খুঁজুন
, ,

কাজলকে হাতকড়া পরানো পুলিশের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবেনা কেন?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 5 May, 2020, 5:02 pm
কাজলকে হাতকড়া পরানো পুলিশের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবেনা কেন?

আলীউর রহমান,অতিথি প্রতিবেদক:::সাংবাদিক কাজল নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে তার স্ত্রীর চকবাজার থানায় দায়ের করা মামলার চলমান থাকা অবস্থায় সেটি তদন্ত না করে হাতকড়া পরানোটা রীতিমতো অন্যায় বলেছেন আইনজীবীরা।

হাতকড়ার ব্যবহার নিয়ে আইন আছে পুলিশ প্রবিধান বা পিআরবিতে। ওই বিধির ৩৩০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘…বিচারাধীন বন্দীকে তাহাদের পলায়ন বন্ধ করিবার জন্য যাহা প্রয়োজন তাহার চাইতে বেশি কড়াকড়ি করা উচিত নহে। হাতকড়া বা দড়ির ব্যবহার প্রায় ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয় এবং অমর্যাদাকর। বয়স বা দুর্বলতার কারণে যাহাদের নিরাপত্তা রক্ষা করা সহজ ও নিরাপদ তাহাদের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি করা উচিত হইবে না।’

যশোরের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন সারাবাংলাকে বলেন, ‘আইন মেনেই শফিকুল ইসলাম কাজলকে হাতকড়া পরানো হয়েছে। আমি স্থানীয় পুলিশের সঙ্গেও কথা বলেছি। আদালতে আসামি তোলার সময় হাতকড়া পরিয়ে নিতে হবে, এটি পুলিশ রেগুলেশন অব বাংলাদেশে (পিআরবি) আছে।’

এসপি সাহেবের কাছে প্রশ্ন, কাজল রহস্যজনক ভাবে নিজ কার্যালয় থেকে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি আপনি জানতেন কিনা?

কাজলের স্ত্রী তার স্বামী নিখোঁজ হয়েছে মর্মে ঢাকার চকবাজার থানায় যে অভিযোগ দিয়েছেন তার ভিত্তিতে তিনি আসামী নয় ভিকটিম।

সাংবাদিক কাজল পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবতা কতটুকু। যে কারনে আপনি তাকে পিচমোড়া করে হাতকড়া পরানো যুক্তিযুক্ত মনে করলেন।

বিশিষ্ট আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বিবিসিকে বলেন,
আইনে বলা আছে যে, যদি পুলিশ মনে করে যে আসামী পালিয়ে যেতে পারে তাহলে তার পালানো ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে,”।

নারীদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে যে তাদের ক্ষেত্রে হাতকড়া পড়ানোর দরকার নাই।

সাংবাদিক মি. ইসলামের বিষয়টি উল্লেখ করে মি. বড়ুয়া বলেন, সব বিষয় বিশ্লেষণ করে বলা যায় যে, তাকে আসলে হাতকড়া পড়ানোটা অপ্রয়োজনীয়।

“সাংবাদিক কাজলের বিষয়টা একটু অড,” তিনি বলেন।

তিনি বলেন, মি. ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে চকবাজার থানায় একটি মামলা করা হয়েছিল যেখানে বলা হয়েছে যে ১০ই মার্চ থেকে তিনি নিখোঁজ। সেই মামলায় কোন অগ্রগতি নেই। সেই মামলাটি চলমান ছিল। তার মানে সে কারো না কারো কাস্টডিতে ছিল।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একাধিক সংবাদও প্রকাশ করা হয়। আর তাই তাকে পাওয়া যাওয়ার পর তার বিষয়ে খোঁজ-খবর করাটা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।

মি. বড়ুয়া বলেন, “পাসপোর্ট আদেশ ১৯৭৩ এর ১১ এর ৩ ধারায় গ্রেফতার করা হলো। আর গ্রেফতারের পর তাকে যেভাবে নিয়ে যাওয়া হলো সেটা অপ্রয়োজনীয় ছিল।”

এডভোকেট মনজিল মোরশেদ সারাবাংলাকে বলেন,
কাউকে শারীরিক কিংবা মানসিক নিপীড়ন করা যাবে না। যশোরের পুলিশ শফিকুল ইসলাম কাজলের সঙ্গে যা করেছেন, তা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এটি কোনোভাবেই করা যাবে না। এভাবে হাতকড়া পরানোর ঘটনা অসম্মানজনক।’

‘পিঠমোড়া করে হাতকড়া পরাতে হবে, এটি নাকি আইনে আছে’- এ বিষয়টি উল্লেখ করলে মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘আমার মনে হয় পুলিশ পিআরবি আইনের অপব্যাখ্যা দিয়েছে। রাষ্ট্র ক্রমশ উদার ও মানবিক হচ্ছে, আমরা এটা বিশ্বাস করতে চাই। আগে হাতকড়া দিয়ে হাত বাঁধা হতো, এখন পিঠমোড়া করে বাঁধবে- এটা বিশ্বাস করা যায় না। রাষ্ট্র এতটা পিছিয়ে যাবে? যারা এই আচরণ করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।’

