খুঁজুন
, ,

গণপরিবহনে শৃংখলা এবং যৌন হয়রানি বন্ধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহনের আহ্বান সুজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 10 December, 2019, 6:24 pm
গণপরিবহনে শৃংখলা এবং যৌন হয়রানি বন্ধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহনের আহ্বান সুজনের

গণপরিবহনে শৃংখলা এবং যৌন হয়রানি বন্ধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিআরটিএ উপ-পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র প্রতি আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসে উপ-পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এর দফতরে এক মতবিনিময় সভায় উক্ত আহবান জানান সুজন।

এ সময় সুজন বলেন নাগরিক উদ্যোগ সরকারের উন্নয়নের সুফলসমূহ জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন সেবা সংস্থা এবং সেবা গ্রহীতাদের মধ্যে মেলবন্ধনের কাজ করছে নাগরিক উদ্যোগ। তাই বর্তমান সময়ের বহুল আলোচিত সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ কার্যকর নিয়ে পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রী সাধারণের বিভিন্ন অসুবিধা এবং দুর্ভোগ নিয়ে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা বিআরটিএ উপ-পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) এর নিকট পেশ করেন।

প্রস্তাবনাসমূহ নিম্নরূপঃ

১। বিআরটিএ অফিস হয়রানি এবং দালালমুক্ত করা।

২। সকল প্রকার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তি আরো সহজীকরণ করা।

৩। দ্রুততার সাথে ড্রাইভিং লাইসেন্স হস্তান্তর করা। ড্রাইভিং লাইসেন্সের কারণে ড্রাইভাররা রাস্তায় গাড়ী চালাতে পারছে না। ফলে রাস্তায় গাড়ীর ব্যাপক সংকট। অন্যদিকে সাধারন যাত্রী সাধারণকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

৪। গণপরিবহন চলে এ রকম রুটের মধ্যে যে সকল রুটে সিলিং খালি আছে সে সকল রুটে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গাড়ীর অনুমোদন প্রদান করা। এতে করে গণপরিবহন বৃদ্ধি পাবে এবং যাত্রী সাধারণ গণপরিবহন সংকট থেকে মুক্তি পাবে।

৫। যে সকল পারমিট ইস্যু হয়েছে সে সকল পারমিটগুলো সত্বর স্ব-স্ব মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা।

৬। সীতাকুন্ড সড়কে চলাচলকারী ৪নং এবং ৭নং সার্ভিসটি টাইগারপাস এবং কদমতলীর পরিবর্তে নিউমার্কেট হয়ে লালদিঘী পর্যন্ত বিস্তৃত করা।

৭। ফিটনেস বিহীন, ভাঙ্গা সিট, বডি ও রং বিহীন চলাচলের অযোগ্য গাড়ী রাস্তা থেকে অপসারণ করা।

৮। স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত চালক তৈরী করা। এতে করে সড়কে দূর্ঘটনার হার অনেকাংশে কমে আসবে।

৯। অনলাইনে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম পূরণ সহজীকরণ করা এবং লার্নার লাইসেন্স থেকে মূল লাইসেন্স প্রাপ্তির সময়কাল কমিয়ে আনা।

১০। মোটর সাইকেল বর্তমান সময়ে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। কম পয়সায় দ্রুত যাতায়াতের কারণে অ্যাপভিত্তিক মোটর সাইকেল রাইড পরিসেবা দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তাই মোটর সাইকেলের লাইসেন্স প্রাপ্তিটাও সহজীকরণ করলে সময় এবং অর্থের অপচয় রোধ করা যাবে।

১১। বর্তমান সময়ের আতংকিত বিষয় গণপরিবহনে যৌন হয়রানি। গণপরিবহনে নারী যাত্রীদের হয়রানি রোধে বাসের ভিতর গাড়ীর নাম্বার, চালক এবং হেলপারের পরিচয় পত্র দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

১২। প্রতিটি গাড়ীর সামনে ড্যাশ ক্যামেরা এবং ব্যাক ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা যা গাড়ীর ফিটনেস এর সাথে অর্ন্তভুক্ত থাকবে। এতে করে দূর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে।

১৩। পুরাতন রেলষ্টেশন থেকে সীতাকুন্ড এবং বড় দারোগার হাঁট পর্যন্ত ৪০ সিটের বাসের একটি নতুন রুট চালু করা। কারণ মহাসড়কে ছোট গাড়ী চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়াতে ঐ এলাকায় যাতায়াতকারী সকল যাত্রীদের প্রচন্ড ভোগান্তি হচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে এ অবস্থা আরো মারাত্নক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে। সামাজিক আচার অনুষ্ঠানে যেতে না পারার কারণে সামাজিক ব্যবস্থাও নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

১৪। সড়ক পরিবহন আইন বলবৎ এবং সড়কে শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে বিআরটিএর ম্যাজিষ্ট্রেট দিয়ে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা।

