খুঁজুন
, ,

আমিরাতে প্রবাসীদের জন্য তিন কমিউনিটি নেতার ব‍্যতিক্রমী উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 30 April, 2020, 4:28 am
আমিরাতে প্রবাসীদের জন্য তিন কমিউনিটি নেতার ব‍্যতিক্রমী উদ্যোগ

ওবায়দুল হক মানিক,আরব আমিরাত প্রতিনিধি::করোনা প্রতিরোধে ঘরে থাকায় দীর্ঘদিন লকডাউনে থাকার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিম্ন আয়ের শ্রম জীবিদের অনেকের উপার্জন বন্ধ। নিঃস্ব হওয়া মানুষগুলো হাজার মাইল দূরে ফেলে আসা প্রিয়জনদের কাছে ফোন করবে। কিন্তু সে টাকা নেই। চুল দাড়ি কাটার সামর্থ্য নেই। একটি বাস কার্ড কেনার টাকা নেই। জরুরী কোন মেডিসিন কিনবে সে উপায়ও নেই।

এইসব নিঃস্ব প্রবাসীদের কথা চিন্তা করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবতাবাদী তিন কমিউনিটি নেতা ইয়াকুব সুনিক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইয়াকুব সুনিক, বাংলাদেশ বিজনেস এসোসিয়েশন আবিরের সভাপতি জুলফিকার ওসমান, বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন আবিরের সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে নগদ অর্থ বন্টন করলেন।

সোমবার ও মঙ্গলবার তারা যৌথভাবে এই অর্থ বন্টন করেছেন ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজার বি এম ডব্লিউ, আবু সাগরা, দুবাইয়ের আল মতিনা , আল-নাখিল,সোনাপুর,ইন্টারন্যাশনাল সিটি এবং আলকুজ এলাকায় প্রায় তিন শতাধিক নিঃস্ব প্রবাসীদের নিকট এই হৃদয় বান তিন ব্যবসায়ী নেতা ৫০ হাজার দিরহাম নগদ অর্থ বন্টন করেছেন।

কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে নিঃস্ব হয়ে পড়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের খাদ্য সংকট নিরসনে এই তিন ব্যবসায়ী বন্ধু ইয়াকুব সুনিক জুলফিকার ওসমান, হারুন-অর-রশিদ শুরু থেকে পৃথক পৃথক ভাবে ভূমিকা রেখে আসছিল ।

কখনো সম্মিলিতভাবে কখনো ব্যক্তিগতভাবে এরা সংকটাপন্ন প্রবাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে ইতিমধ্যে মানবিকতার উত্তম পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন এই তিন ব্যবসায়ী নেতা। যে অবদান সংকটাপন্ন প্রবাসীরা আজীবন মনে রাখবে অথলে অন্তরে।

ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন দুবাই আল আবির শাখার জেনারেল সেক্রেটারি ও ইয়াকুব সুনিক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইয়াকুব সুনিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের খাদ্য সঙ্কটে পড়া অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশী ও বাংলাদেশে তার নিজ এলাকা চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানায় করো’নার প্রাদুর্ভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়া ৫০০ জনসাধারণের নিকট খাদ্যদ্রব্য বন্টন করেছেন।

পাশাপাশি বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুবাই, ও বাংলাদেশ বিজনেস এসোসিয়েশন দুবাই আল আবিরের পক্ষ থেকে দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেট দ্বারা পরিচালিত ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করেন এই ব্যবসায়ী। তাছাড়া তুমি ধারাবাহিক ভাবে দেশে-বিদেশে অসংখ্য গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে নিরবে দান করে যাচ্ছেন । বর্তমান পরিস্থিতিতে তার ব্যবসায়িক নানা সংকট থাকা সত্ত্বেও প্রবাসীদের দুর্দশায় নিরবে বসে থাকেনি তিনি। এই দানবীর যখন যেভাবে পেরেছেন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ।
অপরদিকে বাংলাদেশ বিজনেস এসোসিয়েশন আল আবিরের সভাপতি জুলফিকার ওসমান, সহ-সভাপতি হারুন-অর-রশিদ সংগঠন ও ব্যক্তিগত ভাবে বাংলাদেশ কনস্যুলেট দ্বারা পরিচালিত খাদ্য সংকট মোকাবেলা কার্যক্রমে সহায়তা করে বিশাল অবদান রাখেছেন। মানুষের দুর্দশায় এই দুই কমিউনিটি নেতার সহযোগিতাোও অপরিসীম।
এই সংকটে অসহায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের কথা চিন্তা করে নগদ অর্থ বণ্টনের বিষয়টি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী একটি উদ্যোগ। হঠাৎ এ সহায়তা প্রবাসীদের এই সংকটে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। এই উদ্যোগ প্রবাসের মাটিতে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে প্রবাসীরা মনে করেন ।

প্রবাসীরা জানান করো’না ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধ কল্পে লকডাউনের কারণে আমরা কর্মহীন হয়ে ঘরে বসে ছিলাম। প্রচন্ড খাদ্য সঙ্কটে ভুগছিলাম । বাংলাদেশ কনস্যুলেট সহ কিছু সংগঠন ও প্রবাসী ব্যবসায়ীরা আমাদের খাদ্যদ্রব্য দিয়ে সহায়তা করেছেন। ফলে আমরা কিছুটা হলেও ক্ষুধা নিবারণের স্বস্তি পেয়েছি। দীর্ঘদিন কাজে না যাওয়ায় কোন টাকা-পয়সা পকেটে ছিলনা। ফোন রিচার্জ করা, চুল দাড়ি কাটা, প্রয়োজনীয় টুকটাক কাজে আমাদের খুব জরুরী নগদ অর্থের প্রয়োজন ছিল। এই টাকা জোগাড় করার জন্য আমাদের কারো কাছে হাত পাতার উপায় ছিল না। কেননা সবাই এই পরিস্থিতিতে নানান সংকটে দিনাতিপাত করছে। তাই হঠাৎ করে অর্থ পেয়ে আমরা অত্যন্ত খুশি। তারা উদার প্রাণ ব্যবসায়ী নেতাদের এই সহায়তার জন্য আন্তরিক দোয়া ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।