লেখক:আলীউর রহমান,সাধারণ সম্পাদক,চট্টগ্রাম রিপোটার্স ফোরাম।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

৬৩ বিদেশির কারো কাছেই পাসপোর্ট পায়নি পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 September, 2026, 9:13 pm
৬৩ বিদেশির কারো কাছেই পাসপোর্ট পায়নি পুলিশ

নগরের খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের কারও কাছে পাসপোর্ট পায়নি পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১৩৪টি মোবাইল ফোন, ৫৭টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিভাইস উদ্ধার করা হলেও পাসপোর্টের কোনো হদিস মেলেনি।

ফলে তারা কোন ভিসায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন, সে তথ্যও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) ফয়সাল আহমেদ জানান, গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশির মধ্যে লাওসের ৩৪ জন, পাকিস্তানের ২১ জন, চীনের পাঁচজন, নেপালের একজন ও ভিয়েতনামের একজন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০ জন নারী। এছাড়া তাদের সঙ্গে একটি শিশুও ছিল।

তাদের কাছ থেকে ১৩৪টি মোবাইল ফোন ও ৫৭টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ পাওয়া গেছে। তবে কারও কাছে কোনো পাসপোর্ট পাওয়া যায়নি। তিনটি পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয়পত্র ও একটি কম্বোডিয়ার চাকরির কার্ড পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, পুরো ভবনটি ভাড়া নিয়ে সেখানে অনলাইনে বিভিন্ন প্রতারণামূলক কাজ করা হচ্ছিল। এর সঙ্গে দেশি-বিদেশি কিছু চক্র জড়িত রয়েছে। তবে প্রতারণার ধরন এখনো বিস্তারিতভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রতারণার ধরন আমরা তদন্ত করছি। আপাতত তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়েছে।

পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে দুবাইপ্রবাসী এক ব্যক্তির মালিকানাধীন আটতলা ভবনটি মাসে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকায় ভাড়া নেওয়া হয়। সেখানে দেশভেদে আলাদা করে বিদেশি নাগরিকদের রাখা হয়েছিল। তাদের জন্য রান্নার ব্যবস্থাও ছিল। মহসিন নামে এক ব্যক্তির কাছে অধিকাংশ বিদেশির পাসপোর্ট রয়েছে। তিনিই ভবনটি ভাড়া নিয়ে তাদের যাবতীয় বিষয় দেখভাল করতেন। বর্তমানে পুলিশ তাকে খুঁজছে।

কাউন্টার টেরোরিজমের কর্মকর্তাদের ধারণা, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এসব বিদেশিকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তাদের কেউ কেউ অনলাইন মার্কেটিংয়ের নামে পণ্য দেওয়ার কথা বলে অগ্রিম টাকা নেওয়া কিংবা হানিট্র্যাপের মতো প্রতারণায় দক্ষ হতে পারেন।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আব্দুর রহিম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা কবে এবং কোন ভিসায় বাংলাদেশে এসেছেন, সেটি বের করা হবে। বর্তমানে মামলাটি কাউন্টার টেরোরিজম তদন্ত করছে।

ঘণ্টায় ৫৮ কনটেইনারে ৮২ টিইইউএস হ্যান্ডলিং রেকর্ড আরএসজিটির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 September, 2026, 9:08 pm
ঘণ্টায় ৫৮ কনটেইনারে ৮২ টিইইউএস হ্যান্ডলিং রেকর্ড আরএসজিটির

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে আরএসজিটি বাংলাদেশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৮ কনটেইনারে ৮২ টিইইউএস (২০ ফুট একক) হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড করেছে। এটি দেশে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।

আরএসজিটি বাংলাদেশ জানিয়েছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে প্রথমবারের মতো সিএমএ-সিজিএমের ক্রেনবিহীন জাহাজ (গিয়ারলেস ভ্যাসেল) ‘এমভি ওয়ানেন’ (MV WANEN)-এ নতুন যুক্ত হওয়া শিপ-টু-শোর (এসটিএস) গ্যান্ট্রি ক্রেন ব্যবহার করে কনটেইনার ওঠানামার সময় এই উৎপাদনশীলতা অর্জিত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই অর্জন চট্টগ্রাম বন্দরের অতীতের গড় উৎপাদনশীলতার প্রায় দ্বিগুণ।

এর আগে, চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারবাহী জাহাজে ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৩০ কনটেইনার বা ৪৮ টিইইউএস ওঠানামা করা হতো।

আধুনিক সরঞ্জাম ও আন্তর্জাতিক টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টার অংশ হিসেবেই এই সফলতা এলো।