বিআরটিএ উপ-পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শুনেন।

তিনি নাগরিক উদ্যোগের প্রস্তাবিত প্রতিটি প্রস্তাবনার সাথে সহমত পোষন করেন এবং এগুলো যাতে সহসাই বাস্তবায়ন করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি নাগরিক উদ্যোগকে বর্তমান সময়ের শ্রেষ্ঠ সংগঠনে আখ্যায়িত করেন এবং এ সংগঠনের সাথে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সরকার দীর্ঘদিন ধরে সড়কের সাথে জড়িত পরিবহন মালিক, শ্রমিক, সুশীল সমাজ, প্রশাসন, বিআরটিএ সহ বিভিন্ন পক্ষের সাথে আলোচনা করে সড়ক পরিবহন আইনটি কার্যকর করতে চলেছে। বিআরটিএ এখানে শুধু একটি পক্ষ হিসেবে কাজ করছে। সড়কে শৃংখলা আনার দায়িত্ব কিন্তু সকল পর্যায়ের জনসাধারনের। সরকার এবং সরকারের দায়িত্বশীল বিভিন্ন সংস্থা প্রতিনিয়ত জনগনকে সচেতন করার কাজ করছে। আমাদের সকলকে আরো বেশী সচেতন হতে হবে এবং আইনের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল হতে হবে নচেৎ এ আইনটি বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে যাবে। তিনি সড়ক পরিবহনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আন্তরিকতার সাথে সড়ক পরিবহন আইনটি কার্যকরে ভ‚মিকা রাখার আহবান জানান।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ হাজী মোঃ ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান চৌধুরী, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, নুরুল কবির, সিরাজদৌল্ল্যা নিপু, সাইফুল্লাহ আনছারী, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ বাবলু, মোঃ ওয়াসিম, মোঃ নাছির উদ্দিন প্রমূখ।

Feb2
Feb2

ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 4:11 pm
ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত চিঠি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা ৩, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত (২১ আগস্ট, শুক্রবার) রাষ্ট্রপতির কার্যভার গ্রহণ করায় ওই আসনটি সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে শূন্য হলো। বিজ্ঞপ্তিটি অবিলম্বে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশের জন্য সরকারি মুদ্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শূন্য হওয়া আসনটিতে উপ-নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

একইসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়, বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরে অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, যেহেতু আসনটি শূণ্য ঘোষণা করা হয়েছে, এখন আমরা আইন-বিধি দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।

৯০ দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন হবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসন্ন থাকায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের জন্য বেশি সময় নেব না, দ্রুতই নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 3:52 pm
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদের দায়িত্ব পাওয়া নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১টা ১৫ মিনিটের দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ​এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। তবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ প্রবেশ করেন দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে।

এদিন নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী—হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন (ধর্ম মন্ত্রণালয়) শ্রদ্ধা জানাতে যান। তারা বীর শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন তারা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করলে সাধারণ জনগণদের জন্য স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

শরিফুলের ৬ উইকেটে আশা বাঁচিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 3:23 pm
শরিফুলের ৬ উইকেটে আশা বাঁচিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ

ডারউইন টেস্টে হাসান মাহমুদের পর এবার ম্যাকাই টেস্টে জ্বলে উঠলেন চোট থেকে ফেরা পেসার শরিফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে নেমেই ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার পেয়ে গেলেন বাঁ-হাতি এই পেসার। গড়লেন বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফাইফারের রেকর্ড।

এই ম্যাচে নামার আগে টেস্টে শরিফুলের সেরা বোলিং ফিগার ছিল ২৮/৩। এছাড়া এক টেস্টের দুই ইনিংসে মিলিয়ে ৫৬/৫ ছিল তার সেরা বোলিং। অজিদের বিপক্ষে আজ দুটিই ছাড়িয়ে গেলেন শরিফুল। ৮.৫ ওভারে ফাইফার পূর্ণ করা এই পেসার ইতোমধ্যে ৬ উইকেট (এখন পর্যন্ত ফিগারটা- ৩৪/৬) শিকার করেছেন।

অবশ্য বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে দ্রুততম ৫ উইকেট শিকারের রেকর্ডটা এখনও বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের দখলে আছে। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে তিনি মাত্র ৬.৫ ওভারেই ফাইফার নিয়েছিলেন। একই কীর্তি গড়তে আরও দুই ওভার বাড়তি লেগেছে শরিফুলের।

স্বভাবতই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই গতিতারকা প্রথমবার ৫ উইকেটের দেখা পেলেন। একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দ্বিতীয় পেসার হিসেবে ৫ উইকেট পেলেন তিনি। আগের টেস্টেই প্রথম ৫ উইকেট ছিল হাসান মাহমুদের। তিনিও শিকার বাগিয়েছিলেন ৬টি উইকেট। ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ৮ উইকেটের ৬টিই গেছে শরিফুলের পকেটে।

এর আগে ব্যাটিংয়ে দারুণ বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। অজি গতিতারকা মিচেল স্টার্ক নেন ৬ উইকেট। নিজেদের প্রথম ইনিংসে নামা স্বাগতিকদের ২৬ রানে প্রথম ধাক্কাটা দেন তাসকিন আহমেদ। দলীয় ৪৩ রানে ট্রাভিস হেডকে ইনসাইড এজে বোল্ড করে সেই দলে যোগ দেন শরিফুল। একই ওভারে বোল্ড করেন মার্নাস লাবুশেনকে। এরপর শরিফুল একে একে ফিরিয়েছেন স্টিভ স্মিথ, ব্যু ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও স্টার্ককে।

এর মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। তবে দিনের শেষদিকে শরিফুলের ৬ উইকেট শিকারের মাধ্যমে ম্যাচে টিকে রইল বাংলাদেশ।