খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাণীশংকৈলে ধর্ষণ মামলায় আটক ৫

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২০, ৯:২২ অপরাহ্ণ
রাণীশংকৈলে ধর্ষণ মামলায় আটক ৫

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ।ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: দুই বোনকে দল বেধে গণধর্ষণের অভিযোগে পাঁচ যুবককে আটক করেছে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাতে ঐ দুই তরুণী বোনদ্বয়ের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এ যুবকদের আটক করে পুলিশ।

বুধবার (১৩ মে) আটক পাঁচযুবকসহ মোট ছয় যুবকের নাম উল্লেখ্য করে ভুক্তভোগী পৌরশহরের মহলবাড়ী গ্রামের কুদ্দুস আলীর স্ত্রী আশী মনি(১৯) বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করে।

সেই মামলায় আটক দেখিয়ে পাঁচ যুবককে ঠাকুরগাঁও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ধর্ষণের স্বীকার ভুক্তভোগীরা হলেন মহলবাড়ী গ্রামের কুদ্দুস আলীর স্ত্রী আশা মনি ও তার আপন ছোট বোন পাশ্ববতী সন্দারই গ্রামের হানিফের মেয়ে জনৈক(১৫)।

মামলান তদন্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) খায়রুল আনাম ডন মামলার বরাত দিয়ে জানান, গত ১১ মে সোমবার দুপুর অনুমান তিনটায় কৌশলে মামলাকারীনীসহ তার আপন ছোট বোনকে পৌর শহরের সিডিএ অফিসের পাশে এক বাড়ীতে নিয়ে হাত পা বেধে দলবেধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

আটক ধর্ষকরা হলো:-উপজেলার ক্ষুদ্র বাঁশবাড়ী গ্রামের আফাজ উদ্দীনের ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৮)মহলবাড়ী গ্রামের বাবুল মিস্ত্রির ছেলে রুবেল (২৬)  জতিষ চন্দ্র রায়ের ছেলে শ্রী উপেন দেব (২৮)  মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ ফয়জুল আকতার  ফজলু (৩৫) সন্ধারই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মিলন (২০) ও পীরগঞ্জ উপজেলার মৃত বাবুলের ছেলে আশরাফুল(২৩)।

ধষর্ণের পরে ঐ রাতে দুই বোনকে মহলবাড়ী গ্রাম এলাকার জাকের পার্টি অফিসের পাশে ফেলে রেখে সটকে পড়ে ঐ যুবকরা।

ভোরে মেয়ে দুটির আত্নীয়রা স্থানীয় লোকমারফত খবর পেয়ে তাদের সেখান থেকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্বার করে।

বিষয়টি রাণীশংকৈল থানার সার্কেল(অতিরিক্ত দায়িত্বে)সহকারী পুলিশ সুপার (এ.এস.পি) তৈহিউদ দোলা লুপুমের নিকট মৌখিক অভিযোগ দেওয়ার ভিত্তিতে। এবং তার নির্দেশে রাতারাতী ঘটনাটির সাময়িক তদন্তসহকারে অপরাধীদের সনাক্ত করে আটক করে থানা পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) খায়রুল আনাম ডন বলেন,ছয় আসামীর মধ্যে পাঁচজনকে আটক করে ঠাকুরগাঁও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও ধষর্ণের শিকার দুই বোনের ডাক্তারী পরীক্ষার পর ঘটনাটির বিস্তারিত জানা যাবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…