খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুলিশ সদস্যকে দা দিয়ে কোপালেন আরেক পুলিশ সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২০, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
পুলিশ সদস্যকে দা দিয়ে কোপালেন আরেক পুলিশ সদস্য

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁওয়ে আপত্তিকর নোংরা উচ্ছিষ্ট ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক কনস্টেবল মনিরকে দা দিয়ে কুপিয়ে যখম করার অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইনের আরেক পুলিশ কনস্টেবল এনামুলের বিরুদ্ধে।

এ অভিযোগ করেন যখম হওয়া ট্রাফিক কনস্টেবল মনির।

হামলার শিকার মনির জানান, রোববার (৩ মে) দিবাগত রাতে প্রতিবেশি পুলিশ কনস্টেবল এনামুলের বাসা থেকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ (কনডমের) একটি ব্যাবহৃত প্যাকেট মনিরের বাসায় ফেলা হয়। এ বিষয়ে তার স্ত্রী এনামুলের স্ত্রীকে জানালে প্রথমে তারা স্বীকার করলেও পরবর্তীতে তা পরিষ্কারে অসম্মতি জানালে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় এনামুলের স্ত্রী মনিরকে জুতাপেটা করতে চাইলে মনিরও তাকে জুতা পেটা করতে চায়। উত্তেজিত হয়ে এক পর্যায়ে এনামুল তার বাসায় থাকা একটি সামুরাই জাতীয় লম্বা দা নিয়ে এসে মনিরকে আঘাত করে। মনির সে আঘাত থেকে বাঁচতে হাত বাড়িয়ে দিলে মনিরের বা হাতে বাহুতে যখম হয়। এছাড়াও এনামুল মনিরের বুকে ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাত করে।

ওইদিন রাতেই ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলামের হস্তক্ষেপে এক প্রকার মীমাংসা হয় বিষয়টি। তবে যে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা সেই আপত্তিকর উচ্ছিষ্ট সরিয়ে না ফেলায় আহত মনির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তাকে আঘাতকারী সাবেক ডিবি সদস্য বর্তমানে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত এনামুলের শাস্তি দাবী করেন।

অভিযুক্ত এনামুলের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মনির আমার স্ত্রীকে জুতাপেটা করতে চাইলে বিষয়টি বাড়াবাড়ি হয়। এ বিষয়ে ওসি সাহেবকে অবগত করলে তিনি রাতেই বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

এ বিষয়ে সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম মুঠোফেনে জানান, এটা কোন কিছু না, ঘটনাটি দুজন পুলিশ সদস্যের নিজেদের ভুল বোঝাবোঝির কারণেই হয়েছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…