খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উপহার নিয়ে করোনা যোদ্ধাদের পাশে এপেক্সিয়ান বেলাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২০, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
উপহার নিয়ে করোনা যোদ্ধাদের পাশে এপেক্সিয়ান বেলাল

বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য অত্যন্ত ধৈর্য্য এবং সাহসিকতার সাথে করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বর্তমান দূর্যোগপূর্ণ সময়ে এদেশের মানুষের জন্য নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাদের জীবন উৎর্সগ করেছেন।

পুলিশের এই ধরনের কর্মকান্ডের কৃতজ্ঞতা স্বরুপ আজ বুধবার (২০ মে) আর্ন্তজাতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাবস অব বাংলাদেশের জেলা-৩ এর গভর্নরের পক্ষ থেকে করোনা থেকে মুক্ত থাকার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

সুরক্ষা সামগ্রীর মধ্যে ছিল- ১ হাজার পিস মাস্ক, ১ হাজার পিস গ্লাভস, ২০০ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং ১০০ পিস চশমা।

উপহার সরূপ পণ্যগুলো চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: মাহাবুবর রহমান এর নিকট হস্তান্তর করেন এপেক্স জেলা-০৩ এর ডিজি এপেক্সিয়ান বেলাল হোসেন।

এসময় সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) শ্যামল কুমার নাথসহ পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এপেক্সিয়ান মো. বেলাল হোসেন বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই করোনা ভাইরাসের সময় পুলিশ মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তাই তাদের সুরক্ষার জন্য এই সুরক্ষাসামগ্রী কিছুটা হলেও সাহায্য করবে।

উল্লেখ্য, এর আগে সিএমপির বন্দর জোনের পুলিশের কার্যক্রমে সহায়তা সরূপ করোনাকালীন সময়ের জন্য একটি এ্যাম্বুলেন্সও প্রদান করেন তিনি।

এছাড়া এপেক্সিয়ান বেলাল ইতিমধ্যে হাজারের উপর মানুষের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন এবং নির্দিষ্ট কিছু অসহায় পরিবারকে তিনি নিয়মিত সহযোগীতা করে যাচ্ছেন।

এপেক্সিয়ান বেলাল চট্টগ্রামের কয়েকটি বস্তিতে করোনা থেকে মুক্ত থাকতে হাত ধোয়ার জন্য পানির জার এবং সাবানের ব্যবস্থা করেছেন।

বেলাল বলেন, এই দুর্যোগকালীন সময়ই হলো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উত্তম সময়। এখন মানুষের পাশে দাঁড়াতে না পারলে কখন দাঁড়াব? তিনি এপেক্স জেলা-০৩ অধীন যে সকল ক্লাবগুলো অসহায় মানুষের পাশে সহায়তায় হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এবং সবাইকে করোনা ও আম্ফানের দুর্যোগকালীন সময়ে আরও সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ করেছেন।

২৪ ঘন্টা/এম আর

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…