উচ্চমাত্রার এই উৎপাদনশীলতা জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কমাবে, বার্থের ব্যবহার বাড়াবে এবং জাহাজ সংক্রান্ত খরচ কমাবে।

আরএসজিটি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) Erwin Haaze বলেন, ঘণ্টায় ৫৮টি মুভ বা ৮২ টিইইউএস অর্জনের এই সাফল্য কেবল উৎপাদনশীলতার কোনো সাধারণ অর্জন নয়; এটি বাংলাদেশে আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনার অপার সম্ভাবনা তুলে ধরে। বিশ্বমানের প্রযুক্তি সংযোজন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, সুশৃঙ্খল পরিচালন পদ্ধতি এবং একটি দক্ষ জনবলের যৌথ প্রয়াসেই এই মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের পরিচালনাগত মান ক্রমাগত উন্নত করতে এবং গ্রাহক ও অংশীদারদের নিরাপদ, দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরএসজিটি বাংলাদেশ জানিয়েছে, এই মাইলফলক পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালকে আরও দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত একটি সামুদ্রিক প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা সুদৃঢ় করেছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যকে সহায়তা দিতে আধুনিক অবকাঠামো, প্রযুক্তি, পরিচালনগত উৎকর্ষ এবং জনশক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে প্রতিষ্ঠানটি। আরএসজিটি বাংলাদেশ গ্রাহক, অংশীদার ও অংশীজনদের অব্যাহত আস্থা, বিশ্বাস ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

আমরা দেশকে পুনর্গঠন করতে চাইলে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 September, 2026, 3:12 pm
আমরা দেশকে পুনর্গঠন করতে চাইলে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমি আপনাদের কাছে একটা সাহায্য চাই। আমি যতটুকু জানি, বাংলাদেশে স্কাউটের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ। বিএনসিসির সদস্য সংখ্যা ২২ হাজার। দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সংখা প্রায় ৪ কোটি। এবার আপনার বলেন, আমরা এতোগুলো মানুষ যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই, কেউ কি ঠেকিয়ে রাখতে পারবে? পারবে না।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, এখন আপনাদের দায়িত্ব নিতে হবে কীভাবে দেশকে গড়ে তুলবেন। দেশকে গড়ে তুলতে হবে, কারণ আমরা এখানে থাকব।

একটা দেশের এত বড় তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে করা সম্ভব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি তারা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বিশ্বকে দেখিয়েছে। পরিবর্তনের সূচনা তরুণ সমাজ এখান থেকে শুরু করেছেন। কাজেই আসেন, আগামী ৩ মাস ডেঙ্গুর সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করব। হয়তো আমরা শতভাগ পারব না, কিন্তু ৮০ ভাগ পারব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি, ডেঙ্গু যেসব কারণে হয়… ভাঙা-চোরা জিনিসপত্র বিভিন্ন জায়গায় পড়ে থাকে, বিভিন্ন মাটির ভাঙা জিনিস পড়ে থাকে… সেখানে পানি জমে ডেঙ্গু এডিস মশা তৈরি হয়। কাজেই আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে দেশের পরিবর্তন ঘটাতে পারব। এই মাঠে আজকে আমরা যতগুলো মানুষ উপস্থিত রয়েছি, বিভিন্ন জেলায় (অনলাইনে যুক্ত) যারা মাঠে উপস্থিত রয়েছেন, সবাই যদি টিস্যু ও পানি খেয়ে বোতল মাঠে ফেলে দিই, কেউ কি আমাদের কিছু বলবে? বলবে না।

“কিন্তু আমাদের নিজেদের চোখে দেখতে কেমন লাগবে? যখন এই ময়লাগুলো জমা হয়ে বড় আকার হবে, সেখান থেকে রোগ-জীবাণু সৃষ্টি হবে। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন তাতে আমার কী হবে, আমি তো দূরে থাকি। কিন্তু আপনার আপনজন কিংবা প্রিয়জন কেউ অসুস্থ হয়ে পড়বে। কাজেই আমরা নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখি। নিজের সমাজকে সুস্থ রাখি। দেশকে সুস্থ রাখি।”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কাজটা খুব কঠিন না। আজকে হয়তো আপনাদের একটু কষ্ট হবে। প্রতি সপ্তাহে আমরা যদি ১ ঘণ্টা সময় দিই, নিজেদের বাসা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থল পরিষ্কার করতে, তাহলে অবশ্যই দ্রুততার সঙ্গে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবো।

তারেক রহমান বলেন, যারা ময়লা-আবর্জনা করবে, আসুন তাদের আমরা নিরুসাহিত করি, তাদের বলি—‘যেখানে সেখানে ময়লা করবেন না’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালে তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে দেশকে পরিবর্তন করতে হয়। পরিবর্তন হয়েছে। তরুণ সমাজের কাছে আমার আহ্বান, আসুন এবার আমরা রাষ্ট্রকে, দেশকে পুনর্গঠন করি।