাপ প্রয়োগ করে দোকান বন্ধ করার জন্য। এতে ব্যবসায়ীরা রাজি না হলে ঐ যুবকরা ব্যবসায়ীদের মারপিট করে টাকা লুট করে পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন ৪ জনকে আটক করে পুলিশে দেয়। আটক যুবকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…